September 12, 2015

মাউস এ আঁকা

আঁকান্তিস গ্রুপ এ একজন পোস্ট দিল সে মাউস এ কিভাবে আঁকবে সেটা বুঝতে পারছে না। আসলে মাউস আঁকার কোন জিনিস না। যেটা করা যায় সেটা হল হাতে এঁকে (পেন্সিল কলম) স্ক্যান করে বা ছবি তুলে সেটা মাউস এ কালার করা। দুনিয়ার প্রথমদিকের সব ডিজিটাল ড্রয়িং মোটামুটী এভাবেই করা হত। তাও তাকে কিছুটা দেখিয়ে দেয়া যায় কি না ভেবে এই কুইক টিউটোরিয়াল
তার কাজটার ওপর পেন টুল দিয়ে পাথ করে একটা সিলেকশন করে সেটা ফিল করলাম।
অন্য লেয়ার এ করে সেটা মাল্টিপ্লাই মোড এ নিয়েছি যাতে নীচের রাফ ড্রয়িংটা দেখা যায়-
এই রাফ ড্রয়িংটা অন্তত হতে কলমে করাই ভাল।

এবারে লেয়ার এর উপরে ট্রান্সপারেন্সি লক বলে একটা বাটন আছে সেটা ক্লিক করলাম।
এটা অন করলে সেই লেয়ার এর একমাত্র ড্রয়িং যট্টুকুতে করা হয়েছে সেটা বাদে বাকি যতটুকু ট্রান্সপারেন্ট সেটা ইন
একটিভ হয় যায়, ফলে যত ইচ্ছা আঁকেন মূল আঁকার বাইরেরে সাদা অংশে দাগ পড়বে না। ডিজিটাল পেইন্ট এর জন্যে দারুণ জিনিস।

যে কোন কালার ফিল (Alt+backspace) করলাম

গ্রেডিয়েন্ট টুল (G) নিলাম এটায় একটা সমস্যা বাই ডিফল্ট থাকে সেটা হল একদিকে সিলেক্টেড রংটা থাকলেও
অন্য দিকের টোনটা থাকে সাদা, এটা এড়াতে টুলটা সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এন্টার চাপুন প্রথম সারির দ্বিতীয়টা সিলেক্ট করুন।

মাউস এ আঁকা (জানটা শেষ)

Fun cartoon

Done this cartoon on recent VAT imposing on private university session fee. Loved done the mosquito like character.
Mangastudio ex 4

September 10, 2015

দিনভর আঁকিবুকি

প্রায় সারাদিনই আঁকলাম, কারণ আজ আমার ডে অফ :)
সেই গ্রুপ ক্যারিকেচার ডান


সেই সাথে প্রাইভেট ভার্সিটির শিক্ষার ওপর বসানো ৭.৫% শিক্ষা কর এর প্রতিবাদে রামপুরা আফতাবনগর এর ইস্ট ওয়েস্ট ভার্সিটি শিক্ষার্থীদের ওপর গুলিবর্ষণ এর ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে এই দুইটা কার্টুন আঁকলাম। যা- তা অবস্থা আসলে।

September 08, 2015

Heroweek: AKANTIS


আঁকান্তিস এ চলছে Heroweek, যে যার ছোটোবেলার হিরো আঁকবে। 
আমার ছোটবেলার হিরো টারজান (রেফারেন্স থেকে অলমোস্ট ট্রেস করে আঁকা) - ইত্তেফাক এর থার্ড পেইজ এ টারজানের স্টৃপ বের হত। দেখে দেখে ইকোনো ডিএক্স দিয়ে সেটা নিউজপৃন্ট এর প্যাড এ প্রায় প্রতিদিন আঁকতাম। সেই থেকেই ড্রয়িং করার আগ্রহ শুরু। আমার জীবনের দেখা অন্যতম গ্রেট এই স্ট্রিপ এর আঁকিয়ে রাসেল জর্জ ম্যানিং (রাস ম্যানিং) ইদানীং যতই ঘাঁটছি ততই বুঝতে পারছি কি অসাধারণ আঁকিয়ে ছিলেন তিনি। একমাত্র ফ্র্যাংক ফ্রাজেত্তার আঁকাকেই এর ধারে কাছে বিবেচনা করা যায়। আগ্রহীরা ঘুরে আসুন তাঁর আর্কাইভ http://www.erbzine.com/mag8/0830.html
( আমার ছোটবেলার প্রথম হিরো আসলে রাস ম্যানিং।)

