Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts
Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts

August 07, 2016

উন্মাদ জল রঙ প্রচ্ছদ

অনেকদিন পর জল রঙ এ ও হাতে কলমে উন্মাদ এর প্রচ্ছদ করলাম। এবারে ঈদের নাটক দেখে ভিরমি খেয়ে ক'দিন পর খাতা পেন্সিল এ একটা ড্রাফট করি, নীচে প্রথম ড্রাফট (সঙ্গত কারণেই এই ড্রাফট এর একটি খুবই যৌক্তিক অংশের ট্রান্সপারেন্সি পরে বাদ দেয়া হয়)। যাই হোক, ধাপগুলি ক্যাপশন এ বলে যাই-
এটা হল একেবারেই রাফ পেন্সিল, তবে হ্যাঁ সত্যি কথা হল এই রাফ এর আগে প্রায়
সবারই চেহারা আলাদা করে খাতায় স্টাডি করে করে একটা পর্যায়ে বুঝে নেয়া হয়েছিল

এবারে সেই রাফ পেইজ এর ওপর আরেকটা সাদা কাগজ (এখানে সেই একই খাতার আরেকটা কার্টৃজ) রেখে পেন্সিল এ আবার ক্লিন করে সবটা আঁকা হল এই ধাপটা যতটা হাল্কা করে আঁকা যায় পরের জলরং এর ক্ষেত্রে ততই ভাল। লাইট ট্রেস করার জন্যে আমি আমার উইন্ডোজ সার্ফেস টা ব্যবহার করেছি। সেই অর্থে এটাকে ডিজিটাল জল রঙ বলা যেতে পারে ;প

ইংকিং- কোন স্পেশাল প্পেন না, এটা ৫ টাকা দামের ম্যাটাডোর কালো কলম। যে কোন চায়ের দোকানেও পাবেন।
আমি আসলে ড্রয়িং শিখেছি ইকোনো ডি এক্স দিয়ে তাই কমদামী বলপেন আমার সবসময়ই পছন্দের।

ইঙ্কিং শেষ। খেয়াল করার আছে যে সব ক্যারেক্টার এর চারদিকের লাইনটা আমি আরেকটু মোটা করে ডাবল লাইন করে করে এঁকেছি।
এতে বড় দুটো ফর্ম- মানে অভিনেতাদের দলাটা আর পরিচালকের ফিগার আলাদা করে 'রিডেবল' হল।
এবারে জল রঙ। আমার হারাতে বসা প্লাস্টিক প্যালেট, আর রান্নাঘর থেকে একটা স্টিলের বাটি। ভাল কথা জল রঙ যে কম্পানীর ই কিনবেন খেয়াল রাখুন সেটা 'আরটিস্ট সিরিজ' লেখা আছে কি না। স্টুডেন্ট সিরিজ একেবারেই নতুন শেখার জন্যে। তবে আমার মতে আর্টিস্ট টা কেনাই ভাল।

রঙের ক্ষেত্রে আমি যেটা করি সেটা হল 
১.ছবির ওপরের বাম কোণা থেকে আঁকা শুরু করি, এতে করে হাতে লেগে কোন জায়গার রঙ নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে না।
২. যেটার রঙ অবভিয়াস, যেমন গায়ের রঙ আমি বার্ন্ট সিয়েনা, বা হলুদ দেবই। সেটা আগে করা। 

মোটামুটি ভাবে শেষ করা। অনেকদিন পর করায় যেটা হল, রঙ মাখিয়ে গেছে অনেক জায়গায়,
আর রঙ করার আগে কেমন দ্বিধা লাগছিলো কোন রঙ কোথায় দেব সেটা।


ঠিক করেছি আরো কিছু কাজ আবার জল রঙ এ করব।






April 13, 2012

আপেক্ষিকতার 'রঙিন ' তত্ত্ব্বঃ (রঙ সিরিজ-৫)

রঙ আপেক্ষিক।
মানে কোন রঙ কতটা রঙিন সেটা নির্ভরে করে তার আশেপাশে কী রঙ আছে তার ওপর!

নিচের ছবিটা দেখুন
হলুদ, কিন্তু কেমন মরা মরা এবং চোখে কড়কড় করা হলুদ,




এবার এই হলুদটাই যদি এভাবে দেয়া যায়?- খেয়াল করুন একই হলুদ রঙটা শুধু মাত্র একটা নীল রঙের ওপরে বসানোতে সেটা আরো 'ফুটে' উঠলো। এর আগে সাদার ওপরে সেই একই হলুদটা একেবারে বোঝা যাচ্ছিলো না। রঙের আপেক্ষিকতা আসলে এটাই। কোন রঙ কতটা উজ্জ্বল তা নির্ভর করে পাশের রঙ কতটা হালকা তার ওপর। নীচে আরো কিছু উদাহরণ দেয়া গেল- 

