Showing posts with label খোমাকেচার. Show all posts
Showing posts with label খোমাকেচার. Show all posts

August 08, 2017

সুলতান ক্যারিকেচার

আঁকান্তিস গ্রুপের ক্যারিকেচার চ্যালেঞ্জের জন্যে আঁকা শিল্পী এস. এম. সুলতানের ক্যারিকেচার।  এই লোকটা অন্যরকম ছিল।

January 01, 2014

Caricatures From 2013


বছর শেষে সবচেয়ে মজার যে কাজটা করা হয় সেটা হল গেলো বছর থেকে নেয়া যত ঘটন ও অঘটন পটিয়সীদের নিয়ে ক্যারিকেচার আঁকা। BDNEWS24 এর জন্যে করা এবারের ক্যারিকেচার সমগ্র।

April 30, 2012

তামিম

ক্যারিকেচার চ্যালেঞ্জ বেশ জমে উঠেছে, আর এই ফাঁকে আঁকিবুকিটা নতুন করে ঝালিয়ে নেয়া হচ্ছে :)



April 25, 2012

আফজাল হোসেন

আমাদের উন্মাদের ক্যারিকেচার দিকপাল 'জাভেদ ভাই' ইজ ব্যাক! উনি এসেই আঁকান্তিসে হুড়োহুড়ি ফেলে দিয়েছেন. এই প্রথম বারের মত আমরা একটা ক্যারিকেচার প্রতিযোগিতা শুরু করে ফেলেছি! প্রথমবারের চ্যালেঞ্জ হলেন আফজাল হোসেন অথবা কুমার বিশ্বজিৎ, অথবা দুইজনেই। চারদিনের ট্রাই করে টের পেলাম আমি আসলে আঁকতে পারি না...
যেটা নামালাম সেটা অনেকটা এমন আগের রঙ পেন্সিলের ট্রাইগুলি বেশীরভাগই মেজাজ খারাপ করে ছিঁড়ে ফেলেছি। তার একটা
এখন কুমার কে আঁকি

October 25, 2011

গোলাম মাওলা রনী বোম্বাঁশটিং এম্পি

September 10, 2011

খোমাক্যাচারঃনতুন করে

ইদানীং ক্যারিকেচার করে আরো মজা পাচ্ছি। ফর্ম বোঝাটা আগের চে' সহজ লাগছে। গত এক বছরে আসলে যা শিখেছি তার আগের দশ বছরে তা শিখিনি। এর পেছনের মূল অবদান অগ্রজ সব্যদা (সব্যসাচী মিস্ত্রী)। 'সহজ' করে ফর্ম বোঝাটা ওনার ইন্সপায়ারেশন। আর বারবার করতে থাকার ব্যপারটা (সাথে এনাটমী স্টাডি) তো আছেই। ক্যারিকেচার এ সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং যেই উপলব্ধিটা হল সেটা হল এখানে কপি করার চেয়ে ক্যারেকটার ধরতে পারাটাই আসল। মানে কি না ড্রয়িং as it is হল কি না তার চেয়ে জরুরী যাকে আঁকা হচ্ছে তার আসল চরিত্রটা ফুটে উঠলো কি না। সে ক্ষেত্রে এমন কী দেখতে একেবারে হুবহু এক হওয়াটা জরুরী না! ইদানীং কালের কয়েকটা কাজ তুলে দিলাম। আরো আসছে :)

