May 06, 2020

কিশোর বাংলার ইলাস্ট্রেশন


ফাইনালি নিহিলিনের একটা বড় গল্প লিখলাম কিশোর বাংলার ঈদ সংখ্যার জন্যে। এখন আঁকি। নিজেই লিখে নিজেই আঁকার একটা আলাদা মজা আছে টের পাচ্ছি।

জসীম ভাই: স্টাডি


স্টাডি চলছে, মাসল গদগদে শজোনিগার ভাইএর পর এবারে আমাদের ১০০% দিশী জসিম ভাই। কালারে যাবার সাহস হয় না ইদানিং। যতই শিখছি, কনফিডেন্স কমছে আর কাজও পঁচা  হচ্ছে, হাহাহা।

May 04, 2020

Pose study, angel of Verdun

রেগুলার স্টাডি চলছে, এখন একেবারেই ক্লিশে যত পোজ টোজ আছে তা রপ্ত করার একটা চেষ্টা করছি, এটা Edge of tomorrow তে Emily blunt এর একটা পোজ থেকে আঁকার চেষ্টা, মুভিটা বেশ পছন্দের আমার। 

May 02, 2020

Coronacature, করোনাক্যাচার

MAD ম্যাগাজিনের প্রিয় আর্টিস্ট টম রিচমন্ড এই বন্দী সময়ে ক্যারিকেচারিস্টদের জন্যে একটা দৈনিক ক্যারিকেচার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। নাম করোনাক্যাচার। প্রতিদিন বেশ ইন্টারেস্টিং চেহারার কারো ছবি পোস্ট করা হয় ফেইসবুকের ওই গ্রুপে, তার পর যে তাকে যেভাবে আঁকে। কাল ছিল এমিলি ব্লান্ট। আঁকতে গিয়ে বেড়াছেড়া। খেয়াল করেছি যখনই স্টাডি বাড়াই আঁকা পঁচা হয়। হাহা। সম্ভবত স্টাডিতে যা যা দেখি সব আনতে চাই, আসে না, মাঝে দিয়ে লাইকনেস টাইকনেস চলে যায়। যাই হোক, যত পঁচাই হোক এই বছর কাজ কমপ্লিট করছি প্ল্যান মত।

স্টাডি: সজনিগার ভাই

রেফারেন্স ছিলেন সজনিগার ভাই।
এনাটমি স্টাডি করছি আবার, বেশ কিছু জায়গায় গোঁজামিল দিতাম সেগুলি ধরে ধরে করার চেষ্টা করছি। সদ্য প্রয়াত কার্টুন মাস্টার মর্ট ড্রেকার বলেছেন
- কিছু একটা নিয়ে ভেজাল লাগলে সেটা এড়িয়ো না। যেমন হাত আঁকতে সমস্যা তার মানে হাতকে পকেটে ঢুকিয়ে বা গায়ের পেছনে পাঠিয়ে দিয়ে কাজ সেরো না। ভেজালের জায়গাটা খুঁজে বের করো, এর পর সরাসরি আক্রমণ করো আঁকতে আঁকতে, স্টাডি করতে করতে সেটা শেষ করে ফেলো!
স্টাডি করছি, কিন্তু কেন জানি মনে হচ্ছে আরো প্যাঁচ লাগিয়ে ফেলছি। আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে। তবে গুরুর কথা ফেলবো না, আক্রমণ চলবে। 

May 01, 2020

Ransomware Attack and MUKU Comics: মুকু কমিক্স

করোনার টাইম আউট পিরিয়ডে কাজ চলছে যাকে বলে- ধুমায়ে। তপবে মাঝে হঠাত এক আজব ব্যাপার ঘটে গেল, পিসির সব ড্রাইভের সব ফোলডারে দেখি একোটা এক্সটেনশন তৈরী হয়েছে .mpaj নামে, এবং কোন ফাইল বা ফোল্ডারই খুলছে না। ঘাঁটাঘাঁটি করে জানা গেল এর নাম র‍্যানসমওয়ার! মানে কিনা ভাইরাস দিয়ে অন্যের পিসির সব ডেটা লক করে টাকা চাওয়া ভাইরাস। এবং সব ফোল্ডারে রীতিমতন একটা মুক্তিপণের চিঠি। ভাষা এরকম-

হে পিসির মালিক, ভয় পাইও না, টেকা দিলেই তোমার সব কিছু ফিরায়ে দেয়া হইবে।


এইরকম আজব সমস্যায় আগে পড়ি নি। আমার বন্ধু বান্ধব যারা এইসব এথিক্যাল হ্যাকিং বা কম্পিউটার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করে তাদের জিজ্ঞেস করায় একজন (সজীব) বলল- আল্লা আল্লা কর। আরেকজন (আফতাব) বলল মুক্তিপণ দাবীকারীদের কে একটা পায়ে ধরা টাইপের ইমেইল দিতে, যে I poor cartoonist from Bangladesh, please give back my data, এরকম ছ্যাঁচড়া টাইপ। এতে নাকি অনেক সময় কাজ হয়। যা বুঝলাম, কিছু করার নাই আর। তবে আমার জরুরী ফাইল সব গুগল ড্রাইভ আর ড্রপবক্সে থাকে বলে রক্ষা। মুক্তিপণ চাহিয়া র‍্যানসমওয়ালাদের চিঠির কোন জবাব দিলাম না, (তারা আবার টাকা চায় বিটকয়েনে, সে আরেক রহস্যময় ব্যাপার।)। যাই হোক, এতে করে আমার কমিক্স মুকু, আর একটা এনিমেশন প্রজেক্টের প্রায় এক সপ্তাহের কাজ খালি নেই হয়ে গেছে, মানে আবার করতে হবে। তবে আমার এগুলিতে অভ্যাস আছে। এক কমিক্সের বই তিনবার করার পর সেটা হারিয়ে ফেলার অভিজ্ঞতাও আছে তাই কিছুই ভয় পাই না।  যা আছে কপালে ভেবে আবার শুরু করলাম, এবং দেখলাম আজব কিছু  পজিটিভ জিনিস ঘটেছে  যেগুলি আগে খেয়ালই করিনি-

১. কম্পিউটারের গিগা গিগা যেসব তথ্য খুব গুরুত্বপুর্ন ভাবতাম (আসলে ফোল্ডারগুলি না খুললে সেগুলি যে আছে তাই মনে পড়ে না এমনিতে) সেগুলি অত গুরুত্বপুর্ণ না। বরং সেগুলো ঘাঁটতে গেলে সময় নষ্ট হত অযথাই।

২. পিসি উদ্ধারে উইন্ডোজ নতুন করে দিতে গিয়ে কিভাবে পেন ড্রাইভ বুট করে তা শেখা হয়ে গেছে।

৩. পিসি গত চার বছরে অনেক স্লো হয়ে গিয়েছিলো এখন একেবারে দুর্দান্ত ফাস্ট ও নতুন সব আপডেটেড সফটওয়ার ইন্সটল করা হয়েছে।

৪। এবং ফাইনালি- যেসব কাজ দ্বিতীয়বার করছি তা আগের চেয়ে অনেক ভালো হচ্ছে, মুকুর গল্পের একোটা রাম গিট্টু অনায়াসেই ছুটে গেছে।

ভাবছি র‍্যানসমওয়ারের লোকগুলোকে মেইল পাঠাবো- thank you for locking my data- big help.

নতুন করে আঁকা মুকুর ৩৫ নম্বর পেইজ

পেইজ ৩৬

জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...