December 21, 2014

MAZECON 3


বাংলাদেশে মাঙ্গা ফ্যান গ্রুপ আছে জানতাম, কিন্তু তারা কতটা সিরিয়াস জানা ছিলো না। একে একে তারা তৃতীয় মেইজ কন (মাঙ্গা মানে জাপানী ভাষায় কমিক্স, আর এনিমে আসলে এনিমেশন এর সংক্ষিপ্ত রুপ- সেই কমিক্স আর এনিমের কনভেনশন হল মেইজ কন) হতে যাচ্ছে এই ২৫ তারিখ। বিশদ জানার জন্যে ফেইস বুকের লিংকটা দিয়ে দেই এখানে

ভাল কথা যে জন্যে এই পোস্ট, মেইজ কন এ দাওয়াত পেয়েছি স্পেশাল গেস্ট হিসেবে প্যানেলে থাকব বলে। সাথে আছে বস!
এই সব কিছুর মূলে আছে মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আই ই আর থেকে পাশ করে এখন আঁলিয়স ফ্রাঁসেজ এর কম্যুনিকেশন ইন চার্জ।
মাহমুদকে থ্যাংস।

December 15, 2014

New Project



No rest December, getting projects done one after another!

আহসান হাবীব এর ছেলেবেলা


বইটা সম্পর্কে পরে বলব। আপাতত বলা যাক আমার গুরু কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব তাঁর ছেলেবেলা নিয়ে লেখা বই 'ফিরে যাই' এ আমাকে আঁকতে দিয়েছেন- এই প্রাপ্তি অসামান্য!
সেখান থেকে দুইটা আঁকা।

December 11, 2014

আমাদের অসীম চন্দ্র


আমার ক্যারিকেচার হাতে ক্যারিকেচারিস্ট অসীম চন্দ্র রায় (চারুকলায় চান্স না পাওয়া)
অসীমের সাথে আমার প্রথম দেখা বছর চারেক আগে, ঢাকার রমনা চাইনিজে টিআইবি'র (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) কার্টুন কর্মশালায়। সেবার সব কার্টুনিস্টদের ডাকা হয়েছিল ঐ আয়োজনে। যদ্দুর মনে পরে অসীম 'ক' গ্রুপ এ কাজ দিয়েছিল। কাঁচা হাতের কাজ, তবে এভারেজের চে' ভাল। যাই হোক ওই পর্যন্তই, এর পর বছরখানেক পর তার একটা ফেইসবুক পেইজ দেখলাম, Artist Asim's Creation একটু ছেলেমানুষী মনে হল সেটা। যাই হোক পরে জানলাম ছেলেটা পঞ্চগড় থাকে। আর বাংলাদেশের যেই কমন সমস্যা সেটা এখানেও আছে। ঢাকার বাইরে থাকলেই একটা ব্যাপার মনে হওয়াটা স্বাভাবিক যে অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আসলেও ব্যাপারটা তাই। একটা দেশের রাজধানীর সাথে দেশের বাকী শহরগুলির সুযোগ সুবিধার এত প্রকট পার্থক্য পৃথিবীতে আর কোথায় আছে আমার জানা নেই। তো সেই কারণে অসীম নিজেও এই কমপ্লেক্স এর বাইরে ছিলো না। খুব স্বাভাবিকভাবেই তার মনে হতে লাগলো সে অনেক কিছু থেকে বঞ্ছিত। যাই হোক আমি তার পেইজ ফলো করি। আর সেই সাথে ফলো করি যে সে যথেষ্ট ট্যালেন্টেড পোর্ট্রেইট আর্টিস্ট। আর একেবারে বর্ডার এরিয়ায় অন্য সব কিছু থেকে দূরে থাকায় তার যেটা শাপে বর হচ্ছে সেটা হল সে নিজের মত করে শিখতে বাধ্য হচ্ছে। বড় বড় আর্ট পেপারে আশে পাশের সবার ক্যারিকেচার করে দিচ্ছে সে। ডিজিটাল ব্যাপারটা কী সেটা সে সেভাবে জানেই না, ফলে আঁকিয়েদের মূল রসদ যে হাতে কলমে ড্রয়িং সেটা তার ভালই জমা পড়ছে। ধীরে ধীরে দেখা গেলো তার ড্রয়িং অনেক ম্যাচিউরড হচ্ছে। বিশেষ করে চেহারার ফিচারগুলির ত্রিমাত্রিক গঠন সে বশ ভালভাবে রপ্ত করছে। যদিও যা আঁকছে তা অনেক ক্ষেত্রেই ক্যারিকেচার হচ্ছে না। ধীরে ধীরে সে প্যাস্টেল ঘষে তার জাম্বো সাইজ ক্যারিকেচারগুলিতে রঙ চড়ানো শুরু করলো। আস্তে আস্তে তার আঁকা আরো অনেক ভাল হতে লাগলো। যদিও Artist Asim's Creation কথাটা তখনো টিনেজ ছেলেমানুষী টাইপই মনে হল। আর আমি মনে মনে ভাবলাম ফেইম এর গাড্ডায় পড়লে শেখার আগেই এই ছেলেটা শেষ না হয়ে যায়। স্যোশাল মিডিয়ার এই যুগে প্রত্যেকেই নিজের চৌহদ্দিতে একেকটি সেলিব্রেটি বিশেষ। যাইহোক এই সময় সে ইন্টার পাশ করল। এবার সে চারুকলায় ভর্তি হবে (নো ওয়ান্ডার)। ঢাকায় এসে শুরু হল পৃপারেশন। তখন আরেকবার দেখা হয়েছিল মনে পড়ে, কথা বলে কিন্তু মনে হল আমার ধারনা কিছুট সত্যি। সে ওভার কনফিডেন্ট চারুকলায় চান্স পাবার ব্যাপারে। মানে সব কথাই চান্স পাবার পরে কী করবে সেটার ওপর। আমি যেহেতু ফাইন আর্টস এর না সুতরাং যেচে কোন উপদেশ দিলাম না। যথারীতি পরীক্ষা হল। রেজাল্ট হল এবং অসীম ফোন দিয়ে বল্ল- দাদা চান্স পাই নি। আমার মনটা খারাপ হয়ে গেলো। বললাম অফিস আসতে পারো ফৃ থাকলে। সে তার এক বন্ধু নিয়ে (দুজনেই চারুকলায় পরীক্ষা দিয়ে চান্স পায়নি) আমাদের নিউ এইজ এর ক্যান্টিনে এলো। একেবারে ভেঙ্গে পড়া চেহারা। আমি আর কার্টুনিস্ট মিতু ছিলাম তখন। বেচারা জানালো সে সর্বোচ্চ ভাল পরীক্ষা দিয়েছিলো (এখানে বলে রাখি তার নিশ্চিত বিশ্বাস ছিলো সে ভর্তি পরীক্ষা প্রথম দিকে থাকবে রেজাল্ট এ)। কিন্তু কেন হলো না সেটা বুঝতে পারছে না। আমি যেহেতু এই লাইনের লোক না সেহেতু কী বলব বুঝতে পারছিলাম না। তবে অসীম এর যেটুকু স্কিল আমি দেখেছি চারুকলায় ৫ বছর পড়েও এই স্কিল অর্জন করতে অনেকেই পারে না সেটা আমি দেখেছি। মানে যত খারাপ পরীক্ষাই দিক তার চান্স পাবার কথা সেটা আমিও ধরে রেখেছিলাম। যাই হোক বেচারা মন খারাপ করে জানালো কোন এক দাদা নাকি বলেছে বিশ্বভারতীতে এপ্লাই করতে। সেখানে নাকি কাজের স্যাম্পল পাঠালেই সেটার ওপর নাম্বারিং হয় আর পরে গিয়ে আবার আঁকতে হয়। স্কলারশিপের চান্স আছে। এবার আমি নড়েচড়ে বসলাম। মিতু আর আমি দুজনেই বললাম অবশ্যই সেটা কর। এক বছর বসে পরের বছর আবার চারুকলায় যে চান্স পাবাই তার গ্যারান্টি নাই, আর বাংলাদেশে পাশ করতে হলে তোমার সেশন জটে পড়তে হবে। ওখানে সেটা নাই। সেই সাথে আমাদের দূষিত লোকাল পলিটিক্স তোমাকে অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত করবে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে এডমিশন আর এডমিনিস্ট্রেশন এ যেভাবে দলাদলি চলছে অন্তত এটা ওখানে ততটা নাই। আর ওখানের ডিগ্রির দামও বেশী হবে। বিশ্বভারতীর ব্র্যান্ডিং অবশ্যই বেটার।

