Showing posts with label এনাটমি. Show all posts
Showing posts with label এনাটমি. Show all posts
October 06, 2012
হাড্ডিগুড্ডি- ৩
এই পর্যায়ে এসে কিছু রেফারেন্স দেখে নেয়া ভাল। আমি যে সব বই ঘেঁটেছি তার মধ্যে এন্ড্রু লুমিস কে আমার সবচেয়ে সহজবোধ্য মনে হয়েছে। তাঁর Figure Drawing for all it's worth থেকে আমাদের হাড্ডিগুড্ডি শেখার এই ধাপের সাথে সম্পর্কিত কয়েক পৃষ্ঠা তুলে দিলাম। আগ্রহীগণ বইটা নামিয়ে নিয়ে পড়তে পারেন। আর কোনভাবে ধৈর্য ধরে সেটা পড়ে ফেললে এই ... টাইপ পোস্ট আর না পড়লেও চলবে।
হাড্ডিগুড্ডি-২
এবারে আগের পোস্টে কঙ্কাল মানুষটাকে নাড়াচাড়া করানো। তার আগে একটা ব্যপার ভালো মত বোঝা দরকার, সেটা হল বুকের খাঁচা বা কোমর দুটাই আসলে ত্রিমাত্রিক। মানে সেটার একটা আয়তন আছে। এই দুটা ফর্ম তাই আলাদা করে বিভিন্ন ভাবে ত্রিমাত্রিক ভাবে আঁকার প্র্যাক্টিস করা দরকার। সেই সাথে যদি মাথার পার্ট কিছুটা (শুধু খুলি, চোয়াল না) আঁকা যায় তবে মজা আরো জমে। প্রথম ছবিতে শুধু রিব কেইজ বা বুকের খাঁচা বার বার বিভিন্নভাবে আঁকা হল, আর পরেরটায় কোমর।
খেয়াল করুন, কোমর মোটামুটি সুপারম্যন প্যান্টের ওপর যেটা পরে সেটার মতই। সেটার দুই পাশে দুই ছিদ্র বরাবর পা নামে। এবং পায়ের হাড় একেবারে সোজাসুজি না নেমে ভেতরের দিকে বেঁকে থাকে। এই নিয়ে মাস্কুলেচার পর্বে আমরা আরো ডিটেইলে এই দারুণ জিনিসটা দেখব। আপাতত ছবির মত করে পায়ের হাড় এভাবে একটু ভেতরের দিকে নামান।
গোটাটা এবারে একসাথে আঁকা- যতভাবে সম্ভব।
এভাবে আঁকতে থাকুন। পরের পোস্টে আরো মজা আসছে।
খেয়াল করুন, কোমর মোটামুটি সুপারম্যন প্যান্টের ওপর যেটা পরে সেটার মতই। সেটার দুই পাশে দুই ছিদ্র বরাবর পা নামে। এবং পায়ের হাড় একেবারে সোজাসুজি না নেমে ভেতরের দিকে বেঁকে থাকে। এই নিয়ে মাস্কুলেচার পর্বে আমরা আরো ডিটেইলে এই দারুণ জিনিসটা দেখব। আপাতত ছবির মত করে পায়ের হাড় এভাবে একটু ভেতরের দিকে নামান।
গোটাটা এবারে একসাথে আঁকা- যতভাবে সম্ভব।
এভাবে আঁকতে থাকুন। পরের পোস্টে আরো মজা আসছে।
October 05, 2012
হাড্ডিগুড্ডি-১
মানুষের ফিগার 'ঠিকভাবে' যারা আঁকতে চান এবং সেই উদ্দেশ্যে যারা কোন না কোন এনাটমির সফট বা হার্ড ভার্সনের বই খুলে বসেছিলেন এই ভেবে যে- এইবার যাবি কই- তারা নিশ্চিত দু এক পাতা উল্টানোর পরেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে সেই চেষ্টা বাদ দিয়েছেন? কারণ সেই বই অসম্ভব দূর্বোধ্য ও জটিল সব মাসকুলেচারে একাকার। দেখতে ভাল লাগে কিন্তু ওই বই কপি করতে হলে রবার্ট ব্রুসের ধৈর্য দরকার (সেটা থাকলে আর আঁকতে আসছি কেন?)। যাই হোক, অন্যদের কথা জানি না কিন্তু আমি এই ধরনের একটা বিতিকিচ্ছিরি অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছি। ইন্টারনেট যুগের আগে তো চাইলেও তেমন কোন বইয়ের খোঁজ পাওয়া সম্ভব ছিলো না। সে সময় আমি চারুকলার লাইব্রেরি থেকে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে প্রাচীন এক কম্পলিট ব্রিজম্যান জোগাড় করে নীলক্ষেতে থেকে ফটোকপি করে নিয়েছিলাম, সেই জিনিস আমার মাথার ওপর দিয়ে গেছে অনেকটাই (ব্রিজম্যান যথেষ্ট এডভান্সড