একই লাল রঙ বিভিন্ন রঙের সাপেক্ষে বিভিন্ন রকম লাগছে
 
মাঝখানের দুইটা বক্স কিন্তু একই রঙের
 
বিশ্বাস না হলে দেখুন- বাক্স দুইটা টেনে মিলানো হল
 

একইভাবে BURNT AMBER রঙটা


আসলে এই ব্যপারটা মুখস্থ করবার কিছু নেই। শুধু জেনে রাখা আর তারপর যতভাবে সম্ভব  ঘাঁটাঘাঁটি করা। ব্যপারটা ট্রায়াল এন্ড এরোর পদ্ধতিতে করাই ভাল। রঙ অনেকটাই চোখের ধাঁধাঁ (Optical illusion). চোখে দেখে যেটা সবুজ মনে হয় সেটা আসলে হয়ত হ্লদ বা নীল! শুধু পাশের রঙের কারণে সেটা অন্যরকম লাগছে। আমরা আগের পোস্টে ওয়ার্ম আর কুল রঙের যে ব্যপারটা দেখলাম সেটাও আপেক্ষিক! যেমন একই রঙের গ্রে টোনটা আসলে অনেক কুল মনে হয়।
একটা হলুদ টাইপ রঙ নেয়া হল

কিছু একটা আঁকা হল


এবার সেই রঙের সাথে হালকা গ্রে মিশিয়ে নেয়া হল


সেটা রীতিমত নীলচে লাগছে!




এখানে কিন্তু সব গোলক গুলি একই রঙের! একেবারে সামনেরটার সাথে ধূসর মেলাতে মেলাতে সেটা পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আর সেটা মনে হচ্ছে সামনেরটা থেকে 'কুল'

এক রঙ্গে আঁকা- পেছনেরটা অনেক 'মরা' রঙ মানে ধূসর মেলানো -তাই সেটা অনেক 'কুল'। আর সামনে  সাদার দিকে নিয়ে রঙ টাকে অনেক 'ওয়ার্ম ' করা হয়েছে।


মানে চাইলে একই রঙের মধ্যে আপনি ওয়ার্ম আর কুলের টোন বের করে ফেলতে পারবেন।
এই রঙ্গের আপেক্ষিকতা বিষয়ে অসংখ্য অনলাইন ভিডিও পাবেন যাতে খুব গুছিয়ে ব্যপারটা বলা আছে

March 28, 2012

খোমা সমগ্রং-১

আমাদের কার্টুন-শিল্পীদের আঁকতে গেলে-বিশেষ করে ভীড় আঁকার ক্ষেত্রে-একটা ঝামেলায় পড়তে হয়। দুই একটা চেহারা আঁকার পর নতুন কোন 'ধরন' পাওয়া যায় না। একই চেহারা সাত আটবার এঁকে বলতে হয়-ধুর! এই সমস্যা সমাধানে সব্যদা' দ্যা গ্রেইট গ্রাফার ওয়ার্কশপে একটা সহজ পথ দেখিয়েছিলেন। এইবেলা সেটা ভাগাভাগি করে নেয়া যাক।


উদাহরণ হিসেবে আমরা এই কাজটা করে দেখি। একাধিক সরল শেইপ মিলিয়ে তৈরী হচ্ছে জটিল অবয়ব
ইতিমধ্যে আমরা কিছু মজার শেইপ পেয়েও গেছি। এভাবে সবগুলিকে নিয়ে ডান বাম করে অসীম সংখ্যক মজাদার শেইপ বের করা সম্ভব
আর এবার সেগুলিকে যদি আবার ধরে ধরে টানা-চিপা-চাপা ইত্যাদি দেয়া হয়?

এসব কিছুর পর দেখুন- একটা সিম্পল গোল্লা শেইপেই শুধুমাত্র নাক কান চোখ মুখের অবস্থা আর সাইজ এদিক ওদিক করে কতভাবে আলাদা চেহারা আঁকা যায়।

ট্রাই করে দেখি কি বলেন?

November 08, 2010

অবজেক্ট দূরে সরানো

ফেইসবুকে রকিবুল হাসানের একটা কাজ দেখে মনে হল এই পোস্ট টা লিখি। কোন অবজেক্ট কোনটা থেকে কত দূরে তা কয়েকভাবে মেইন্টেইন করা যায়। যেমন পার্স্পেক্টিভ, যেমন আকৃতি, এবং যেমন 'রঙ'
রঙের ব্যপারটা বেশ মজার। সেটা আর কিছুই না, যে জিনিষ যত দূরে সেটা তত ঝাপসা। এমনকি একই রঙের বস্তু যত দূরে যাবে তত ঘোলা লাগবে। ব্যপারটা সবচেয়ে সহজে বোঝা যায় প্রকৃতি থেকে, পাহাড়ী দৃশ্যপটগুলি দেখুন--