এর ক'দিন পরেই সুসংবাদ, অসীম ওখানে চান্স পেয়েছে। আমি মনে মনে বললাম শাপে বর আবার!

এর কিছুদিন পর আবার বিরক্ত লাগলো সে কোন একট সাইটে দেয়া সাক্ষাতকারে (তদ্দিনে তার ড্রয়িং অনেক ভাল হয়েছে, সেটা সাক্ষাতকার দেবার পর্যায়ে চলে গেছে, আমার দেখা সবচেয়ে দ্রুত ভাল করার মধ্যে আসিফুর রহমান রাতুলের পরেই অসীম চন্দ্র- মানে দ্রুততার দিক থেকে) সে বলেছে যে চারুকলার ভর্তি পরীক্ষায় ঘাপলা আছে (আমাদের শিক্ষামন্ত্রী শুনলে খুশী হয়ে যাবেন)। স্বাভাবিকভাবেই চারুকলার যত বন্ধু বান্ধব আছে(ন) সবাই এটাতে বিরক্ত হলেন। আমি চারুকলার মেধাবী ছাত্র সাদাত (কার্টুনিস্ট সাদাত) কে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপারটা আসলে কী? সে যেটা বল্ল সেটা আবার আরেক ঘটনা এবং সেটাও বিবেচনায় আনতে হবে। সে বলল 'মেহেদী ভাই, অসীম আমার কাছে আগে আসছিলো ভর্তি পরীক্ষার আগে, আমি দেখসি সে ওভার কনফিডেন্ট, আমি শুধু এইটুকু সতর্ক করছি যে দেখ ফাইন আর্টস ডিপার্টমেন্ট কিন্তু কার্টুনিস্টিক ডিস্টর্শন দেখলে ক্ষেপে। মানে পরীক্ষায় যা চাইবে সেটা সেভাবেই দিতে হবে, কার্টুন টাইপ করে বেশী ক্রিয়েটিভ করতে গেলে সেটায় গোল্লা দিতে পারে।' আমারো মনে হল এটা হতেও পারে। আসলে টেস্ট বা কনটেস্ট এর ব্যাপারটা কিন্তু আলাদা। যেমন আমি নিজে অনেক কার্টুন কন্টেস্ট এ কার্টুন জমা দিয়ে এমনকি কোন সান্ত্বনা পুরস্কার ও প্রাইজ পাই নি। এবং পরে দেখেছি আসলে সেটা কার্টুনটা খারাপ হয়েছে সে জন্যে না, টপিক এ যা চাওয়া হয়েছিলো সেটাকে ঠিকভাবে আমি বুঝি-ই নাই। যেমন হয়ত বল্ল ১৫"X১০" ইঞ্চি মাপে কার্টুন দিতে হবে আমি হয়ত সেটা খেয়ালই না করে অন্য মাপে দিলাম, ব্যাস সেটা বাদ। কী এঁকেছি সেটা দেখাই হবে না। যাই হোক আমি জানি না আসলে কী ঘটেছিলো, আর হতাশা থেকে অসীম সেটা বলতেই পারে কারণ অনেক 'হাতে পেন্সিল গো মাংস' টাইপ পোলাপান চারুকলায় দিব্যি চান্স পেয়ে গেছে সেবারেই। সুতরাং তার ক্ষোভ হতেই পারে। তার জায়গায় আমি থাকলে আর কিছু যে বলতাম না তা গ্যরান্টি নাই।