সব্যসাচী হাজরা

মেসি

জয়া আহসান

কিছু মুসুল্লী




July 18, 2011

খোমাক্যাচারঃ জুনায়েদ


বহুদিন পর জলরং করলাম, কার্টুনিস্ট জুনায়েদ

June 17, 2011

খোমাক্যাচারঃ ক্যারোলাইন



GIZ এর সাথে একটা পোস্টার প্রজেক্ট এ শর্ট টার্ম কন্সালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছি। সেখানে আমার সাথে যেই জার্মান মহিলার নিয়মিত মিটিং হয় তাকে দেখে আঁকার লোভ সামলানো কষ্ট। পাপাইয়ের অলিভ ক্যারেক্টার এর মত। ওইদিকে মহিলা আবার হাই প্রফাইল কর্মকর্তা।ওনাকে এটা না দেখাবার কারণ জার্মান দের রস বোধ নিয়ে আমি বিভ্রান্ত, আগের যেই কো-অর্ডিনেটর ছিলেন উনি আমাকে যেদিন আগের কাজটার কন্ট্র্যাক্ট ফর্ম টা এনে দ্যান আমি দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েছিলাম (মনে মনে, জার্মান ভাষায়- মাইনে খাইছেরে-অর্থাৎ- আমাকে খেয়েছে) মিনিমাম ৪০ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ফিরিস্তি, কি করিলে কি হইবে ইত্যাদি, আমি প্রথমেই জিজ্ঞেস করি যে ওখানে কাজ সময়মত না দিলে কারাবাস এর প্রস্তাবনা বা বিধান আছে কি না? উনি অনেক্ষন ভাবার চেষ্টা করে বললেন 'প্রব্যাবলি নঠ' তারপর যখন শুনি প্রতি পাতায় আমার ইনিশিয়াল আর মিনিমাম ৬ জায়গায় সাইন করতে হবে তখন আবার বলি যে এই দিনিটি কি আমার এই প্রজেক্টের জন্য একটা ওয়ার্ক ডে হিসেবে ধরা হবে কি না। উনি খুবই টেনশন এ পড়ে গেলেন এবং লজ্জিত ভাবে বললেন' আয়াম ফ্রেইড, নো...'
জার্মান দের সাথে রসিকতা করার চেষ্টা আমার ওখানেই শেষ।
এই মহিলার ড্রয়িং টা তাঁর সামনে বসেই  লুকিয়ে চুড়িয়ে করা। পাছে দেখে ফেললে আবার এটার জন্যে একটা ওয়ার্ক অর্ডার তৈরী করতে বসে...

June 14, 2011

JBosco Azevedo



এই ভদ্রলোক ব্রাজিলের সিনিয়র কার্টুনিস্ট,আর সে এককথায় অসাধারণ! তাঁর ব্লগ আর ক্যারিকেচার দেখে সত্যি অবাক হক্লাম কারণ, উনি আমাদের আঁকান্তিস এ পোস্ট দিচ্ছেন নিয়মিত। মনে হল কিছু একটা করা দরকার, সকালে এটা  নামালাম। ওনাকে পাঠিয়ে দিলাম সেই সাথে।

April 01, 2011

খোমাক্যাচারঃ কার্টুনিস্ট রিফাত ভাই

এই ভদ্রলোক কে দেখলে নিজেকে অনেক ছোট মনে হয় (ওনার হাইট ৬ ফুটের ওপর) আর এমনই কপাল সে সবসময় ঘোরে আরেক গোলাইয়াথ জুনায়েদ এর সাথে। দু'জন আমাকে দেখলে ফুটখানেক ঝুঁকে বলে 'ক্যামন আছেন মেহেদী ভাই?' যা-ই হোক। এই দু'জন ইনফ্যাক্ট সবচেয়ে স্টাইলিস কার্টুনিস্টও বটেন।

January 24, 2011

খোমাকেচারঃ Darren Lockyersent



আউটসোর্সিং শুরু করেছি। এই চান্সে খোমাক্যাচার প্রাক্তিস হচ্ছে আর পকেটে আসছে পাত্তি :)
ক্ষতি কি?

August 31, 2010

খোমাকেচারঃ রাম মোহন


ভারতের জীবন্ত কার্টুন কিংবদন্তি রাম মোহন। কপাল গুনে এই মূহুর্তে চলা ইউনিসেফের একটা কর্মশালায় (মীনা সিরিজ নিয়ে) তাঁর সাথে বসে কাজ করবার সুযোগ ঘটছে। আজ প্রথম দিনে তাঁর সামনে বসে আঁকা। (পরশু এটা তাকে বাঁধাই করে দেবার প্ল্যান)
গোটা ওয়ার্কশপ নিয়ে অচিরেই বিরাট এক পোস্ট দিতে যাচ্ছি।

