April 30, 2026

Bonolota cinema outing

 আজ অনেকদিন পরে আমি আর মিতু আউটিং এ বের হলাম। পিচ্চি বাদে মেবি গত দুই বছরে এটা আমাদের দ্বিতীয় আউটিং। আউটিং বলতে বাড়ির কাছেই দুই পা হেঁটে সিনেমা দেখতে যাওয়া। বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমাটা বেশ জোড়েসোরে চলছে এখন। তানিম নূর এর পরিচালনায় হুমায়ূন আহমেদের গল্প অবলম্বনে সিনেমা। বেশ 'ফিল গুড' সিনেমা। মাঝে বেশ ক্যামিও ট্যামিওও ছিল হুমায়ূন ইউনিভার্স থেকে। আর ছোটখাট ভূমিকাতেও বেশ ভাল অভিনেতাদের নেয়ায় সব মিলে জমে গেছে। কিছু জায়গায় জোর করে হাসানোর চেষ্টা চোখে পড়লেও পরে সামলে নিয়েছে পরিচালক। সিনেমা ছিল দোহাই, ঘুরে আসাটাই আসল। বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্স এ টিকেট মিলছে না দেখে অবাক হলাম। মারদাঙ্গা বা আইটেম নৃত্য ছাড়া একটা সিনেমার মাসখানেক পরেও টিকেট মিলছে না এটাই তো দারুণ ব্যাপার।  পরে অদ্ভূত একটা জায়গায় টিকেট মিললো।  সামরিক যাদুঘরের ভেতরে নাকি সিনেপ্লেক্সের  আরেকটা শাখা আছে। কোন ধারনাই ছিলো না আজকের আগে। গিয়ে দেখি বেশ  ফাঁকা, ঘরোয়া একটা পরিবেশ। খুবই ভালো লাগলো। সিনেমায় ঢোকার মুখে শিবুদা'র সাথে দেখা। মেঘদলের ভোকাল, আমার একসময়ের নিউ এইজ কলিগ শিবুদা' যিনি কথা বললেই ঘরের তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি নেমে যায় এমন ভরাট গলা। শিবুদা' বিরাট চুল রেখেছেন দেখলাম। তিনি শুনে টুনে বললেন, তাও তো এক পিস বলে রেখে আসা গেছে। আমার তো দুইটা। 

শুনে দুইজনেই সিদ্ধান্ত নিলাম চুল মাথায় থাকতেও বেলতলা পুনর্বার যাত্রা নাস্তি।

সামরিক যাদুঘরের সামনে দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ দেখি স্পাইরাল আলু চিপস। জিনিসটা খুব ই অস্বাস্থ্যকর। একটা আলু সাপিয়ারালি কীভাবে যেন কাটে স্পেশাল একটা কাটার দিয়ে। এর পর সেটা (কে জানে কে কবের) তেলে ডুবিয়ে কড়কড়ে করে ভেজে আরেকটা লোকালি মেইড সস এ ডুবিয়ে দেয়। ২০ টকায় সেটা কিনে খেতে খেতে যাচ্ছে তখন একটা মজার ব্যাপার হল। হঠাত এক বিশওবিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে এসে বল- আপনার সাথে ছবি তুলতে পারি? এটা আমার বেশ মজাই লাগে। কার্টুন এঁকে একেবারে পথেঘাটে ফ্যন জুটে যাবে এটা কখনো ভাবিনি। মাঝে মাঝে এমন হলে তাই আমোদ বোধ হয়। সবচেয়ে মজা হয়েছিলো মহেশখালিতে গিয়ে। একেবারে কাকপক্ষী নেই এমন একটা জায়গা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। সামনে একটা টিলার ওপর মন্দির, তখন মনে হলে একটা ছেলে ফলো করছে। বুঝতে পারলাম না, পরে সে সামনে এসে বললো- আমি আপনাকে ইন্সটাগ্রামে ফলো করি। তখন মনে হলে ডিজিটালি ফলো ক্রাটা নরমাল হলেও রিয়েল লাইফে ফলো করাটা একটু ক্রিপি টাইপ। তবে মহেশখালীতে গিয়েও এমন কাউকে পাব চিন্তাতেও আসেনি। ছেলেটার নাম বিজয়সিংহ। নামটা মনে রাখাটা কর্তব্য বটে। 

কোনভাবেই সেলফি ও পিছের পোস্টার একত্রে ম্যানেজ
করতে না পেরে কোনমতে ব্যাকাত্যাড়া ছবি।


No comments:

Post a Comment

দৈনন্দিন

 সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টি। মেঘমেদুর আকাশের মাঝে হঠাৎ ঝকমকে রোদ আসে আবার চলে যায়। দিন এখন যায় আমার মেয়ের সাথেই। অনু বেশ মজার হয়েছে। তার মূল এ...