যাই হোক, এবার বছর ঘুরে এল। হঠাৎ ফেইসবুক এ অসীমের করা একটা কাজ দেখলাম, ফটোরিয়েলিস্টিক কাজে সাধারণত প্রাণ থাকে না, কিন্তু এই কাজটা অসাধারণ! আমি অনেক্ষণ তাকিয়ে দেখলাম। কী অনায়াসে সে ডিজিটাল মিডিয়া আয়ত্ত্ব করেছে, দেশে থাকলে সেদিন তাকে ডেকে নিশ্চিত কোথাও একটা টৃট এর ব্যবস্থা করতাম। ক্যারিকেচার আর পোর্ট্রেইট নিয়ে এত ডেডিকেটেড ড্রয়িং আগে আমাদের জেনারেশনের কেউ করেছে বলে আমি দেখিনি। বাংলাদেশে অসংখ্য ট্যালেন্ট আছে, কিন্তু সারাজীবন বিদেশী জিনিস ভাল শুনতে শুনতে তাদের আত্মবিশ্বাসে বিরাট ঘাটতি চলে এসেছে। দুই একজন তাই বিশ্বমানের কাজ করলে সেটা অসংখ্য ট্যালেন্টদের জন্যে একটা বড় রসদ। 
সাবাস অসীম!
আরো এগোও, চারুকলায় চান্স পাও নাই পরোয়া নাই, সেটা হয়ত তোমার জন্যে ভালই হয়েছে।

নিউ এইজ এর ফিলার আঁকা

দেশের কপিক্যাট পরিচালকদের নিয়ে আঁকা।

December 10, 2014

Freelance commission for Bengal


রেজিস্টেশন করেও এবারের বেঙ্গল মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এ যাওয়া হয়নি ব্যস্ততায় পড়ে। তবে সেখানে কার্টুনে ঠিকই ছিলাম। ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিশিয়ানদের মজার ঘটনা মূলক একটা আর্টিকেলের জন্যে আঁকা সেট থেকে। অনুমতি পেলে পরে গল্পগুলিও দিয়ে দেব।


December 08, 2014

কাইয়ূম স্যারের সাথে

২০১০ সালে কাইয়ূম স্যার এর সাথে এসোসিয়েশনের প্রথম কার্টুন প্রদর্শনীতে, আমার সাথে নিউ এইজ এর ফটগ্রাফার আমার কলিগ সানাউল ভাই। উনি আমার আরেকটা দারুণ ছবি তুলে দিয়েছিলেন স্যারের সাথে। যথারীতি হার্ড ডিস্ক ক্র্যাশ ডিজ্যাস্টার। এখন থেকে সব ছবি পৃন্ট করব আশা করি...

Animation Seminar

আমি এনিমেশনের লোক না, তবে ফ্ল্যাশ বেইজড টুডি এনিমেশনের ওপরে একটা তিন মাসের কোর্স করা আছে। সেই কোর্স শেষে আমার উপলব্ধি ছিল - এনিমেশন আমার কাজ না (আমি খালি ইউনিসেফ এর মীনা কার্টুন এপিসোডের একটা গল্পের মূল গল্পকার আর সেই সাথে সেটার ক্যারক্টার ডিজাইনার হিসেবে কাজ করার একটা সুযোগ পেয়েছি)। ওই পরিমান রবার্ট ব্রুসের ধৈর্য নিয়ে আমি জন্মাইনি। কোর্সের পর এনিমেটরদের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো।

