October 14, 2013

প্রথম টাইম ল্যাপ্স আঁকান্তিস :D

নতুন পিসি তে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত একমাত্র ভাল জিনিষ, সেটা হল স্কৃন ক্যাপচার সফটয়্যারগুলি ঠিকঠাক চলছে। এবার আমার টিউটো ভিডিওর জ্বালায় ইউটিউব আর ই ব্লগারকে আপ্লোডে ট্যাক্স বসাতে হবে।

October 11, 2013

কুফা প্রজেক্ট

এই একটা কমিক্স গত তিন মাস ধরে করেও শেষ করা যাচ্ছে না। একেকবার একেক সমস্যা হয়, শেষ যেটা হল সেটা ছিল- আমার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ (ব্যাকাপ ড্রাইভ সহ) ক্র্যাশ করা। খুঁজে পেতে পাওয়া গেল হাফ ডান একটা পিডিএফ ফাইল। বলতে গেলে গোটাটাই আবার আঁকতে হল। আজ শেষ করলাম। আশা করি ঈদের পরেই ঢাকা কমিকনে রিলিজ পেতে যাচ্ছে সাই-ফাই টাইপ গল্প রিশাদ-১। গল্প ভাবনায় ছিল নাভিদ হোসাইন নামের একেবারে বাচ্চা একটা ছেলে, আর আঁকায় সহযোগিতা করেছে রাতুল আসিফ, এ সময়ের অন্যতম প্রমিজিং আঁকিয়ে। আশা করি কুফান্তিস কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত খারাপ হবে না কমিক্স টা- আপাতত এই, পরে বিস্তারিত।

September 26, 2013

আসিফ কবীর চৌধুরী


ঢাকা কমিক্স ডাইজেস্টের কাজ করছি, মাহবুব ভাই আর আমি মুখ চোখ শক্ত করে প্রতিদিন গেটাপ দিচ্ছি। ডাইজেস্টটা পৌনঃপুনিক ভাগের মত শেষ হচ্ছে না। প্রতিদিনই ভাবি আজই শেষ হবে, কিন্তু শেষ হয় না। ওদিকে রোজা পার হয়ে ঈদ চলে আসছে। ডাইজেস্ট এর একটা বড় অংশই রিপৃন্ট, আগের কমিক্স আবার করে ছাপা হচ্ছে। নতুন করে দেবার মত সময় আঁকিয়েদের নেই। সবাই অনেক কিছু (অবশ্যই তা ড্রয়িং নিয়ে নয়) নিয়ে ব্যস্ত। যাই হোক আমরা টানা গেটাপ দিয়ে দিয়ে ক্লান্ত হয়ে এ যুগের এন্টারটেইনমেন্ট ফেইসবুক খুলে বসি। এমন ভাবে এক রাতে কাজের ফাঁকে ফেইসবুক খুলে আঁকান্তিসে একটা পোস্ট দেখলাম, আসিফ কবির চৌধুরীর। দেখে অবাক (হিংসা মিশ্রিত অবাক) হলাম। এর কাজ আমি আগেও দেখেছি। কিছুটা সব্য'দার স্টাইল ঘ্যাঁষা কাজ, কিন্তু এখানে দেখে মনে হল সে হঠাৎ অনেক এগিয়ে গেছে। আগের চেয়ে অনেক ম্যাচিওরড কাজ। মেসেজে জানালাম কাজটা ভালো হয়েছে, আর সে ডাইজেস্ট এর জন্যে পাঁচ পৃষ্ঠা কমিক্স করতে আগ্রহী কি না। সাথে সাথে রিপ্লাই এল-আগ্রহী,  এবং আশ্চরযের ব্যাপার এক সপ্তার মধ্যেই প্রায় পরো কাজ করে সে পাঠিয়ে দিল। আমি নিজে আঁকি তাই কাজ দেখে এইটুক বলা যায় যে এই কাজ এক সপ্তায় দেয়াটা কঠিন। আসিফ কবির পড়েন রাজশাহী চারুকলায়। সেখান থেকে আর কেউ এই ধরনের ডিজিটাল মিডিয়া ও হালের কনসেপ্ট আর্ট ঘ্যাঁষা কাজ করেন কি না আমার জানা নেই। সত্যি বলতে কাজ দেখে অভিভূত হলাম, কারণ টুকটাক একটা কনসেপ্ট আর্ট করা আর অর্ডারি একটা স্টোরি এঁকে কমিক্স করাটা এক না। অনেক বড় বড় কনসেপ্ট আর্টিস্ট এখনো একটা প্রোপার কমিক্স করে দেখাতে পারেন নি। তাকে প্রথামত একটা বিরাট ধন্যবাদ দিয়ে ডাইজেস্ট এর শেষে সেই পাঁচ পৃষ্ঠা বসিয়ে দিলাম,.চ্যাটিং এ কথোপকথন চলতে লাগলো। 

