Showing posts with label খোমাকেচার. Show all posts
Showing posts with label খোমাকেচার. Show all posts
August 08, 2017
January 01, 2014
May 07, 2012
April 30, 2012
April 27, 2012
April 25, 2012
আফজাল হোসেন
আমাদের উন্মাদের ক্যারিকেচার দিকপাল 'জাভেদ ভাই' ইজ ব্যাক! উনি এসেই আঁকান্তিসে হুড়োহুড়ি ফেলে দিয়েছেন. এই প্রথম বারের মত আমরা একটা ক্যারিকেচার প্রতিযোগিতা শুরু করে ফেলেছি! প্রথমবারের চ্যালেঞ্জ হলেন আফজাল হোসেন অথবা কুমার বিশ্বজিৎ, অথবা দুইজনেই। চারদিনের ট্রাই করে টের পেলাম আমি আসলে আঁকতে পারি না...
যেটা নামালাম সেটা অনেকটা এমন আগের রঙ পেন্সিলের ট্রাইগুলি বেশীরভাগই মেজাজ খারাপ করে ছিঁড়ে ফেলেছি। তার একটা
এখন কুমার কে আঁকি
যেটা নামালাম সেটা অনেকটা এমন আগের রঙ পেন্সিলের ট্রাইগুলি বেশীরভাগই মেজাজ খারাপ করে ছিঁড়ে ফেলেছি। তার একটা
এখন কুমার কে আঁকি
September 10, 2011
খোমাক্যাচারঃনতুন করে
ইদানীং ক্যারিকেচার করে আরো মজা পাচ্ছি। ফর্ম বোঝাটা আগের চে' সহজ লাগছে। গত এক বছরে আসলে যা শিখেছি তার আগের দশ বছরে তা শিখিনি। এর পেছনের মূল অবদান অগ্রজ সব্যদা (সব্যসাচী মিস্ত্রী)। 'সহজ' করে ফর্ম বোঝাটা ওনার ইন্সপায়ারেশন। আর বারবার করতে থাকার ব্যপারটা (সাথে এনাটমী স্টাডি) তো আছেই। ক্যারিকেচার এ সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং যেই উপলব্ধিটা হল সেটা হল এখানে কপি করার চেয়ে ক্যারেকটার ধরতে পারাটাই আসল। মানে কি না ড্রয়িং as it is হল কি না তার চেয়ে জরুরী যাকে আঁকা হচ্ছে তার আসল চরিত্রটা ফুটে উঠলো কি না। সে ক্ষেত্রে এমন কী দেখতে একেবারে হুবহু এক হওয়াটা জরুরী না! ইদানীং কালের কয়েকটা কাজ তুলে দিলাম। আরো আসছে :)
![]() |
| সব্যসাচী হাজরা |
![]() |
| মেসি |
![]() |
| জয়া আহসান |
![]() |
| কিছু মুসুল্লী |
July 18, 2011
June 17, 2011
খোমাক্যাচারঃ ক্যারোলাইন