যাই হোক, গত ৯ নভেম্বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম (প্রধান অতিথি হাসানুল হক ইনু'র মজা করে বলা ভাষায়- ফিলিম) সোসাইটির আয়োজিত এনিমেশন ফিল্ম প্রদর্শনী (মূলতঃ বিদেশী) সমাপনী অনুষ্ঠানে রীতিমত আলোচক হিসেবে ডাক পেলাম, সেটা ছিল দারুণ একটা অভিজ্ঞতা। কে নেই সেখানে? বস আহসান হাবীব, সব্যসাচী মিস্ত্রী, নোটন ভাই, ড্রিমার ডঙ্কি'র রানা ভাই, জুবায়ের কেওলিন, চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান (আমার সিট তাঁর পাশে পড়েছিল, একেবারেই সহজ স্বাভাবিক মানুষ), সালজার, শামীম, তানবিন ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি। সভার সবেচেয়ে বড় আকর্ষণ সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আমি মোটামুটি ইনভিজিবল হবার চেষ্টারত, এই লোক যদি জানতে পারে তাঁর কী কী কার্টুন আমি এঁকেছি তাহলে বাংলাদেশের এনিমেশন শিল্পের এখানেই একটা সমাপ্তি ঘটে যাবার সম্ভাবনা আছে। যাই হোক, প্রথমে আহসান ভাই আর রানা ভাই কথা বললেন, এর পরে আয়োজকদের পর্ব, আর তার পরেই তথ্যমন্ত্রী, এবং আমাকে অবাক করে দিয়ে উনি বেশ ভাল বললেন। এনিমেশন নিয়ে উনি রীতিমত হোমওয়ার্ক করে এসেছেন বোঝা গেলো। আর তাঁর ছেলে নাকি নিজেই এনিমেটর, ত্রাতুলের জগত আসলে তাঁর ছেলে আর তাঁর স্ত্রী মিলে নিজেদের হাউজ থেকে করেছেন। শুনে বেশ ভাল লাগলো। আর উনি মোটামুটি ভালই খোঁজ রাখেন এইসব নিয়ে অন্তত বাংলাদেশের একজন মন্ত্রীর সাপেক্ষে সেটা অনেক। কিছুদিন আগে যে বাংলাদেশের নাফিস বিন জাফর পাইরেটস অব দ্যা ক্যেরিবিয়ানের একটা ইফেক্ট এ কাজ করার জন্যে টেকনিক্যাল ক্যাটেগরিতে অস্কার পেয়েছে সেটা উনি নাকি জেনে বাংলাদেশে তাঁকে একটা সম্বর্ধনা দেবার চেষ্টা করেছিলেন, এখানের 'কমিটি' নাকি বলছে 'বয়স কম, বাদ দ্যান'।
আমার ইচ্ছা ছিল মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আরো কিছু কথা বলার কিন্তু টাইমিং উল্টাপাল্টা হওয়াতে সেটা আর হয়নি। উনি চলে যাবার পর শুরু হল মুক্ত আলচনা, আলোচনার প্রথম পর্বেই বিষয়বস্তু ছিল আমার এনগেজমেন্ট উইথ মিতু (ভেবেছিলাম বিয়ে হবার আগে আগে বা কিছু একটা ঘটার পরে পরে আমি হঠাত করে স্মার্ট হয়ে যাব আর সেসব নিয়ে লিখব, কিন্তু আমি আরো ক্ষ্যাত হয়ে গেছি, গত ৭ নভেম্বার কার্টুনিস্ট মিতুর সাথে আমার এনগেজমেন্ট হয় তারপর থেকে আমি কেমন জানি ভ্যাব্দা মেরে আছি, ব্যাপারটা হজম হয়নি এখনো- ফিলিং সাররিয়াল)। মুক্ত আলোচনায় অনেকেই অনেকের ক্ষোভ হতাশা ইত্যাদি বলা শুরু করে, আমি অভ্যাস মত পজিটিভ কিছুকথা বলার চেষ্টা করি, আর শেষে আমার নিজের থিঙ্কিং টা শেয়ার করি।

আমার মতে বাংলাদেশের এনিমেশন ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াতে ব্যর্থ হবার কারণ বাজে প্ল্যানিং। সব এনিমেশন হাউজ কাজ শুরু করে আউটসোর্স করার ভাবনা থেকে, ফলে লোকাল মারকেট দাঁড়ায় নি, তাঁদের দাবি লোকাল মার্কেট এ টাকা নাই। কথাটা সত্যি, কিন্তু আমরা কার্টুনিস্টরা কি একই পরিস্থিতির মধ্যে দিইয়ে যাইনি? আগে কার্টুন এঁকে কার্টুন প্রতি বিল পেতাম ২০০ টাকা যেটা আমাদের যাতায়াত ভাড়ার চেয়েও কম ছিলো। এখন একটা কার্টুন মিনিমাম ৩ হাজার টাকা করে করছি। আর সেই সাথে আউটসোর্সিং ও চালিয়ে যাচ্ছি। আমি যদি এখন দেশে টাকা নাই বলে খালি 'ওডেস্ক' 'ই-ল্যান্স' ইত্যাদী সাইটেই কাজ করতাম তবে ১০ বছর পরেও বাংলাদেশের কার্টুনে আমার কোন অবদান থাকতো না, হ্যাঁ লোকাল মার্কেট অনেক কম রেট বলবে। কিন্তু সেটা তো বাড়াতে হবে, প্রয়োজনে কস্ট ইফেকটিভ ডিজাইন করতে হবে। একটা ছোট কোর্স করে আমি বুঝেছি সেটা অনেক সহজ কাজ। ফ্ল্যশ বেইজড টুডি অনেক সহজে নামানো যায়। দেশী রেট এর মধ্যেই সেটা সম্ভব।
এখন আসি এনিমেটর বা ফিল্ম নির্মাতারা যেই দুষ্ট চক্রে পড়েন বলে আমি মনে করি। কেউ যেন মনে না করেন আমি বিজ্ঞাপন বানানোর বিপক্ষে। অবশ্যই কাউকে না কাউকে বিজ্ঞাপন বানাতে হবে। কিন্তু যিনি ক্রিয়েটিভ কাজ করতে চান আমার মনে হয় তার একটা নৈতিক জায়গা থাকা উচিৎ- বিজ্ঞাপন বলতে আমাদের দেশে এখনো আরেকজনের পণ্য মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানিয়ে বেঁচে দেয়াকেই বোঝায়। টাকা রোজগারের জন্যে অনেকেই এটা করতে বাধ্য হন (স্বয়ং সত্যজিত বা ক্যালভিন এন্ড হবস এর আঁকিয়ে বিল ওয়াটারসন বিজ্ঞাপন সংস্থাতে প্রথমে কাজ করতেন, তবে ঠিকই একটা সময় অর্থনৈতিক ঝুঁকি থাকার পরেও সেটা ছেড়ে 'নিজের কাজ' শুরু করেন)। বিজ্ঞাপন বানালেই কেউ খারাপ হয়ে যাবেন তা না। তবে যদি কারো কোন কিছু নিয়ে- এনিমেশন, ফিল্ম, ডকুমেন্টারি নিয়ে কোন ড্রিম প্রজেক্ট থাকে তবে এই ফাঁদটা এড়াতেই হবে। টাকার ফাঁদ সবচেয়ে খারাপ ফাঁদ।