সবচেয়ে পেছনের লেয়ারটা সবচেয়ে হালকা। তার মানে রকিবুলের এই আঁকাতে পেছনের শার্ক টাইপ মাছটা আরো অনেক ঘোলা ও ব্লার্ড হত। (ডান পাশে করে দেয়া হয়েছে) নিচের গোল্লা গুলি দিয়ে ব্যপারটা বোঝানো হয়েছে। এবারে প্রশ্ন হল ঘোলা আর ঝাপসা ইত্যাদি ফটোশপে কেমনে করে? ব্যপারটা খুব সহজ। নিচের ব্যপারটা দেখেন-



শুধু কালার নিয়ে আমি আরেকটা পোস্ট দেবো, তাও এখানে সংক্ষেপে বলি, কোন একটা রঙ এ ক্লিক করলে (F6 চাপলে যেটা আসে) যেই বাকশো টা আসে সেইটা আসলে ওই একটা রঙ এরই Tint, Shade আর Tone. একদম ডান দিকের ওপরের কোনায় ওই কালারটার পিওর গ্রেডটা থাকে, বাংলায় বললে সেটা সবচেয়ে 'উজ্জ্বল' বা 'ক্যটক্যটা' (আমাদের এই ভূখন্ডের ভৌগোলিক অবস্থানের ক্রনে আমাদের রঙের বিন্যাস ওই উপরের কোনার দিকেই ঘোরাঘুরি করে) আর বামে গেলে সেটা ঝাপসা হতে থাকবে। নিচে গেলে কালো মিশ্তে থাকবে অর্থাৎ যদি ছায়া পরে তবে ওই একই রঙ কেমন হবে সেটা। মনে করুন এক রঙের একটা জামা, সেটা তে কোথাও আলো পরে কোথাও ছায়া, তার মানে ওটার আলোর দিকের রংটা নিতে হবে এই রঙ বাক্সের ওপরে বাম থেকে, আর ছায়ার অংশ নিতে হবে নিচের কালো দিক থেকে। তিন তালের গান দ্রষ্টব্য। কোন কিছু পেইন্ট করতে গেলে এইটুক মাথায় রাখলেই ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
---
এরপর ওয়ার্ম ও কুল কালার নিয়ে পোস্ট দিবো... দুনিয়া আসলে রঙ্গীন...

November 02, 2010

তিন তালের গান

ক'দিন ধরে বেশ কিছু কার্টুন বেইজড (বাইরের) বই ঘঁটাঘাঁটি করছি। যথারীতি ভাবছিলাম সেই পুরোনো চর্বিতচর্বোষিত প্রশ্নটা- 'আমরা পারি না ক্যন?' ম্যাড ম্যাগাজিনের ড্রয়িং দেখি আর দীর্ঘশ্বাস ফেলি। আসলে ওদের ডেডিকেশন তো থাকেই সেই সাথে থাকে পুরুষানুক্রমিক জ্ঞানের রিলে রেস। একজন পথ দেখিয়ে যায় আরেকজনকে, একটা ছোট্ট টিপস শিখতে তাই কাউকে মাথা কুটতে হয় না। বেশ কিছুদিন ধরে কালার টালার নিয়ে ঘঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার নতুন করে খেয়াল করলাম। প্রথমে সেটা দেখি ম্যাড ম্যাগাজিনের মূল আঁকিয়ে টম রিচমন্ডের ব্লগের একটা পোস্টে। ব্যপারটা আর কিছুই না, রঙের তিনটা ভ্যালু।

খেয়াল করলাম এর আগে পর্যন্ত আমি আসলে সর্বোচ্চ দুইটা ভ্যালু নিয়ে কাজ করতাম
১. ডার্ক টোন
২. লাইট টোন

কিন্তু আসলে যে কোন কালারিং এ মিনিমাম ৩ টা টোন আসবে, আমার সেই মিসিং টোনটা হল -মিড টোন

এবং মজার ব্যপার হল ড্রয়িং আসলে মিড টোন থেকে শুরু করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। মিড টোনের থেকে একটু লাইট করলে সেটা লাইট টোন, আর সেটা থেকে ডার্ক করলে তা ডার্ক টোন (তাই তো হবার কথা গা... বা...)

যাই হোক ব্যপারটা হাতে কলমে বোঝানোর ট্রাই করি

শুধু ইঙ্কিং

01

মিড টোন

02

ডার্ক টোন

03


লাইট
04

শুধু মাত্র এভাবেই FORM কে শুদ্ধভাবে তুলে আনা যায়

আরো সহজে ব্যপারটা আবার দেখাই

মিড টোন


ডার্ক টোন




লাইট




ভালো কথা এইটা ডিরক্টলি লিংকড টু লাইট এন শেড।
সেটা নিয়া নতুন পোস্ট দিচ্ছি...

জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...