দাদু-নাদু এনিমেশন!

এনিমেশন এর কাজ চলে দাদু-নাদু'র
ফিলিং ঠু এক্সাইটেড
পরে ডিটেইল আসতেসে






September 07, 2015

হেল বিজি

কাজ করি
আজকের কাজ তালিকা

১. কোরবানী ঈদ ইলাস্ট্রেশন ফর অনন্যা ঈদ ম্যাগাজিন (আজ সকালে শেষ করলাম )
২. দাদু-নাদু এনিমেশন এনভায়রন্মেন্ট ও ক্যারেক্টার ডিজাইন (চলবে এই সপ্তাহে পুরাটা)
৩. সি কে জাকি কমিক্স এর শংখলা সিরিজের প্রথমটার ডায়ালগ (চলবে)
৪. একটা চিকেন ক্যারেক্টার ডিজাইন উইথ ইউনিভার্স (প্রথম ধাপ শেষ)
৫. টই টই এর বই টই (রোমেন ভাই যে কোন দিন মাইর দিতে পারে, পুরাটা এঁকে একবার হারাইসি) (চলবে)
৬. একটা লোগো (শেষ, একটু এডিট)
৭. গ্রুপ ক্যারিকেচার (শেষ)
৮. কাপল ক্যারিকেচার (শেষ)
৯. নিউ এইজ এ পলিটিক্যাল কার্টুন (এখনো জানি না কী আঁকবো)
১০. প্রতি রাত এ রুহান রুহান ৩ এর এক পৃষ্ঠা ইংক (এসে করব)
গ্রুপ ড্রাফট

রুহান রুহান ০৩

অনন্যা ঈদ ইস্যু- হাফ ডান

রিজেক্টেড

রিজেক্টেড

এডিট চলছে

রুহান রুহান ৩ এর একটা সাইকো ক্যারেক্টার

September 02, 2015

শর্টকাট এ এনভায়রনমেন্ট পেইন্ট

আমি আসলে এই জিনিস পারি না, তাই সেটা সহজে করার একটা টেকনিক বের করেছি। এটাই একমাত্র উপায় না নিশ্চই, এবং বছর পাঁচেক পরেও যে আমি এভাবে আঁকব তার কোন নিশ্চয়তা নেই, তাও টেকনিকটা এখানে তুলে রাখা যাক, কারো কাজে লাগতে পারে।
প্রথমে একটা হালকা রঙ পুরো ক্যানভাসে ফিল মারা হ্ল।

এবারে সবচেয়ে ফাঁকির ধাপ, কয়েক দিকে বড় বড় কিছু ফর্ম এঁকে 'আটকানো হল' কম্পোজিশন।
এটা কিভাবে কোনদিকে দেব সেটা বুঝতে হলে কিছু ভাল কনসেপ্ট আর্ট দেখে
আগে এই বড় ফর্মগুলি বের করলে ভালো। বেশিরভাগ এনভায়রনমেন্ট এ দুই কোণা দিয়ে
কিছু এমন আন্তাজমারি জিনিস থাকে। ভাঙ্গা দালান, পাহাড়, গাছ ইত্যাদি। আসলে এটা দিয়েই মূল আঁকার কাজ
কমায়ে আনা যায়, এই পার্ট টা আমি খুব এনজয় করি। বিগ ফর্ম চাংক কই হবে সেটা ভালভাবে প্লেস করলেই কাজ
হাতে চলে আসে নীচে কিছু উদাহরণ দেই 
খুব একটা সুবিধার হল না যদিও তবে বোঝানোর চেষ্টা করা হল যে আসলে অনেক ডিটেইল যেই 
পার্টগুলি আমাদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয় সেগুলি  আসলে প্রথমের সেই বড় কিছু ফর্ম।