মূল প্রসংগ থেকে সরে না যাই। এনিমেশনে আমাদের যেটা হয়েছে বেশ কিছু বড় কম্পানী এই সেক্টরে বিনিয়োগ করেছে, কিন্তু তারা অধিক মুনাফার জন্যে স্পন্সর্ড প্রজেক্ট বা বিদেশী প্রজেক্ট ছাড়া আর কিছু করেনি, ফলে আমাদের লোকাল মার্কেট ডেভেলপ করে নাই। তাই এত বছর পরে যখন একে একে বাইরের অর্ডার বন্ধ হয়ে গেলো আর স্পন্সরদের শখের বাজেট গেলো শেষ হয়ে, তখন হুট হাট করে প্রায় সবগুলি এনিমেশন ফার্ম বন্ধ হয়ে গেলো। এনিমেটররা বেকার হয়ে পড়তে লাগলো। কিন্তু এদ্দিনে যদি লোকাল মার্কেটের জন্যে একটা কাস্টমাইজড ওয়ার্কফ্লো বানানো যেত তবে অন্তত নিজে ফৃল্যান্সিং করে হলেও পেট চালানো যেত- আমরাও পেতাম আমাদের দেশি কার্টুন। ভারতের ছোটা ভীম বা মোটু পাতলুর চেয়ে আমাদের কাজ কিন্তু খারাপ না, অনেক ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়ে। তারপরেও প্ল্যানের অদূরদর্শিতার জন্যে এই অবস্থা।
যাই হোক, দেখা যাচ্ছে এনিমেটররা নিজেরাই এই সমস্যা অনেকটা আঁচ করতে পেরেছেন। তারা অচিরেই একটি এসোসিয়েশন গড়তে যাচ্ছেন। কিভাবে কিভাবে আমিও তাঁদের সাথে আছি। আমি আমার সর্বোচ্চ সাহায্য তাদের করব - নিজের বাসায় ফিরে একদিন নিজের দেশের তৈরী কার্টুন না দেখে আমি মরতে চাচ্ছি না।

পুনশচঃ যারা আমার ইনফোগ্রাফিক টাইপ ওপরের কার্টুনটা দেখে মনে মনে ভাবছেন সবই তো বুঝলাম, কিন্তু ডৃম প্রজেক্ট এর টাকা কোত্থেকে আসবে? তাদের জন্যে বলি- টাকা দেবে ভুতে। বিশ্বাস না হলেযেই দুজনের কথা ব্রাকেটে বলেছিলাম - সত্যজিত রায়, আর বিল ওয়াটারসন- তাদের জীবনী পড়েন তারা রীতিমত ধার দেনা করে তাদের প্রজেক্ট করেছেন। ওই পরিমাণ ডেডিকেশন আর সাহস না থাকলে অবশ্য বিজ্ঞাপনের 'শুয়ে থাকুন' লাইনটাই ভাল- ছেলেমেয়ের চিকেন ব্রোস্ট খাওয়া আর ইংলিশ মিডিয়াম পড়া নিয়ে অন্তত চিন্তা থাকবে না আর।

December 01, 2014

Comics project Covers Done!


সেই বইগুলির কভার শেষ হল।

November 30, 2014

বিদায় চৌকা


কাইয়ূম চৌধুরী মারা গেছেন, আজ রাতে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এ বক্তব্য রাখার এক পর্যায়ে উনি মঞ্চেই পড়ে যান, হাসপাতালে নেবার পর তাঁকে মৃত ঘোষোণা করা হয়। আশি বছর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ্য ও কর্মক্ষমভাবে কাজ করে যাওয়া এই 'সেইজ' প্রজাতির মানুষটির অকাল মৃত্যু হয়েছে এটা বলা যাবে না। কিন্তু কী এক বিষন্ন কারণে খুব অস্থির লাগছে। স্যারের সাথে একদিনই কথা বলার সুযোগ হয়েছিলো। আমাদের কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশনের প্রথম প্রদর্শনীতে আমাদের অন্যতম উপদেষ্টা র'নবী স্যারের বাসায় গিয়ে জানতে চাই উনি উদ্বোধন করবেন কি না। জবাবে উনি বলেন সবচেয়ে ভাল হয় 'কাইয়ূম ভাই' করলে। আমি মনে মনে বলি তাহলে তো খুবই ভালো হয়, র'নবী স্যার ফোন দিলেন- কাইয়ূম ভাই, তরুণ কার্টুনিস্টরা একটা এসোসিয়েশন করেছে, আপনি কি ওদের প্রথম প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করতে পারবেন?' এ পাশের কথা থেকে বোঝা গেলো উনি এক কথায় রাজী। ফোন রেখে র'নবী স্যার জানালেন তোমরা হয়ত জানো না, কাইয়ূম ভাইও কিন্তু 'চৌকা' নামে কার্টুন এঁকেছেন আগে, চৌধুরীর 'চৌ' আর কাইয়ূমের 'কা' মিলে চৌকা।
২০১০ সালে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে তরুণ কার্টুনিস্টদের সামনে উপবিষ্ট বাঁ থেকে শিশির ভট্টাচার্য,
রফিকুন নবী, কাইয়ূম চৌধুরী ও আহসান হাবীব
প্রদর্শনীর দিন সবার আগে উনি এসে হাজির, আমরা বিব্রত কারণ 'তরুণ' কার্টুনিস্টদের অনেকেই আমরা আসতে পারি নি। যাই হোক, তাতে ওনার কোন সমস্যা নেই। খুবই সহজ স্বাভাবিক এই মানুষটা ঘুরে ঘুরে আমাদের অকিঞ্চিতকর কার্টুন গুলি দেখতে লাগলেন। আর সে সময়ে আর কেউ ধারে কাছে না থাকায় আমি সাথে সাথে ঘরতে থাকি । তখন টুকটাক কথা হয়। মহৎ মানুষগুলির একটা কমন চরিত্র দেখি তাঁরা এতই অবিশ্বাস্য রকম সাধারণ যে না জানলে বোঝা যায় না এঁদের আসল মাপ।