GIZ এর সাথে একটা পোস্টার প্রজেক্ট এ শর্ট টার্ম কন্সালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছি। সেখানে আমার সাথে যেই জার্মান মহিলার নিয়মিত মিটিং হয় তাকে দেখে আঁকার লোভ সামলানো কষ্ট। পাপাইয়ের অলিভ ক্যারেক্টার এর মত। ওইদিকে মহিলা আবার হাই প্রফাইল কর্মকর্তা।ওনাকে এটা না দেখাবার কারণ জার্মান দের রস বোধ নিয়ে আমি বিভ্রান্ত, আগের যেই কো-অর্ডিনেটর ছিলেন উনি আমাকে যেদিন আগের কাজটার কন্ট্র্যাক্ট ফর্ম টা এনে দ্যান আমি দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েছিলাম (মনে মনে, জার্মান ভাষায়- মাইনে খাইছেরে-অর্থাৎ- আমাকে খেয়েছে) মিনিমাম ৪০ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ফিরিস্তি, কি করিলে কি হইবে ইত্যাদি, আমি প্রথমেই জিজ্ঞেস করি যে ওখানে কাজ সময়মত না দিলে কারাবাস এর প্রস্তাবনা বা বিধান আছে কি না? উনি অনেক্ষন ভাবার চেষ্টা করে বললেন 'প্রব্যাবলি নঠ' তারপর যখন শুনি প্রতি পাতায় আমার ইনিশিয়াল আর মিনিমাম ৬ জায়গায় সাইন করতে হবে তখন আবার বলি যে এই দিনিটি কি আমার এই প্রজেক্টের জন্য একটা ওয়ার্ক ডে হিসেবে ধরা হবে কি না। উনি খুবই টেনশন এ পড়ে গেলেন এবং লজ্জিত ভাবে বললেন' আয়াম ফ্রেইড, নো...'
জার্মান দের সাথে রসিকতা করার চেষ্টা আমার ওখানেই শেষ।
এই মহিলার ড্রয়িং টা তাঁর সামনে বসেই লুকিয়ে চুড়িয়ে করা। পাছে দেখে ফেললে আবার এটার জন্যে একটা ওয়ার্ক অর্ডার তৈরী করতে বসে...
June 14, 2011
JBosco Azevedo
এই ভদ্রলোক ব্রাজিলের সিনিয়র কার্টুনিস্ট,আর সে এককথায় অসাধারণ! তাঁর ব্লগ আর ক্যারিকেচার দেখে সত্যি অবাক হক্লাম কারণ, উনি আমাদের আঁকান্তিস এ পোস্ট দিচ্ছেন নিয়মিত। মনে হল কিছু একটা করা দরকার, সকালে এটা নামালাম। ওনাকে পাঠিয়ে দিলাম সেই সাথে।
April 01, 2011
খোমাক্যাচারঃ কার্টুনিস্ট রিফাত ভাই
এই ভদ্রলোক কে দেখলে নিজেকে অনেক ছোট মনে হয় (ওনার হাইট ৬ ফুটের ওপর) আর এমনই কপাল সে সবসময় ঘোরে আরেক গোলাইয়াথ জুনায়েদ এর সাথে। দু'জন আমাকে দেখলে ফুটখানেক ঝুঁকে বলে 'ক্যামন আছেন মেহেদী ভাই?' যা-ই হোক। এই দু'জন ইনফ্যাক্ট সবচেয়ে স্টাইলিস কার্টুনিস্টও বটেন।
March 20, 2011
February 03, 2011
January 24, 2011
November 21, 2010
October 20, 2010
August 31, 2010
খোমাকেচারঃ রাম মোহন

