February 14, 2012
February 12, 2012
বইমেলাঃ ২০১২
প্রতিদিন অফিস ফাঁকি মেরে বইমেলায় পরে থাকছি। স্টলে বসে থাকতে থাকতে বিচিত্র সব ক্রেতাদের কর্মকান্ড দেখে প্রবল 'কৌতুকানন্দ' উপভোগ করি। সেই সাথে উন্মাদের টাকায় কেনা খাম (যাতে করে স্টিকার, ম্যাআগাজিন ইত্যাদি দেয়া হয়) ধ্বংস করে চলেছি। এত এত চরিত্র একসাথে পাওয়া এমনিতে অসম্ভব। স্টলে বসে প্রতিদিন একাধিক ব্রাউন খাম শেষ করি। কাল হঠাৎ কি মনে করে তার একটা নিয়ে এলাম। এখন থেকে প্রতিদিন একটি করে খাম ও সেই সাথে খামের গল্প বলার চেষ্টা করব।
February 10, 2012
আগুন রঙ বরফ রঙ: (রঙ সিরিজ-৪)
[বেশ দেরি হয়ে গেল এবারের পোস্ট টা দিতে। ফেব্রুয়ারিতে অবশ্য এটা নতুন কিছু নয়। ফেব্রুয়ারির এক তারিখ থেকে প্রকাশক লেখক-ইত্যাদি ব্যক্তিরা উঠে পরে লাগেন যে কোন মূল্যে তাদের 'প্রডাকশন' দিতে। আর সে সময় (অর্থাৎ হাতে যখন আর এক সপ্তাহ আছে) খোঁজ পরে আঁকিয়েদের। তাদের বলা হয়- 'ভাই কইরা দ্যান না, আপনার তো দুই টান দিলেই হয়া যায়' এই অশ্লীল বাক্যটা শুনতে শুনতে আমরা ক্লান্ত। এই শ্রেনীর লোকজনের কারণে দেশে এখনো আঁকিয়ে গোষ্ঠীও পেশাদার হয়ে উঠতে পারেনি। প্রথম কথা- কেন তাদের শশব্যস্ততা আঁকিয়েদের ঘাড়ে চাপবে? দ্বিতীয় কথা- তারা কেন ধরে নিচ্ছে এটা সবচেয়ে সহজ ও কম সময়ে করে ফেলা যায়- দুই টান দিলেই হয়। আমি শুধু বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতের জড়দ্গবতা আর কুপেশাদারীত্ব নিয়ে অচিরেই একটা পোস্ট দিচ্ছি-
আজ এখানেই থামি।]
রঙের তাপ
ওয়ার্ম কুল নিয়ে আপাততঃ এখানেই থামা যাক। আসলে ব্যাপারটা এতটা মোটাদাগের লাল নীল চাপানো না, এমনকী একই রঙের সাথে একটা ধুসর মিলিয়ে সেটার কুল রঙ পাওয়া যায় একইভাবে আবার সেটার স্যাচুরেশন এ গেলে তা ওয়ার্ম মনে হয়। আশা করি সেই ডিটেইলে যাবার সুযোগ আমাদের ঘটবে। আমরা এখন রঙ করবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ VALUE নিয়ে একটু ঘাঁটি।
ভ্যালু ড্রয়িং
কারো বাসায় কি সাদা-কালো টিভি আছে? এখন না থাকলেও এক সময় ছিল না এমন কাউকে হয়ত পাওয়া যাবে না। সেই সাদা কালো টিভিতেই কিন্তু আমরা বিটিভির স্বর্ণযুগের সব অনুষ্ঠান দেখেছিলাম। এবং রঙ না থাকায় তখন আমাদের কারো কোন সমস্যা হয়নি। ভ্যালু নিয়ে লিখতে গেলে এই ব্যাপারটাই আমাদের আগে বুঝতে হবে। কোন রকম রঙ না থাকলেও এমন কী ছিল যাতে কোন কিছুই বুঝতে সমস্যা হয়নি? রঙ না থাকলেও সেখানে যা ছিল তার নাম -VALUE. সোজা বাংলায় পরিমাণ। আসলে রঙের ভিত্তি এই VALUE। রংকে বরং আমরা আঁকিবুকির একটা দ্বিতীয় শ্রেনীর উপাদান বলতে পারি যা আঁকার ভাব (MOOD) ছাড়া আর তেমন কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না। সুতরাং VALUE যদি আমরা একবার বুঝে ফেলি তাহলে রং করার ব্যাপারটা আরো সহজ হয়ে যাবে।