এই মানুষগুলি একজন একজন করে চলে যায় আর আমি ভাবি- এই মানুষগুলির কোন রিপ্লেস কি আদৌ আছে? এই ব্যচটা যারা বাংলাদেশকে হতে দেখেছেন, যারা একটা ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে আবার শুরু করেছিলেন, এই লোক গুলি কি আর হওয়া সম্ভব? বাংলাদেশের গ্রাফিক জগত মোটামুটী এক হাতে আরেক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই গুরুকে সালাম। ভালো থাকুন
যেখানেই থাকুন।

November 28, 2014

Comics Comics Comics

বার্গার বাড়ির কনসেপ্ট আর্ট
গত ২৫ দিনে আমরা ৬ জন কমিক্স আঁকিয়ে ৬ টা কমিক্স নামিয়ে দিয়েছি। প্রজেক্টটা ছিল সরকারী পুষ্টি অধিদফতরের। শিশুদের জন্যে স্বাস্থ্য আর পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছানোই ছিল উদ্দেশ্য।  সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রোমেন (ডঃ রোমেন রায়হান আমার মতে বাংলাদেশের সর্বশেষ জীবিত ছড়াগদ্যকার, আজকাল কাউকেই দুই পাতা জুড়ে একটা বড় ছড়া না ঝুলিয়ে লিখে যেতে দেখি না, এর আগে ছিলেন আবদার রশীদ।) ভাই দ্য গ্রেইট। উনার প্রশ্রয়ে আমরা যা ইচ্ছা তাই ফ্যান্টাসি মিলিয়ে কমিক্স নামিয়ে দিয়েছি। আশার কথা এটা বাংলাদেশব্যাপী ছড়িয়ে যাবে, আর এর ক্রেডিট লাইন এ নাম যাবে ঢাকা কমিক্স এর। ব্র্যান্ডের জন্যে এটা একটা বড় পাওয়া। পুষ্টি অধিদফতরের অনুমতি সাপেক্ষে কমিক্স গুলে আমি এই ব্লগেই ফৃ তুলে দিতে চাচ্ছি। দেখা যাক কালকের মিটিং এ তাঁরা কী বলে|


November 26, 2014

ভিভিয়ান


নেট ঘাঁটার ফাঁকে দারুণ সারপ্রাইজ, গত বছর লন্ডনে ভিভিয়ান নামের এই চিল্ড্রেন বুক ইলাস্ট্রেটর এর সাথে দেখা হয়েছিলো। বেশ ভাল লেগেছিল তার কাজ, এত মজার কন্সেপ্ট। একটা কমিক্স সে করেছে বিরাট সাইজ যার মূল আইডিয়াটা এমন যে কেউ যদি (মানে কোন পিচ্চি আর কি) দুঃস্বপ্ন দেখে তবে সেটার বর্ণনা লিখে বালিশের নীচে রেখে ঘুমালে একটা র‍্যাবিট আর ভাল্লুক (আসলে মনে নাই এইটাইপ কিছু গুগল করে দেখি আবার) এসে সেটা পড়ে নাইটমেয়ার বাস্টার হিসেবে কাজ করে, মানে তারা দুঃস্বপ্নের মধ্যে ঢুকে ওই ভিকটিম কে সাহায্য করে। অসাধারণ লাগলো আমার আইডিয়াটা। ওইসময় বেচারী নিজের ঘরের কিছু সংস্কার করছিল, নতুন করে রঙ করছিলো, গায়ের এখানে ওখানে রঙ লেগে ছিল দেখে জিজ্ঞেস করতেই বল্ল বাসা রঙ করি (আমরা নিজের নিজে বাসা রঙ করাটা অনেক অপমানের মনে করি), তখন ধুপ ধাপ করে এই ক্যারিকেচারটা করে দিয়েছিলাম, আজ দেখি সে তার ব্লগে সেটা তুলে রেখেছে। 