ভারতের জীবন্ত কার্টুন কিংবদন্তি রাম মোহন। কপাল গুনে এই মূহুর্তে চলা ইউনিসেফের একটা কর্মশালায় (মীনা সিরিজ নিয়ে) তাঁর সাথে বসে কাজ করবার সুযোগ ঘটছে। আজ প্রথম দিনে তাঁর সামনে বসে আঁকা। (পরশু এটা তাকে বাঁধাই করে দেবার প্ল্যান)
গোটা ওয়ার্কশপ নিয়ে অচিরেই বিরাট এক পোস্ট দিতে যাচ্ছি।
August 17, 2010
খোমাকেচারঃ শিশির ভট্টাচার্য
বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্যরিকেচারিস্ট শিশির ভট্টাচার্য।
তাঁর সাথে আমার পরিচয় ২০০১ সালে। তাঁর কলাবাগানের বাসায় মিলন ভাই (মশহুরুল আমিন মিলন, বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের পরিচালক) এর সাথে যেদিন যাই হার্টে পুরো দ্রিমি দ্রিমি বাজছিলো... আমি শিশির ভট্টাচার্যের বাসায় এসেছি? খুবই সাদামাটা ড্রয়িং রুম, ঘরে কলিংবেলের বদলে হাতে টানা একটা ঘন্টার ব্যবস্থা। ঢুকলেই বোঝা যায় আর্টিস্টের বাসা, বৌদি তখনো বেঁচে। শ্রাবন্তি মাত্র বছর তিন কি চারের শিশু। মিলন ভাই আমাকে দেখিয়ে বললেন, ‘শিশিরদা এ-ও কার্টুন আঁকে’ শুনে আমার নিজের ভেতরে সেঁধিয়ে যাবার যোগাড়। নিজেকে মনে হচ্ছিলো মাত্র ধুঁয়ে মুছে সাফ করা সাদা মেঝের ওপর একটা তেলাপোকা। যাই হোক তারপরেই সবচেয়ে বড় গর্হিত কাজটা করি, মিলন ভাইয়ের দেখাদেখি আমিও তাকে ‘শিশিরদা’ বলে ডাকা শুরু করি। আসলে ওই মূহুর্তে আর কিছু মাথায় আসেনি, ওনাকে অন্তত স্যার বলেও যে ডাকা যায় তা-ও ভাবিনি। সেই থেকে এখনো গ্রাম্য চাঁড়ালের মতন আমি চারুকলায় সবার সামনে বলি ‘কেমন আছেন শিশিরদা?’ উনি স্মিত হেসে বলেন ‘আরে কি খবর উন্মাদ?’
তারপর দেখতে দেখতে ২০০৯, বৌদি হঠাৎ হৃদরোগে মারা গেলেন। সেই বৌদি, যিনি হাতে টানা ঘন্টাটা বাজালে দরজা খুলে বলতেন ‘এই, মেহেদী এসছে’ আমার মতন অকিঞ্চিৎকর কে নাম শুদ্ধ মনে রাখা সেই বৌদি...।
এই ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীন শিশিরদার নতুন বাসায় গিয়েছিলাম। ধানমন্ডিতে বিরাট দোতলা বাসা। শ্রাবন্তি শিলং এর বোর্ডিং স্কুল থেকে ছুটিতে এসেছিলো। বেশ ভালো একটা সকালের বৈঠক হল। ফাঁকে শিশিরদা কে রিসেন্ট কিছু কাজ দেখালাম। তাঁর একটা ক্যারিকেচার করতে চেষ্টা করছি দেখে নিজেই একটা এঁকে দেখালেন(প্রথম আঁকা দ্রষ্টব্য)। আমরা ক্যারিকেচার নিয়ে তাঁর থেকে কোন ক্লাস আশা করতে পারি কি না জানতে চাইলে বললেন- হতে পারে। এমনকি হতে পারে তাঁর ওই বিরাট বাসারই কোন এক কোনায়। মাসে দুইদিন বা একদিন। প্রবল জোশে তাঁর বাসা থেকে বের হলাম। একটা ক্যরিকেচারিস্ট কম্যুনিটি গড়ে তোলা যাবে ভাবতেই উত্তেজনা বোধ করলাম।
রোজার মাসটা যাক, ক্যরিকেচার এর বন্যা বয়ে যাবে। সাথে থাকছেন শিশিরদা!