(এখানে ফটোশপে কাজটা করা হয়েছে, কিন্তু নিয়ম সব ক্ষেত্রে একই)
এই VALUE নিয়ে এও কিছু বলার কারণ হল আপনার আঁকার সব ঠিক থাকলেও যদি VALUE ঠিক না থাকে তবে মাঠে মারা। যদি কম্পিউটার এ আঁকেন তো এটা আগে থেকে করে নেয়া অনেক সহজ। (মাস্টার আঁকিয়েরাও এই পদ্ধতিতে আঁকছেন আজকাল, মানে আগে সাদায় কালোয় এঁকে নিয়ে) আর হাতে-কাগজে করলে আগে পেন্সিল বা চারকোল এ VALUE কোথায় কত হবে সেটা ছোট্ট করে করে নিতে পারেন।আজ এখানেই থামি।]
রঙের তাপ
![]() |
| ঠান্ডা আর গরম কি আলাদা করা যাচ্ছে? -LION KING |
![]() |
| এখানে |
ওয়ার্ম কুল নিয়ে আপাততঃ এখানেই থামা যাক। আসলে ব্যাপারটা এতটা মোটাদাগের লাল নীল চাপানো না, এমনকী একই রঙের সাথে একটা ধুসর মিলিয়ে সেটার কুল রঙ পাওয়া যায় একইভাবে আবার সেটার স্যাচুরেশন এ গেলে তা ওয়ার্ম মনে হয়। আশা করি সেই ডিটেইলে যাবার সুযোগ আমাদের ঘটবে। আমরা এখন রঙ করবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ VALUE নিয়ে একটু ঘাঁটি।
ভ্যালু ড্রয়িং
কারো বাসায় কি সাদা-কালো টিভি আছে? এখন না থাকলেও এক সময় ছিল না এমন কাউকে হয়ত পাওয়া যাবে না। সেই সাদা কালো টিভিতেই কিন্তু আমরা বিটিভির স্বর্ণযুগের সব অনুষ্ঠান দেখেছিলাম। এবং রঙ না থাকায় তখন আমাদের কারো কোন সমস্যা হয়নি। ভ্যালু নিয়ে লিখতে গেলে এই ব্যাপারটাই আমাদের আগে বুঝতে হবে। কোন রকম রঙ না থাকলেও এমন কী ছিল যাতে কোন কিছুই বুঝতে সমস্যা হয়নি? রঙ না থাকলেও সেখানে যা ছিল তার নাম -VALUE. সোজা বাংলায় পরিমাণ। আসলে রঙের ভিত্তি এই VALUE। রংকে বরং আমরা আঁকিবুকির একটা দ্বিতীয় শ্রেনীর উপাদান বলতে পারি যা আঁকার ভাব (MOOD) ছাড়া আর তেমন কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না। সুতরাং VALUE যদি আমরা একবার বুঝে ফেলি তাহলে রং করার ব্যাপারটা আরো সহজ হয়ে যাবে।
(এখানে ফটোশপে কাজটা করা হয়েছে, কিন্তু নিয়ম সব ক্ষেত্রে একই)
![]() |
| প্রথমে মিডটোনে একটা সলিড ফিগার আঁকা হল |
![]() |
| এবারে একটা বেসিক শেড দেয়া হল, ধরে নেয়া হল আলো ওপর থেকে আসছে। (ওয়াটার কালার, পোস্টার কালার, পেন্সিল সব ক্ষেত্রেই নিয়ম এক) |
![]() |
| এরপর ম্যাজিক! যেখানে যে রঙ চান শুধু সেটা নিয়ে চাপিয়ে দিন। আপনি সেটা যত গাঢ়ই নিন না কেন সে পরবে ঠিক তার আগের সাদা কালো VALUE অনুযায়ী। অর্থাৎ আপনি আসলে সাদ-কালো টিভির ওপর একটা রঙ্গীন পর্দা ফেলছেন। VALUE আগেরটাই রয়ে গেছে। |
![]() |
| শেষ! (ঠান্ডা আর গরম রঙ কি আলাদা করতে পারছেন?) |