November 12, 2014

রেডিও স্বাধীন আর উন্মাদ-জেসিসি কমিকন ২০১৪

দারুণ একটা সেশন কাটিয়ে এলাম আজ রেডিও স্বাধীন এ। বিষয়বস্তু উন্মাদ-জেসিসি কমিকন ২০১৪। সাথে ছিলেন গ্রেট জামিল ভাই (ছবিতে সবার ডানে) ইফাদ এর ইফতেখার ভাই, আর আর.জে. কাজরিয়া কায়েস। কেন কমিকন কেন উন্মাদ, কেন ইফাদ ইত্যাদি নিয়ে কথাবার্তা হল। জীবদ্দশায় চারিদিকে কার্টুন কমিক্স নিয়ে রীতিমত সাক্ষাতকার দিয়ে ঘুরতে হবে এটা সত্যি ভাবি নাই। যাই হোক, কাজের কথা হল কাল দুপুর ২টা থেকে গুলশানের শ্যুটিং ক্লাব এ শুরু হতে যাচ্ছে এ বছরের কমিককন, মানে কিনা কমিক্স কনভেঞ্জশন। উন্মাদ এর সাথে জোট বেঁধে জামিল'স কমিক্স এর জামিল ভাই এই আয়োজন করেছেন। এই ভদ্রলোককে আমার বেশ পছন্দ। একই সাথে কমিক্স পাগল আর ঠাণ্ডা মাথার ব্যবসায়ী বুদ্ধিওয়ালা মানুষ আর তিনি আবার ভদ্র- এটা সত্যি রেয়ার।
যাই হোক, কমিককন এ আমাদের ঢাকা কমিক্স এর নতুন আকর্ষণ হিসেবে থাকবে এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ!
এখান থেকেও নামাতে পারেন চাইলে (প্রচারেই প্রসার )

November 08, 2014

Bloop Animation Film Festival 2014

কাল একটা এনিমেশন ফেস্টিভ্যালের সমাপ্তি অনুষ্ঠান এ রীতিমতন বক্তৃতা দেবার দাওয়াত পেলাম। মজাই লাগছে! সাথে থাকবেন বস, রানা ভাই, শিশির'দা, নোটন ভাই এবং আশা করি সব্যদা'। লাইফ ইজ গুড।

November 05, 2014

উন্মাদ-জেসিসি কমিক- ডেইলি স্টারের সাথে আড্ডা

বাম থেকে- জামিল ভাই দ্য গ্রেট (জামিল'স কমিক্স এর জামিল ভাই! এই মানুষটাকে আমার বেশ পছন্দ, নিপাট ভদ্রলোক এবং যা বলেন তাই করেন, ঢাকা কমিক্স আর উন্মাদ এর একজন বিরাট শুভাকাংখী)। মিকো ভাই (আর্কিটেক্ট- কমিকনেরও আর্কিটেক্ট বলা যায়) আর আমি (এটা বলে দিতে হল কারণ আমি-ই চিনি নাই। খোদার খাসী মনে হচ্ছে। এই ছবি দেখার পরে থেকে আবার হাতির ঝিল হেঁটে পার করছি প্রতিদিন।)
আজকের ডেইলিস্টার এর SHOUT এ বের হওয়া আমাদের আড্ডা অন কমিকন পড়তে ক্লিক করুন এখানে

November 02, 2014

গুরু

এই লোকটা দারুণ! আর এই লোকটা হিস্টোরি!

November 01, 2014

গ্যাটিস


নিউ এইজ এর বিজনেস পেইজের মিঠু ভাইয়ের জন্যে মাঝে মাঝেই কিছু 'গ্যাটিস' (filler) আঁকতে হয়। সেখান থেকে এক পিস।

October 30, 2014

new brushes doodle






কিছু পুরোনো ব্রাশ নতুন করে ঘাঁটছি। ব্রাশ ইজ ফান :D

October 29, 2014

ভিডিও সেলফি







২০১৩'র জানুয়ারিতে অর্ণব আমার কিছু মিনি সাক্ষাতকার নিয়েছিল জেনারেশন বাংলাদেশ এর জন্যে। নিজের সাইট গোছাতে গিয়ে ইয়ুটিউব এ একগাদা ক্লিপ খুঁজে পেলাম। কি সব উলটাপালটা বলেছি দেখে এখন আজব লাগছে। যাই হোক, জেনারেশন বাংলাদেশের সেই সেট থেকে দুইটা ক্লিপ শেয়ার করা যাক।
ইন্টারভিউটা নেয়া হয়েছে আমার নিউ এইজ অফিসের ডেস্ক এ। পেছনে দেখা যাচ্ছে সেই ট্রাডিশনাল আমলের লাইট ট্রেস টেবিল।

October 28, 2014

উন্মাদের আঁকার বোর্ড

এটা আমার উন্মাদ ম্যাগাজিনে বসে আঁকার বোর্ড, উন্মাদ অফিসে বসে আগে প্রায় পুরো আর্টিকেলই নামিয়ে দিতাম। এখন ইন্টারনেটের যুগে বাসায় বসে জিমেইল এ এটাচান্তে সেটা সেন্ড বাটন টিপে দেয়াই হয় বেশী।
এই হার্ডবোর্ডটার একটা মজার ইতিহাস আছে। বেশীক্ষণ কোথাও বসে থাকলেই আমার আঁকার জন্যে হাত নিশপিশ করে। বিশেষ করে যদি আশেপাশে গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক আলাপ চলে তখন। উন্মাদে মাঝে মাঝেই তাই এই টাইপ আঁকিবুকি করা হয়। কিন্তু সমস্যা হল সেইসব যা-তা খসড়া টাইপ ড্রয়িং হঠাত হঠাত উন্মাদের পাতায় ছাপা হয়ে যায়। বস আহসান হাবীব সেইগুইলি-ই কোথাও না কোথাও দিয়ে দ্যান। তাঁর যুক্তি হল- পড়েই তো ছিলো কাজে লাগিয়ে দিলাম। কিন্তু সেগুলি এতই বাজে রকমের কাঁচা ড্রয়িং যে দেখে ভীষণ মন খারাপ লাগতো। এর পরেও এটা যখন চলতেই থাকলো তখন আমি এই বুদ্ধি নিলাম, আঁকা শুরু করলাম বোর্ডটায়।
মোটামুটি হ্যাপী- বসকে জব্দ করা গেছে।

