Showing posts with label স্কেচ খাতা থেকে. Show all posts
Showing posts with label স্কেচ খাতা থেকে. Show all posts

February 26, 2015

Sketch books


আমার স্কেচবুকের একাংশ- মানে যা যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে আশে পাশে। আজ ঝেড়েপুঁছে তুলতে কেমন নস্টালজিয়া পেয়ে বসল। যারা ভাবেন আমি ডিজিটালি আঁকি, তাদের জন্যে বলা যাক- সেটা বরফ খণ্ডের ভাসমান পৃষ্ঠ। স্কেচবুক ছাড়া ডিজিটাল টেকনিক কেবলি ফক্কিকারি।

July 16, 2012

জলরং

একটা দারুণ বই পেলাম ক'দিন আগে The Art of Urban Sketching. আইডিয়াটা হল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বড় বড় শহরের আঁকিয়েরা (যারা নিজেদের বলেন Urban Sketchers) যে যার শহর এর দৃশ্য আঁকেন ও সেগুলো একসাথে করে একটা বই করেন। বইটা এক কথায় অসাধারণ! সেখানে নতুন যেই মজার ব্যপারটা দেখলাম সেটা হল সবাই লাইভ আঁকবার মাঝেই রঙ টং ও চাপিয়ে নিচ্ছেন আর তাতে করে গোটা জিনিসটা জমে যাচ্ছে। জলরং টাই দেখালাম সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া। তাদের দেখাদেখি ক'দিন ধরে লাইভ সেশনে জল রঙ আর পানির ডিব্বা নিয়ে ঘুরছি। আজ আমি আর আর্টিস্ট রাজীব ভাই মিলে গিয়েছিলাম তেজগাঁ'র নতুন ব্রিজ এ। সেখান থেকে রামপুরারা পেছনের প্যানারমিকটা আসলে অসাধারণ।


 

February 14, 2012

বাসন্তি খাম


গতকালের খাম। পুরো মেলায় কাল বসেছিলো বাসন্তি হাট, বছর তিনেক আগেও বসন্ত এত ঘটা করে ঢাকায় নামতো না। এই ১৩'ই ফেব্রুয়ারিতে আমাদের নিজেদের একটা উৎসব থাকাটা আমার কাছে দারুণ লাগছে। এর হলদে রঙের নীচে যেটা আমাদের না এমন- ১৪'ই ফেব্রুয়ারিটা অনেকটা চাপা পরে।

February 12, 2012

বইমেলাঃ ২০১২


প্রতিদিন অফিস ফাঁকি মেরে বইমেলায় পরে থাকছি। স্টলে বসে থাকতে থাকতে বিচিত্র সব ক্রেতাদের কর্মকান্ড দেখে প্রবল 'কৌতুকানন্দ' উপভোগ করি। সেই সাথে উন্মাদের টাকায় কেনা খাম (যাতে করে স্টিকার, ম্যাআগাজিন ইত্যাদি দেয়া হয়) ধ্বংস করে চলেছি। এত এত চরিত্র একসাথে পাওয়া এমনিতে অসম্ভব। স্টলে বসে প্রতিদিন একাধিক ব্রাউন খাম শেষ করি। কাল হঠাৎ কি মনে করে তার একটা নিয়ে এলাম। এখন থেকে প্রতিদিন একটি করে খাম ও সেই সাথে খামের গল্প বলার চেষ্টা করব।

January 08, 2012

আঁকান্তিস স্কেচ বুকিং


রমনা পার্ক এ গিয়েছিলাম আঁআন্তিসে স্কেচ সেশন এ , সেখান থেকে আঁকা, এই স্কেচিং সেশন খুবঅই জমে উঠেছে ইদানীং। রীতিমতন উপভোগ করছি! আশা করি এইবার এই সেশন থেকে আরো কিছু কমপ্লিট কাজ নামানো যাবে।

October 24, 2011

স্কেচ ফ্রম অগ্রণী ব্যাংক



আজকাল চারিদিকে অনেক মজার মজার ক্যারেকটার দেখি, সেগুলো দেখলে হাত নিশপিশ করে আঁকবার জন্যে, সেদিন পানির বিল দিতে গিয়েছিলাম ব্যাংক এ, প্রায় ঘন্টাখানেক টানা দাঁড়িয়ে শুধু চারিদিকের বিভিন্ন চরিত্র দেখলাম। একটু খেয়াল করে দেখলে আসলে মনে হয় যেন কমিক বইয়ের থেকে উঠে আসা সব চরিত্র দেখছি। সেগুলো মনে করে করে বাসায় ফিরে এঁকে ফেললাম।

প্রথমজন ব্যাংক এর ম্যানেজার, একটু পর পর তাঁর বিশাল বপু নিয়ে হাতে রাজ্যের কাগজ নিয়ে দৌড়ে এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল করছেন। দ্বিতীয়জন ম্যানেজারকে দেখেই সটান দাঁড়িয়ে পুরো-আপনি হুজুর যা বলেছেন চমৎকার_ এই ধরণের মুখভঙ্গী করে দাঁড়িয়ে থাকেন। এর পরের জন অনবরতঃ পান চিবুচ্ছে আর সবাইকে ধমকাচ্ছে, ইনি নিম্নপদস্থ কেউ, কিন্তু যে কোন লাইনের টোকেন উনার হাত থেকে নিতে হয় বলে বেশ গরমে থাকেন। এর পরের দুইজন বিল দিতে এসেছিলেন এক সাথে, দুইজনের কন্ট্রাস্ট হাইট। লম্বাজন আবার খাটোজনের কাঁধে সবসময় একটা হাত রেখে হাঁটছেন। এর পরের ভদ্রলোক যেন পারসিপলিস থেকে উঠে এসেছেন। পুরো ঘণ প্যাঁচানো দাঁড়ি। তারের মত শক্ত একটা ফর্ম তৈরি করেছে। শেষের ভদ্রমহিলা ভেতরে বসে মানিগ্রামের সফটোয়্যার অপারেট করছিলেন, চেহারা দেখে মনে হচ্ছিলো অফিসের সবচেয়ে অসুখী মানুষ।

আসলে আজকাল এইসব দেখতে দেখতে এত মজা লাগে যে বোরিং লাইনে দাঁড়ানো-ও বেশ মজাদার ব্যপার হয়ে ওঠে।

সামনে আরো এঁকে তুলবো আশা করি।

November 07, 2010

ডুডলান্তিসঃ ২৪.১১.১০






'আমরা যতদিন আমাদের আশপাশ explore না করব, ততদিন আমাদের কাজ ওই একই জায়গায় পাক খাইতে থাকবে। স্কেচবুকটা হাতে নিয়া রাস্তায় বাইর হয়া যাই, দেখি কি অসাধারণ আমাদের চারপাশ-- আমরা যা এতদিন খেয়ালই করি নাই, খালি গুগলে সার্চ মারছি'
--সব্যসাচী মিস্ত্রী,
GRAFA Workshop
on Concept Art,
2010

অতঃপর, এক্সপ্লোর শুরু করলাম...

আমরা এইটা নিয়া একটা স্কেচ গ্রুপ ফর্ম করব, যেখানে আঁকতে আগ্রহী যে কেউ আমন্ত্রিত থাকবে...


জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...