আজ এইটুকুই, পরের পোস্ট হবে এক রঙের সাপেক্ষে আরেক রঙ কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে। ভাল থাকুন সবাই।
February 04, 2012
কালার হারমোনি-(রঙ সিরিজ-৩)
এবারে কয়েক ধরনের হারমোনি মেনে একই ছবি কয়েকবার আঁকা হল। পার্থক্যগুলি দেখুন।
চিলড্রেন বুক এ সবচেয়ে বেশী ব্যবহার হয় আসলে প্রথম দুইটাই। আর একটা সময় এগুলো হাতে এসে গেলে আপনি সহজেই সব ধরনের হারমোনি মিলিয়ে একটা ছবি আঁকতে পারবেন, সেটা আরো মজার।
এখানে আমি নিজে যে সব ঠিকমত এঁকেছি তা ঠিক নিশ্চিত না। কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে খুশী হব।
February 02, 2012
কালার হারমোনি (রঙ সিরিজ-২)
এইবার আমরা হুইলের আসল কাজটা দেখি। মানে রঙ করার সময় এটা আসলে কি কাজে লাগে। একটা ছবি রঙ করার সময় আসলে মূল যে ব্যপারটা মাথায় আগে আনতে হবে সেটা হল ছবিটা কিসের? মানে সেটার 'ভাব'টা কী। সেটা কি আনন্দ? দুঃখ? ক্রোধ? লালসা? রঙ করার আগে আসলে সেটাই প্রথম কাজ। সেটা করার জন্যে কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তার প্রধান কয়েকটা আমরা একটু দেখি,
COLOR HARMONY (এখানে ক্লিক করে মুল সাইটটায় যেতে পারেন যেখান থেকে এই সব কিছু নেয়া)
পরের পোস্ট টা হবে রঙের উত্তাপ আর সাদা কালোর ভ্যালু নিয়ে। ততক্ষণ সাথেই থাকুন :)
_________________________
ডিস্ক্লেইমার- রঙ সম্পর্কে আমি নাদান ব্যক্তি। তাও যা জানি এ পর্যন্ত তা সবার সাথে না বলে থাকতে পারছি না, কেউ যদি কোন ভুল ধরিয়ে দেন বা নতুন কিছু যোগ করে(ন) তাহলে খুবই খুশী হব।
COLOR HARMONY (এখানে ক্লিক করে মুল সাইটটায় যেতে পারেন যেখান থেকে এই সব কিছু নেয়া)
![]() |
Complementary Harmony বা উলটা হারমোনি
হুইলের যেকোন রঙের সাথে যদি ঠিক তার উলটো দিকের রঙ নেয়া হয় তবে এই হারমোনি ঘটে।সাধারণতঃ উজ্জ্বল, চড়া দাগের ভাব ধরতে এই প্যালেট টা ব্যবহার করা হয় |
![]() |
Analogous Harmony বা পাশাপাশি হারমোনি হুইলের পাশাপাশি কমপক্ষে তিনটা রঙ নিয়ে যদি রঙ করা হয় তবে এটা ঘটবে। নরম কোমল ভাবের ছবি- ল্যান্ডস্কেপ, স্বপ্নালু দৃশ্যপট ইত্যাদিতে এই প্যালেট বেশ কাজে দেয় |
![]() |
| Triadic Harmony বা ত্রিভূজ হারমোনি- এই ধরণের একটা সমবাহু ত্রিভূজ ভেবে নিয়ে যদি হুইল থেকে রঙ নেয়া হ। এটা আর পরের Split complementary আসলে complementary' র মতই তবে কম চড়া |
![]() |
| Rectangle (tetradic)
color Harmony বা বাক্স হারমোনি- এ ক্ষেত্রে একই কাজ করা হয় একটা আয়তক্ষেত্র এঁকে চিল্ড্রেন বুক এ বা কমিক্স এ এই রঙের প্রাধান্য দেখা যায়। বেশ ঝলমলে একটা অনুভুতি আনে এই প্যালেটটা |
![]() | |