August 17, 2010

খোমাকেচারঃ শিশির ভট্টাচার্য

বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্যরিকেচারিস্ট শিশির ভট্টাচার্য।
তাঁর সাথে আমার পরিচয় ২০০১ সালে। তাঁর কলাবাগানের বাসায় মিলন ভাই (মশহুরুল আমিন মিলন, বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের পরিচালক) এর সাথে যেদিন যাই হার্টে পুরো দ্রিমি দ্রিমি বাজছিলো... আমি শিশির ভট্টাচার্যের বাসায় এসেছি? খুবই সাদামাটা ড্রয়িং রুম, ঘরে কলিংবেলের বদলে হাতে টানা একটা ঘন্টার ব্যবস্থা। ঢুকলেই বোঝা যায় আর্টিস্টের বাসা, বৌদি তখনো বেঁচে। শ্রাবন্তি মাত্র বছর তিন কি চারের শিশু। মিলন ভাই আমাকে দেখিয়ে বললেন, ‘শিশিরদা এ-ও কার্টুন আঁকে’ শুনে আমার নিজের ভেতরে সেঁধিয়ে যাবার যোগাড়। নিজেকে মনে হচ্ছিলো মাত্র ধুঁয়ে মুছে সাফ করা সাদা মেঝের ওপর একটা তেলাপোকা। যাই হোক তারপরেই সবচেয়ে বড় গর্হিত কাজটা করি, মিলন ভাইয়ের দেখাদেখি আমিও তাকে ‘শিশিরদা’ বলে ডাকা শুরু করি। আসলে ওই মূহুর্তে আর কিছু মাথায় আসেনি, ওনাকে অন্তত স্যার বলেও যে ডাকা যায় তা-ও ভাবিনি। সেই থেকে এখনো গ্রাম্য চাঁড়ালের মতন আমি চারুকলায় সবার সামনে বলি ‘কেমন আছেন শিশিরদা?’ উনি স্মিত হেসে বলেন ‘আরে কি খবর উন্মাদ?’

তারপর দেখতে দেখতে ২০০৯, বৌদি হঠাৎ হৃদরোগে মারা গেলেন। সেই বৌদি, যিনি হাতে টানা ঘন্টাটা বাজালে দরজা খুলে বলতেন ‘এই, মেহেদী এসছে’ আমার মতন অকিঞ্চিৎকর কে নাম শুদ্ধ মনে রাখা সেই বৌদি...।
এই ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীন শিশিরদার নতুন বাসায় গিয়েছিলাম। ধানমন্ডিতে বিরাট দোতলা বাসা। শ্রাবন্তি শিলং এর বোর্ডিং স্কুল থেকে ছুটিতে এসেছিলো। বেশ ভালো একটা সকালের বৈঠক হল। ফাঁকে শিশিরদা কে রিসেন্ট কিছু কাজ দেখালাম। তাঁর একটা ক্যারিকেচার করতে চেষ্টা করছি দেখে নিজেই একটা এঁকে দেখালেন(প্রথম আঁকা দ্রষ্টব্য)। আমরা ক্যারিকেচার নিয়ে তাঁর থেকে কোন ক্লাস আশা করতে পারি কি না জানতে চাইলে বললেন- হতে পারে। এমনকি হতে পারে তাঁর ওই বিরাট বাসারই কোন এক কোনায়। মাসে দুইদিন বা একদিন। প্রবল জোশে তাঁর বাসা থেকে বের হলাম। একটা ক্যরিকেচারিস্ট কম্যুনিটি গড়ে তোলা যাবে ভাবতেই উত্তেজনা বোধ করলাম।
রোজার মাসটা যাক, ক্যরিকেচার এর বন্যা বয়ে যাবে। সাথে থাকছেন শিশিরদা!



আমার খাতায় শিশিরদার আঁকা সেলফ ক্যারিকেচার


পেন্সিলে কার্ট্রিজ খাতায় প্রথম রাফ


স্ক্যান ও এডজাস্টমেন্ট সেরে রেফারেন্স পিকচার আনয়ন ফর কালার প্যালেট


কালার শুরু


ডান


প্যানারমিক্যালি ফেইজগুলি

গ্রাফিক ট্যবলেট আর পেন্সিলের কাজ। নেক্সট কাজ নিব আর হ্যাচ এ করার ইচ্ছা রাখি।

August 14, 2010

অন স্পট স্টাডি




গতকাল ঢাকা আর্ট সেন্টারে গিয়েছিলাম কার্টুন প্রদর্শনীর যোগাড় যন্ত্র(ণা) করতে। প্রায় ঘন্টা খানেক হুদাহুদি বসে ছিলাম। গ্যালারির জুয়েল ভাই (প্রথম ছবি) একটা কাগজ দেয়াতে বাঁচোয়া। জম্বু মুনি সদৃশ ভদ্রলোককে (দ্বিতীয় ছবি) আঁকতে আঁকতে কোথায় যেন দেখেছি বলে মনে হচ্ছিলো। মাঝপথে বুঝলাম- শিল্পী নিসার হুসেন। চুল লালনীয় কায়দায় বলে প্রথমে চিনি নাই, স্টাডির জন্যে অসাধারণ ফর্ম।

জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...