কিন্তু 'হা-হতোস্মি' বস সেই কালা বোর্ডটা স্ক্যান করে ডাস্ট ক্লিন করে এটা থেকেও আর্টকেল বের করেছেন! (এই না হলে তিনি বস!)
এবারে আমার হাবিজাবি আঁকাই থামালাম, বরং তার চেয়ে এখন আঁকা পেলে গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক আলাপ শুরু করে দেই।

(ছবিটা উন্মাদের নতুন আঁকিয়ে অয়ন এর ফেসবুক পেইজ থেক নেয়া)

October 27, 2014

হারানো প্রজেক্ট



ভয়ানক মেজাজ গরম, কারণ আমার প্রথম বাচ্চাদের জন্যে লেখা গল্প 'শিকারী লুলেং' এর জন্য করা ড্রয়িং এর কোনটাই খঁজে পাচ্ছি না। শুধু ফেইসবুক এ আপ্লোড করা স্ন্যাপশট গুলি আছে। আবার সব কিভাবে আঁকবো জানি না। খুব সম্ভব পিসি খালি করতে গিয়ে অপ্রোয়োজনীয় মনেকরে ডিলিট করে দিয়েছি ফোল্ডারটা।

October 26, 2014

How to train your...

রস+আলো'র জন্যে আঁকা কভার। আজকে বের হল। পুরোটাই হাউ টু ট্রেইন ইউর ড্রাগন টু এর পোস্টার থেকে করা। অর্থাৎ কোন পেন্সিলিং করা লাগে নি এখানে। খেয়াল করছি ইদানীং আবার ড্রয়িং এ ডিটেইল করার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে :/
মূল কভার এখানে

নতুন কমিক্স চলছে

একটা মজাদার  কমিক্স প্রজেক্ট এ কাজ করছি অনেকে মিলে। সেখান থেকে একটা স্ন্যাপ।

October 23, 2014

Random edits

বিভিন্ন সময়ে অনেকের ইনবক্স এ এডিট পাঠাই। কখনো নিজে নিজেই ইচ্ছা করে আবার কখনো কেউ কেউ চেয়ে নেয়। মনে হল সেগুলি মাঝে মাঝে এখানেও দেয়া যেতে পারে-  আজকে Azizee Fawmi Khan র জন্যে করা।





আরো কিছু

October 22, 2014

চাঁদের বুড়ি


খুব সম্ভব এই ব্লগে এটা পোস্ট করা হয়নি। আঁকান্তিস এর ফেইসবুক পেইজ এর জন্যে করা কনসেপ্ট আর্ট 'চাঁদের বুড়ি'। শেষে গিয়ে যথারীতি গুলিয়ে ফেলেছি।

October 15, 2014

Stduy: Dhaka


ঢাকা শহরের বেশ কিছু র‍্যান্ডম ছবি তুলে দেখে দেখে আঁকছি, আমাদের কমিক্স এর সবচেয়ে বড় দূর্বলতা হল ব্যাকগ্রাউন্ড, আমাদের নিজেদের দৃশ্যপট আমরা সেভাবে খেয়ালই করি না।

October 14, 2014

new project for Toi Toi

রোমেন ভাইয়ের প্রকাশনা 'টই টই' এর জন্যে ড্রাফট। ছোটদের বইয়ের প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড (মূলতঃ প্রডাক্ট ম্যাটেরিয়াল ও বুক ডিজাইন) পালটে দিয়ে ইতিমধ্যে বেড়িয়েছে তাঁদের প্রথম বই 'সারাবেলা টই টই' আগ্রহীদের সংগ্রহ করতে বলা গেলো।

October 09, 2014

Finally my site :)


Finally my site is coming. www.mehedihaque.com  It took me almost 6 months to calibrate and still incomplete :? Seems like web developers of Bangladesh are the worst possible professionals. Pissed off :/  

September 29, 2014

রস+আলো

ফাইনাল ড্রয়িং। রস+আলো'র প্রচ্ছদ এর জন্যে আঁকা। চারপেয়ে আঁকতে গেলে বোঝা যায় কত কাঁচা হাতে আঁকি। আসলে ফোর লেগ আঁকা কম হয়। গত কিছু দিন তাই আবার ফোর লেগ ঝালিয়ে নেবার চেষ্টা করলাম। খুব একটা লাভ হল না :/ 

September 27, 2014

Doodle

It's almost impossible to keep the original spirit of the first doodle at the final INK phase :/ . (Drawing for a fun supplementary cover)


September 26, 2014

Busy with- Nothing :)

এ ক'দিন কিছু ফৃল্যান্সিং (নিম্ফিয়া, জি আই জেড) করলাম, আর করলাম জমে থাকা কিছু রিকোয়েস্টের কাজ :) লাইফ ইজ গুড।


September 21, 2014

Study

এমনি কিছু ক্যারেক্টার আঁকছি। দেশী মোটীফ ডানবাম করে।  ফিগারের ফর্ম টেঁপা পুতুল থেকে নেয়া আর রাজকন্যা অনুরাধার ড্রেস আসলে রিক্সার অর্নামেন্টাল থেকে নেয়া। মজা পেলাম কাজটা করে।



September 14, 2014

Finally! Nihilin ! :)


অবশেষে আমার নিজের কমিক্স নিহিলিনের গল্পে আবার হাত দিলাম। যেই হারে মাথায় গল্প আর দৃশ্যপট আসছে- সেই হারে যদি অটোমেটিক কমিক্স নেমে যেত- আহা!