| Square color Harmony বা বর্গ হারমনি আসলে এ পর্যন্ত এসে আপনি বুঝে যাবেন যে কালার হুইলের ওপর যে কোন একটা জ্যামিতিক অবয়ব ফেলে দিলেই সেটা কিছু একটা হয়ে যায়, আর রঙের সবচেয়ে মজাদার জগৎ এখান থেকেই শুরু হবে কারণএখন আপনি নিজেই নিজের মত করে বিভিন্ন হারমনিয়াস স্কিম বানাতে পারবেন। |
পরের পোস্ট টা হবে রঙের উত্তাপ আর সাদা কালোর ভ্যালু নিয়ে। ততক্ষণ সাথেই থাকুন :)
_________________________
ডিস্ক্লেইমার- রঙ সম্পর্কে আমি নাদান ব্যক্তি। তাও যা জানি এ পর্যন্ত তা সবার সাথে না বলে থাকতে পারছি না, কেউ যদি কোন ভুল ধরিয়ে দেন বা নতুন কিছু যোগ করে(ন) তাহলে খুবই খুশী হব।
February 01, 2012
রঙ চাক্কি (Color Wheel)-১
আমি কালার হুইল কখনই বুঝতাম না ( তার মানে এখন যে বুঝি তাও না-Disclaimer 1)। যতবারই আস্তিন গুটিয়ে বসেছি-হুঁহুঁ বাবা, এইবার বুঝেই ছাড়ব- ততবারই একটা সময়ে এসে তালগোল পাকিয়ে যেত। প্রাইমারি কালার ক্যান ক্যাট ক্যাট করে, টারশিয়ারি কালার কেন ম্যাদ ম্যদা- ইত্যাদি না বুঝেই বছরের পর বছর রঙ করে গেছি। তার ফলে কখনই রঙ করাটা হাতে আসে নাই (তার মানে এখন যে আসে তাও না-Disclaimer 2) । অনেক মন মিশায়ে রঙ করার পরেও প্রকাশক বলতেন- আরিট্টু 'উজ্জ্বল' করা যায় না? সম্পাদক বলেন- 'এইরম মরা কালার ক্যান?' আমিও আসলে সেটা টের পেতাম। এবং অনেক ভেবে চিনতে আবারো সেই কালার হুইল নিয়ে বসতাম, কিন্তু সত্যি বলতে থিওরির ভীড়ে খালি ডুবেই যেতাম, বুঝতাম না (আবার Disclaimer 1 হবে)। যাই হোক। অবশেষে ব্যপারটা বোঝা শুরু করি সব্যদা (সব্যসাচী মিস্ত্রী) দ্যা গ্রেইট এর কাছে। গ্রাফার CONCEPT ART কর্মশালায় সব্যদা আধা ঘন্টার মধ্যে ব্যাপারটা বুঝায়ে হাত নেড়ে বল্লেন-'শিইম্পল খুব শিম্পল'- আসলেও ব্যপারটা শিম্পলই। অন্ততঃ এই মুহূর্তে আমি যেভাবে বুঝি। তো এইবেলা 'শিম্পলি' সেটা সবার সাথে ভাগ করে নেয়া যাক।
প্রথমে মৌলিক তিনটা রং-লাল, নীল, হলুদ। ইংরেজীতে Cyan, Magenta, Yellow মানে কি না CMYK এর C M আর Y. k বা BLACK * আসলে কোন রঙ না- এটা আসলে অন্ধকার বা আলোর অনুপস্থিতি। এই CMY রঙ তিনটাকে বলা হয় মৌলিক রঙ বা Primary Color
এবারে আমরা যদি পাশাপাশি দুটো কালার মেশানো শুরু করি- অর্থাৎ লাল-হলুদ, লাল-নীল, নীল-হলুদ, তবে আমরা আরো তিনটা নতুন রঙ পাব। এই তিনটা যথাক্রমে কমলা, বেগুনী আর সবুজ। যেহেতু এদেরকে প্রাইমারি বা মৌলিক রঙ মিশিয়ে পেতে হয়েছে তাই এদের নাম সেকেন্ডারি রঙ
একইভাবে আমরা যদি আবার পাশাপাশি দুট করে রঙ মিশিয়ে নতুন আরো রঙ বানাতে থাকি তবে সেটা হবে এইরকম- এবং এদের বলা যায় টারশিয়ারি রঙ (কেউ কি সেকেন্ডারি, আর টারশিয়ারির ভাল বাংলা জানেন?)