এবারে মাঝামাঝি একটা টোন দিলাম, এটাকে বলা যাক মিডগ্রাউন্ড, পিছনে ব্যাকগ্রাউন্ড
সামনে ফোরগ্রাউন্ড, মাঝে মিডগ্রাউন্ড

মিডগ্রাউন্ড এ কিছু মানুষ টাইপ জিনিস বসালাম। এনভায়রন্মেন্ট এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাপার হল হিউম্যান স্কেল, মানে যা আঁকছি সেটা মানুষের তুলনায় কত বড় সেটা বোঝানো জরুরি। সামনে বড় করে সাবজেক্ট আঁকা থাকলেও আমার মতে পেছনের দিকে কিছু ছোট করে মানুষ এঁকে স্কেল পার্স্পেক্টিভটা বোঝানো দরকার

একেবারে পেছনে কিছু সেকেন্ডারি ফর্ম। এই পার্ট টা বোঝা জরুরি। কারণ এইগুলি মূল ঝামেলাটা পাকায়। 
পেইন্টিং দেখলে মনে হয়, অরে বাপ- কি ডিটেইল। আসলে এই পিছনের ফর্ম গুলির ভ্যালু হহয় লো, আর ডিটেইল আরো কম।
কিন্তু এটা একটা ভিজ্যুয়াল চালাকি তৈরী করে। মনে হয় না জানি কত ডিটেইল। এই পার্ট টায় তাই খুব বেশী
সময় না দিয়ে কিছু গ্রেডিয়েন্ট টেক্সচার মেরে একটা এসেন্স দিয়ে ছেড়ে দেয়াই ভাল।

আমার মতে সব টেকনিক ছাপিয়ে যে কোন আর্ট ওয়ার্কের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট- ছবি দিয়ে একটা স্টোরি বলা।
সামনের পাথর (বা যাই হোক সেটা) এর ওপর একজন মানুষের দুই পা দেয়া হল। হাতে তরবারী। অলরেডি কিন্তু
দর্শকদের মধ্যে ঘটনাটা কী জানার আগ্রহ তৈরী হয়ে গেলো। সামনে যারা আসছে তারা কারা? এই লোকটা কে?
এখন কি যুদ্ধ শুরু হবে? নাকি এরা একই দলের? ড্রয়িং যতই ভাল হোক সেটা 
একটা স্টোরি বলার চেষ্টা না করলে আসলে তার গুরুত্ব অনেক কমে যায়।

এবারে কিছু র‍্যানডম গ্রেডিয়েন্ট (খেয়াল করুন পেছনে কিন্তু এমনি কিছু কানেক্টিং
ডালপালা আঁকা হয়েছে জামানোর জন্যে)

এবারে ডিজিটাল মিডিয়ার সুবিধা নিলাম, কালার পাল্টে নিলাম 
(Ctrl+U চাপুন আর স্লাইডার ডান বাম করে বুঝে নিন) সাথে কিছু পাথর টাইপ টেক্সচার

আমার একগাদা গাছের ব্রাশ নামানো আছে গুগল থেকে, সেটা দিয়ে কয়েকটা ক্যাকটাস বসিয়ে দিলাম।
ব্যস!

ট্র্যাডিশনালিও কাজগুলি এভাবেই করে, চাইলে JOHN NAVAREZ এর কিছু পেন্সিল এ করা এনভায়রনমেন্ট থাম্বনেইল দেখতে পারেন।

চায়না টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...