আমার খাতায় শিশিরদার আঁকা সেলফ ক্যারিকেচার

পেন্সিলে কার্ট্রিজ খাতায় প্রথম রাফ

স্ক্যান ও এডজাস্টমেন্ট সেরে রেফারেন্স পিকচার আনয়ন ফর কালার প্যালেট

কালার শুরু

ডান

প্যানারমিক্যালি ফেইজগুলি
গ্রাফিক ট্যবলেট আর পেন্সিলের কাজ। নেক্সট কাজ নিব আর হ্যাচ এ করার ইচ্ছা রাখি।
তাঁর সাথে আমার পরিচয় ২০০১ সালে। তাঁর কলাবাগানের বাসায় মিলন ভাই (মশহুরুল আমিন মিলন, বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের পরিচালক) এর সাথে যেদিন যাই হার্টে পুরো দ্রিমি দ্রিমি বাজছিলো... আমি শিশির ভট্টাচার্যের বাসায় এসেছি? খুবই সাদামাটা ড্রয়িং রুম, ঘরে কলিংবেলের বদলে হাতে টানা একটা ঘন্টার ব্যবস্থা। ঢুকলেই বোঝা যায় আর্টিস্টের বাসা, বৌদি তখনো বেঁচে। শ্রাবন্তি মাত্র বছর তিন কি চারের শিশু। মিলন ভাই আমাকে দেখিয়ে বললেন, ‘শিশিরদা এ-ও কার্টুন আঁকে’ শুনে আমার নিজের ভেতরে সেঁধিয়ে যাবার যোগাড়। নিজেকে মনে হচ্ছিলো মাত্র ধুঁয়ে মুছে সাফ করা সাদা মেঝের ওপর একটা তেলাপোকা। যাই হোক তারপরেই সবচেয়ে বড় গর্হিত কাজটা করি, মিলন ভাইয়ের দেখাদেখি আমিও তাকে ‘শিশিরদা’ বলে ডাকা শুরু করি। আসলে ওই মূহুর্তে আর কিছু মাথায় আসেনি, ওনাকে অন্তত স্যার বলেও যে ডাকা যায় তা-ও ভাবিনি। সেই থেকে এখনো গ্রাম্য চাঁড়ালের মতন আমি চারুকলায় সবার সামনে বলি ‘কেমন আছেন শিশিরদা?’ উনি স্মিত হেসে বলেন ‘আরে কি খবর উন্মাদ?’
তারপর দেখতে দেখতে ২০০৯, বৌদি হঠাৎ হৃদরোগে মারা গেলেন। সেই বৌদি, যিনি হাতে টানা ঘন্টাটা বাজালে দরজা খুলে বলতেন ‘এই, মেহেদী এসছে’ আমার মতন অকিঞ্চিৎকর কে নাম শুদ্ধ মনে রাখা সেই বৌদি...।
এই ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীন শিশিরদার নতুন বাসায় গিয়েছিলাম। ধানমন্ডিতে বিরাট দোতলা বাসা। শ্রাবন্তি শিলং এর বোর্ডিং স্কুল থেকে ছুটিতে এসেছিলো। বেশ ভালো একটা সকালের বৈঠক হল। ফাঁকে শিশিরদা কে রিসেন্ট কিছু কাজ দেখালাম। তাঁর একটা ক্যারিকেচার করতে চেষ্টা করছি দেখে নিজেই একটা এঁকে দেখালেন(প্রথম আঁকা দ্রষ্টব্য)। আমরা ক্যারিকেচার নিয়ে তাঁর থেকে কোন ক্লাস আশা করতে পারি কি না জানতে চাইলে বললেন- হতে পারে। এমনকি হতে পারে তাঁর ওই বিরাট বাসারই কোন এক কোনায়। মাসে দুইদিন বা একদিন। প্রবল জোশে তাঁর বাসা থেকে বের হলাম। একটা ক্যরিকেচারিস্ট কম্যুনিটি গড়ে তোলা যাবে ভাবতেই উত্তেজনা বোধ করলাম।
রোজার মাসটা যাক, ক্যরিকেচার এর বন্যা বয়ে যাবে। সাথে থাকছেন শিশিরদা!

আমার খাতায় শিশিরদার আঁকা সেলফ ক্যারিকেচার

পেন্সিলে কার্ট্রিজ খাতায় প্রথম রাফ

স্ক্যান ও এডজাস্টমেন্ট সেরে রেফারেন্স পিকচার আনয়ন ফর কালার প্যালেট

কালার শুরু

ডান

প্যানারমিক্যালি ফেইজগুলি
গ্রাফিক ট্যবলেট আর পেন্সিলের কাজ। নেক্সট কাজ নিব আর হ্যাচ এ করার ইচ্ছা রাখি।
August 14, 2010
অন স্পট স্টাডি


গতকাল ঢাকা আর্ট সেন্টারে গিয়েছিলাম কার্টুন প্রদর্শনীর যোগাড় যন্ত্র(ণা) করতে। প্রায় ঘন্টা খানেক হুদাহুদি বসে ছিলাম। গ্যালারির জুয়েল ভাই (প্রথম ছবি) একটা কাগজ দেয়াতে বাঁচোয়া। জম্বু মুনি সদৃশ ভদ্রলোককে (দ্বিতীয় ছবি) আঁকতে আঁকতে কোথায় যেন দেখেছি বলে মনে হচ্ছিলো। মাঝপথে বুঝলাম- শিল্পী নিসার হুসেন। চুল লালনীয় কায়দায় বলে প্রথমে চিনি নাই, স্টাডির জন্যে অসাধারণ ফর্ম।
Subscribe to:
Posts (Atom)
জাপান টাউনে
মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...
-
দীর্ঘ দশ মাস পর ২০১৮ সালের বিজ্ঞান বিভাগের নবম-দশম শ্রেণির ৫ টা (গণিত, উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান) ও আর্টস ও কমার্স বি...
-
কমিকবুকের কাজ চলছে, আর সেটা করতে গিয়ে কিছু অদ্ভূত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমাদের। যেমন- আমাদের 'সুপারহিরো' কেমন হবে?ল্যাঙ্গট পড়...
-
ইদানীং নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই বারবার ধরা খাচ্ছি, আঁকান্তিস নামে যে গ্রুপটা খুলেছিলাম সেখানে সপ্তাহান্তে একটা কিছু কন্টেস্ট ডাকি (নিজেই)।...


