একইভাবে ব্যপারটা উপর্যুপরি করে গেলে তা অনেকটা এমন রঙধনুর রুপ নেবে, আর এটাই আসলে কালার হুইল। বলা হয় এখানে প্রায় ১৬ বিলিয়ন রঙ পাওয়া সম্ভব। (এখানে একটা ব্যপার মনে রাখা ভাল- এই বৃত্তের রঙ্গগুলো একেবারে খাঁটি রং, একে বলে HUE। এর সাথে সাদা আর কালো মিশিয়ে এবার অন্যান্য 'শেড' তৈরি করা হবে)
আর সেই ১৬ বিলিয়ন রঙ পেতে হলে পরের ধাপটা বুঝতে হবে।
TINT SHADE TONE
মনে করুন এই রঙের বৃত্তের ঠিক মাঝখানে রাখা হল কালো কালি। আর তার চারিদিকে রাখা হল সাদা রঙ। এবারে ক্রমান্বয়ে প্রতিটা রঙ যদি দু'পাশে ছড়িয়ে দেয়া হয় অর্থাৎ ভিতরের দিকে যত ছড়ানো হবে তত এতে কালো কালি মিশতে থাকবে আর চারিদিকে যত ছড়ানো হবে তত মিশবে সাদা রঙ। তাহলে ব্যাপারটা অনেকটা এমন দাঁড়াবে।
খেয়াল করুন এবার একই রঙের (HUE) সাথে শুধু সাদা আর কালো মিশিয়ে অসংখ্য রঙ তৈরি হচ্ছে। এমন করে যত কালো মেশানো হবে তত বলা হবে এর TONE বাড়ছে, যত সাদা মিলবে তত বলা যাবে রঙ TINT এর দিকে যাচ্ছে। আর ধুসর রঙ মিশানো হলে সেটা যেদিকে যাবে তার নাম SHADE. নিচে ব্যাপারটা সহজে বুঝবার চেষ্টা করা যাক।
এই কালার হুইল যে কোন মাধ্যমের জন্য সত্য। আপনি জল রঙ তেল রঙ পোস্টার এক্রিলিক যাই করেন কথা একই। এটা রঙের একেবারে প্রাথমিক ব্যকরণ।
এবারে ডিজিটাল আর্টিস্টদের মধ্যে যারা ফটোশপএ রঙ করেন তাদের জন্যে কিছু কথা। এখানে আপনি কিছু অদ্ভুত ব্যাপার দেখবেন যেমন- এখানের হুইলটা লম্বা একটা ফিতার মত (আমি জানি না কেন)আমি এখানে পাশে সেটা গোল করে এঁকে দেখালাম। আর এখানে আপনি TINT SHADE TONE এর একটা চারকোণা বাক্স পাবেন(COREL groupএর সফটোয়্যার এ এটা একটা ত্রিভূজাকারে থাকে সেটা বোঝা আরো সহজ)। যার ওপরের ডান কোণায় HUE বা সবথেকে উজ্জ্বল, ক্যাটক্যাটা, ব্রাইট বা খাঁটি রঙ। বামের কোণাকুণি গেলে সাদা মিশতে থাকবে অর্থাৎ TINT . বামের নিচের কোণায় যেতে থাকলে ধুসর রঙ মিশতে থাকবে- SHADE আর ডান দিকের নিচের কোণায় মিশবে কালো, মানে -TONE
খবরের কাগজে যারা কাজ করেন, অর্থাৎ নিউজপ্রিন্ট কাগজে যাদের আঁকা ছাপা হয় তাদের জন্যে ছোট্ট একটা থাম্ব রুল- এই ফটোশপ বাক্সটাকে চারভাগে ভাগ করলে বাম দিকের ওপরের আর ডান দিকের নিচের বাক্স থেকে রঙ করাই ভালো। মাঝে মাঝে ডান দিকের ওপরেরটা ব্যবহার করতে পারেন। আমাদের দেশী নিউজপ্রিন্ট এর ছাপায় এটা ভাল ফল দেয়।