লেভেলের বই, চারুকলায় প্রথমেই এনাটমির জন্যে কেন এইটা দেয় সেটা ভেবে পরে অবাক হয়েছি)। পরে ইন্টারনেটের কল্যাণে অসংখ্য এনাটমির ওপরে লেখা বই পরার সৌভাগ্য হয়েছে। সেগুলো পড়ে যেটা বুঝেছি তা হল, বইয়ের সব কিছু অত জরুরী না আসলে, পাতা ভরার জন্যেও অনেকে হাবিজাবি লিখে দেয়। অনেক অকারণে জটিল করে. এ সব কিছু ঘেঁটেঘুঁটে অনেক কষ্টে টুক টাক শিখলেও কেন যেন মনমত করে বুঝতে পারছিলাম না। অবশেষে সেই জিনিস মিলল এসে ২০১১ তে। সব্যসাচী মিস্ত্রী হাতে ধরে ধরে দেখালেন ব্যাপারটা কত সিম্পল। আসলে তাঁর মত কয়েকজন গুরু থাকলে আমাদের আঁকিবুকির দুনিয়া অনেক এগিয়ে যেত। যাই হোক, এবারে এনাটমি আমি আমার মত করে যা বুঝি আর কিছু কমন ভুল নিয়ে এই বারের সিরিজ টা। বলে নেয়া ভালো এই সিরিজের জন্যে দায়ী আমার কৈশোরকালীন মেন্টর, তানভীর ভাই দ্যা গ্রেইট! ভাল থাকুন তানভীর ভাই, আমার ভেতর কমিক্সের পোকা ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন সেই ১৬ বছর বয়সে, তার জন্যে থ্যাংক্স।
খুব সহজ দেখলে মানুষের ফিগারের মূল দুটি অংশ হল তার বুকের খাঁচা, আর কোমর। ফিগার আঁকার একটা সিক্রেট হল মাথা থেকে না এঁকে আগে বডিটা- মানে এই খাঁচা আর কোমড় ঠিকমত আঁকা, তার পর সেটা থেকে মাথা হাত পা ইত্যাদি বের করা। ওপরের ড্রয়িং এ একটা মানুষের ফিগার আঁকায় সবচেয়ে কমন যেই ভুলটা হয় সেটা ঠিক করে আঁকা হয়ছে। সেটা হল পাশ থেকে দেখলে খাঁচা আর কোমর দুটো দুদিকে বেঁকে থাকে। আর সে দুটো মেরুদন্ডের সাথে একপাশে আটকে থাকে। এবং সেই মেরুদন্ড মোটেও সোজা না। মানে আপ্ন শিঁড়দাড়া সোজা করে যতি দাঁড়ান না কেন সেটা আসলে এভাবেই বেঁকে থাকে। কোন ফিগারের ড্রয়িং যতই ভাল হোক, এই ভিতরের ব্যাপারটা যদি ঠিক না থাকে তবে সেটা বাজে ড্রয়িং মনে হয়।
এবারে বাকি অংশ।খেয়াল করুন হাতটা কিন্তু একেবারে গলার থেকে নামে না, যেটা অনেকেই ভুল করেন। এটা নামে খাঁচার ওপর থেকে মাঝ বরাবর। একইভাবে পা টাও কোমরের মাঝামাঝি থেকে নামে। শরীরের প্রোপোর্শন নীয়ে এই লেভেলে কথা না বলাই ভাল। কারণ এনাটমি যিনি শিখতে চাচ্ছেন তাকে ন্যুনতম ওইটুক বুঝবার বোধ মাথায় নিয়ে আসতে হবে। এখানে মাত্র দুটো ছবি হলেও আসলে আমার মতে এই ছবি ক'টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত আমার জন্যে সেটা তাই। এইটুকু বুঝে যদি বারবার এভাবে ফিগার এঁকে যেতে থাকেন তবে আমরা পরের পোস্টে পরের ধাপে যতে পারব।
প্রথমবারে এইটুকুই।
Subscribe to:
Posts (Atom)
জাপান টাউনে
মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...
-
দীর্ঘ দশ মাস পর ২০১৮ সালের বিজ্ঞান বিভাগের নবম-দশম শ্রেণির ৫ টা (গণিত, উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান) ও আর্টস ও কমার্স বি...
-
কমিকবুকের কাজ চলছে, আর সেটা করতে গিয়ে কিছু অদ্ভূত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমাদের। যেমন- আমাদের 'সুপারহিরো' কেমন হবে?ল্যাঙ্গট পড়...
-
ইদানীং নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই বারবার ধরা খাচ্ছি, আঁকান্তিস নামে যে গ্রুপটা খুলেছিলাম সেখানে সপ্তাহান্তে একটা কিছু কন্টেস্ট ডাকি (নিজেই)।...







