ইন্টারনেট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এর সাথে আমার কোন একটা বিরাট কুফা কাহিনি আছে। যা-ই করি। একটা না একটা সমস্যা হবেই। আমার একটা সবেধন নীলমণি যে ওয়েবসাইট ছিল তা হঠাত একদিন খুলে দেখি সেখানে টি শার্ট বিক্রি করছে কোন এক চাইনিজ ভাই। ঘটনা না বুঝে ইমেই সার্চ করে দেখি ডোমেইন রিনিউ এর ইমেইল টা spam ফোল্ডারে পড়ে আছে। দেখা হয় নাই। কী আর করা। আর এখন অনেক চেষ্টা করেই সেই ডট কম আর পাচ্ছি না। ফলে বাধ্য হয়ে নিজেই নিজেকে প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিয়ে ডট অর্গ এর শরণাপন্ন হলাম। এখনো অনেক কাজ বাকি, তবে মোটামুটি কাঠা দাঁড়িয়ে গেছে। পুরোটাই সাহায্য করেছে হাফপ্যান্ট কালের বন্ধু ইথিকাল হ্যাকার (নীতিবান চোর?) সজীব।
এই হল সাইট লিংক আর নিচে একটা ল্যান্ডিং ফটোর স্ক্রিনশট দিলাম। এই জিনিস সাজাতে ভালই সময় দিতে হবে।
এ ক'দিন সমানে কাজ করছি। একটা বড় সময় যায় অনুর পেছনে। তবে সে ঘুমালে কিছু সময় বের করা যায়। সমস্যা হল ততক্ষণে আবার দেখতে দেখতে নিউ এইজে যাবার সময় এসে যায়। যাইহোক, এভাবেই জোড়াতালি দিয়ে এগোচ্ছি। পলিটিকাল কার্টুন চলছে। যেহেতু ফেইসবুক পেইজ গন, সেহেতু শুধু
লিংকড ইন এ দিচ্ছি এখন। সাথে এখানেও দিয়ে রাখা যাক।
কুমিল্লা ক্যান্টমেন্ট এলাকায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার সেই এক দশক আগের তনু মার্ডার কেসের কিছু ফলো আপ হঠাত শুরু হল। অবশেষে একজন সন্দেহভাজন সেনাসদস্য গ্রেফতার হয়েছে। এবং তার ডিএনএ নমুনা ক্রস ম্যাচের জন্যে নেয়া হয়েছে। কী ভয়ানক অনাচার! সেনা সদস্য- তাই দশ বছর কোন বিচারের প্রক্রিয়াই এগোয়েনি। আর আমার চোখে আরেকটা যেটা ধরা পড়লো, সে গ্রেফতারের পরেও এখনো শুধু তনুর ই ছবিসহ নিউজ আসছে। সম্ভাব্য রেপিস্ট ও খুনি সেই লোকের কোন ছবি নেই! নুরুল কবীর ভাইকে বললাম, তিনিও নোটিস করে ছবি খুঁজতে লোক লাগালেন। কিন্তু দুইদিন পর্যন্ত পাওয়া গেলো না। আজ সর্বপ্রথম তার ছবি মিডিয়াতে এলো। এই একটা কেসে আমি অনেকদিন ধরে কার্টুন এঁকে যাচ্ছি, ও এর শেষ দেখার জন্যে অপেক্ষা করছি। এ ছাড়া আরেকটা যেই কেস আমাকে অনেক নাড়া দিয়েছিলো সেটা ছিল লিমন। এক র্যাব সদস্য অকারণে গুলি করায় যাকে একটা পা হারাতে হয়েছিলো। শেষমেশ সে বিচার পেয়েছে। তৃতীয় আরেকটা কেস, যা আমি আশাবাদী এই নতুন সরকারের আমলে আলো দেখতে পাবে সেটা হল নারায়ণগঞ্জের ত্বকী হত্যা মামলা। সাগর-রুনি হত্যা মামলা নিয়ে আমি অবশ্য অতটা আশাবাদী নই।
জুলাই 'যুদ্ধ'র অন্যতম গুড়ের মাছি হাসনাত আব্দুল্লাহ্, বর্তমানে যার দল জামাতের একাধিক লেজের মধ্যে একটি লেজ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, সে জানিয়েছে গাড়ি ছাড়া তার খুব কষ্ট হচ্ছে, এম্পিদের টা না হোক, সরকারী ইউএনও দের মত একটা গাড়ি চাই, সাথে তার এলাকায় একটা অফিস। যদিও এমপি হবার আগে গাড়ি দূরে থাক, এমপি-মন্ত্রীদের যেকোন সুবিধা নেবার যে কালচার তা তারা পালটে দেবে, এবং অন্যদের জান খারাপ করে ছাড়বে এমন একটা আভাস সে দিয়েছিলো। আর এদিকে সে গাড়ি চাইতেই
জুলাই এর জাতির জনক জামায়াতের আমীর ড. শফিকুর রহমান বলেছেন- ছোটদের আবদার ফেলতে নেই। তাই নিয়ে চটজলদি কার্টুন।
জুলাই এর ভাগ বাঁটোয়ারা আর গুপ্ত রাজনীতি সাথে আমার বিশ্লেষণ নিয়ে এখানেই একটা লেখা পোস্ট করে রাখবো শিগগির ই।
এ ছাড়া চলছে একাধিক ইলাস্ট্রেশন এর কাজ।
এটা মাত্র নামালাম, একটা বইয়ের কাভার। ব্র্যাক এর একটা প্রজেক্ট, প্রকাশ করছে UPL।
আর সেই সাথে চলছে ডাইনো-টুটি সিরিজের পরের বইএর কাজ। পেন্সিল ও গল্প আমার, সেটার ওপর ইংক আর রং করছে সব্যসাচী চাকমা- পোলো।
এই সিরিজ নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী, কারণ লিখে ও এঁকে মজা পাচ্ছি বেশ।
No comments:
Post a Comment