(পরের পর্বে কালার হারমোনি নিয়ে বলা হবে-ততক্ষণ আমাদের সাথেই থাকুন)
________________________________
*BLACK কে K দিয়ে লেখা হয় দুটো কারণে ১. B দিয়ে BLUE ও হতে পারে ২. প্রেস এ চার রঙের প্লেট মেলানোর সময় কালো প্লেট টাকে KEY registration কালার ধরা হয়- এজন্যে K
প্রথমে মৌলিক তিনটা রং-লাল, নীল, হলুদ। ইংরেজীতে Cyan, Magenta, Yellow মানে কি না CMYK এর C M আর Y. k বা BLACK * আসলে কোন রঙ না- এটা আসলে অন্ধকার বা আলোর অনুপস্থিতি। এই CMY রঙ তিনটাকে বলা হয় মৌলিক রঙ বা Primary Color
এবারে আমরা যদি পাশাপাশি দুটো কালার মেশানো শুরু করি- অর্থাৎ লাল-হলুদ, লাল-নীল, নীল-হলুদ, তবে আমরা আরো তিনটা নতুন রঙ পাব। এই তিনটা যথাক্রমে কমলা, বেগুনী আর সবুজ। যেহেতু এদেরকে প্রাইমারি বা মৌলিক রঙ মিশিয়ে পেতে হয়েছে তাই এদের নাম সেকেন্ডারি রঙ
একইভাবে আমরা যদি আবার পাশাপাশি দুট করে রঙ মিশিয়ে নতুন আরো রঙ বানাতে থাকি তবে সেটা হবে এইরকম- এবং এদের বলা যায় টারশিয়ারি রঙ (কেউ কি সেকেন্ডারি, আর টারশিয়ারির ভাল বাংলা জানেন?)
একইভাবে ব্যপারটা উপর্যুপরি করে গেলে তা অনেকটা এমন রঙধনুর রুপ নেবে, আর এটাই আসলে কালার হুইল। বলা হয় এখানে প্রায় ১৬ বিলিয়ন রঙ পাওয়া সম্ভব। (এখানে একটা ব্যপার মনে রাখা ভাল- এই বৃত্তের রঙ্গগুলো একেবারে খাঁটি রং, একে বলে HUE। এর সাথে সাদা আর কালো মিশিয়ে এবার অন্যান্য 'শেড' তৈরি করা হবে)
আর সেই ১৬ বিলিয়ন রঙ পেতে হলে পরের ধাপটা বুঝতে হবে।
TINT SHADE TONE
মনে করুন এই রঙের বৃত্তের ঠিক মাঝখানে রাখা হল কালো কালি। আর তার চারিদিকে রাখা হল সাদা রঙ। এবারে ক্রমান্বয়ে প্রতিটা রঙ যদি দু'পাশে ছড়িয়ে দেয়া হয় অর্থাৎ ভিতরের দিকে যত ছড়ানো হবে তত এতে কালো কালি মিশতে থাকবে আর চারিদিকে যত ছড়ানো হবে তত মিশবে সাদা রঙ। তাহলে ব্যাপারটা অনেকটা এমন দাঁড়াবে।
খেয়াল করুন এবার একই রঙের (HUE) সাথে শুধু সাদা আর কালো মিশিয়ে অসংখ্য রঙ তৈরি হচ্ছে। এমন করে যত কালো মেশানো হবে তত বলা হবে এর TONE বাড়ছে, যত সাদা মিলবে তত বলা যাবে রঙ TINT এর দিকে যাচ্ছে। আর ধুসর রঙ মিশানো হলে সেটা যেদিকে যাবে তার নাম SHADE. নিচে ব্যাপারটা সহজে বুঝবার চেষ্টা করা যাক।
এই কালার হুইল যে কোন মাধ্যমের জন্য সত্য। আপনি জল রঙ তেল রঙ পোস্টার এক্রিলিক যাই করেন কথা একই। এটা রঙের একেবারে প্রাথমিক ব্যকরণ।
এবারে ডিজিটাল আর্টিস্টদের মধ্যে যারা ফটোশপএ রঙ করেন তাদের জন্যে কিছু কথা। এখানে আপনি কিছু অদ্ভুত ব্যাপার দেখবেন যেমন- এখানের হুইলটা লম্বা একটা ফিতার মত (আমি জানি না কেন)আমি এখানে পাশে সেটা গোল করে এঁকে দেখালাম। আর এখানে আপনি TINT SHADE TONE এর একটা চারকোণা বাক্স পাবেন(COREL groupএর সফটোয়্যার এ এটা একটা ত্রিভূজাকারে থাকে সেটা বোঝা আরো সহজ)। যার ওপরের ডান কোণায় HUE বা সবথেকে উজ্জ্বল, ক্যাটক্যাটা, ব্রাইট বা খাঁটি রঙ। বামের কোণাকুণি গেলে সাদা মিশতে থাকবে অর্থাৎ TINT . বামের নিচের কোণায় যেতে থাকলে ধুসর রঙ মিশতে থাকবে- SHADE আর ডান দিকের নিচের কোণায় মিশবে কালো, মানে -TONE
খবরের কাগজে যারা কাজ করেন, অর্থাৎ নিউজপ্রিন্ট কাগজে যাদের আঁকা ছাপা হয় তাদের জন্যে ছোট্ট একটা থাম্ব রুল- এই ফটোশপ বাক্সটাকে চারভাগে ভাগ করলে বাম দিকের ওপরের আর ডান দিকের নিচের বাক্স থেকে রঙ করাই ভালো। মাঝে মাঝে ডান দিকের ওপরেরটা ব্যবহার করতে পারেন। আমাদের দেশী নিউজপ্রিন্ট এর ছাপায় এটা ভাল ফল দেয়।
(পরের পর্বে কালার হারমোনি নিয়ে বলা হবে-ততক্ষণ আমাদের সাথেই থাকুন)
________________________________
*BLACK কে K দিয়ে লেখা হয় দুটো কারণে ১. B দিয়ে BLUE ও হতে পারে ২. প্রেস এ চার রঙের প্লেট মেলানোর সময় কালো প্লেট টাকে KEY registration কালার ধরা হয়- এজন্যে K
Subscribe to:
Posts (Atom)
জাপান টাউনে
মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...
-
দীর্ঘ দশ মাস পর ২০১৮ সালের বিজ্ঞান বিভাগের নবম-দশম শ্রেণির ৫ টা (গণিত, উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান) ও আর্টস ও কমার্স বি...
-
ইদানীং নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই বারবার ধরা খাচ্ছি, আঁকান্তিস নামে যে গ্রুপটা খুলেছিলাম সেখানে সপ্তাহান্তে একটা কিছু কন্টেস্ট ডাকি (নিজেই)।...
-
কমিকবুকের কাজ চলছে, আর সেটা করতে গিয়ে কিছু অদ্ভূত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমাদের। যেমন- আমাদের 'সুপারহিরো' কেমন হবে?ল্যাঙ্গট পড়...