এক সপ্তা পর ডাইজেস্ট বের হলে তাকে ফোন দিতে গিয়ে থেমে গেলাম... তার আঁকায় তার নাম দেয়া হয়নি!! এর কোন অজুহাত হয় না। যতই তাড়াহুড়ার কাজ হোক না কেন এটা মেনে নেবার উপায় নেই। লজ্জ্বায় ফোন তো দূরে থাকুক কোনরকম যোগাযোগ বাদ দিয়ে ভাবতে লাগলাম কি চাপা মারা যায়। অনেক ভেবে কিছু না পেয়ে এসেমেস দিলাম- ভাই আপনার কমিক্স আপনা র নাম ছাড়া ছাপা হয়েছে। সাথে সাথে রিপ্লাই এল- 'ব্যাপার না, লোকে কাজটাই দেখবে।' এত স্মার্ট রিলাই দেখে মনটাই ভালো হয়ে গেল। জানালাম যে অন্তত সূচীতে তার নাম আঁকিয়ে হিসেবে দেয়া আছে। এত বড় একটা ডিজ্যাস্টার এত সহজে নেয়া মানুষটা (আমি হলে কি কি বলতাম তা আমার কাছের লোকেরা জানে) আসলে ভালো মানুষ।  যা এই সময়ে দূর্লভ। তখনই বুঝলাম এর সাথে কাজ করা যাবে।  ওদিকে দিন যায় মাস যায় পকেট ভোঁ ভোঁ, নতুন আঁকিয়েদের সম্মানী দেয়া যাচ্ছে না। আশে পাশের সবাইকে হাবিজাবি বুঝায়ে রাখা যাচ্ছে, কিন্তু রাজশাহীর আসিফ-আর নামটাও ছাপি নাই তার আঁকিয়ে সম্মানীয় না দিয়ে কতদিন অসম্মান করব সেটা বুঝতে পারছিলাম না। অবশেষে গত ২৩ তারিখ সেটা ক্লিয়ার করে ফোন দিলাম- সে তার সাথে প্রথম কথা।জানালো ডাইজেস্ট টা ভালো হয়েছে। ফোন রাখার পর জিজ্ঞেস করলাম আসছে ফেব্রুয়ারিতে একটা ২৪ পৃষ্ঠার কমিক্স করতে চান কি না। জবাব এল- 'এইটা দারুণ হবে। আমার এখন যে পর্যায় এতে চলবে তো?' জানালাম 'চলবে' মনে মনে বললাম-দৌড়াবে। পরের রিপ্লাইএ সে জানালো যে ২৬ তারিখ তার ঢাকা আসার কথা, আমার সাথে দেখা করা যেতে পারে। আমি পজিটিভ জানিয়ে রিমাইন্ডার দিলাম- আসিফ, রাজশাহী 05.30 pm। লেখাটা এ পর্যন্ত রাখতে পারলেই হত। কিন্তু আরো একটু লিখতে হচ্ছে, সেটা হল গতকাল সকাল আসিফ কবীর চৌধুরী মারা গেছে। নিজের চেয়ে ছোটো ও সমগোত্রীয় কেউ মারা গেলে কি ভয়ানক অবাক লাগে! আর তার সাথে যদি কিছু আগেই কথাবার্তা হয়ে গিয়ে থাকে। যার সাথে দেখা করার রিমাইন্ডার এখনো আমার ফোনে রাখা, আজ বিকেলে ঠিক ৫.৩০  এ সেটা বেজে উঠবে...

অন্যদের থেকে জানলাম ক্লাস শেষে বের হয়ে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়, আর ক'দিন আগেই নাকি একটা লাংসজনিত সমস্যার কারনে মেডিক্যাল অপারেশন হয়ে গিয়েছহিল। অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নেবার পড়ে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এই এক বছরে আমি আমার দুইজন সহযাত্রী হারালাম। ফেব্রুয়ারিতে তারিকুল ইসলাম শান্ত ভাইয়ের সাথে কথা হল পরেরদিন বইমেলাতে কমিক্স নিয়ে কথা হবে, পরদিন শাহবাগ আন্দোলনে স্লোগানরত অবস্থায় হার্ট এটাকে মারা গেলেন। আর এবার যাকে কখনো এমনকী চোখের দেখাও হল না তার সাথে দেখা হবার আগের দিন সে নেই। গত কয়েকবছরে মৃত্যু দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। প্রতিবার মোটামুটি সব কাটিয়ে উঠতে ন উঠতেই আবার আরেকটা সংবাদ...
যাই হোক, যে মারা গেছে তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। আমরা যা করতে পারি তার স্মৃতিচারণ, এবং আসিফ কবির ছিল সেই মানের সম্বভানাময় একজন শিল্পী যার আসলে অনেক কিছু দেবার ছিল। বাংলাদেশের কমিক্স কার্টুন ও পেইন্টিং দুনিয়া অনেক অভূতপুর্ব কাজ থেকেও বঞ্চিত হল।
আর আমি বঞ্চিত হলাম এক ভালো মনের অসাধারণ প্রতিভাবান সহযোদ্ধার থেকে।
ভালো থাকুন আসিফ,

যেখানেই থাকুন।

July 22, 2013

গোলাপ ভাইঃ রিটোল্ড

ঢাকা কমিক্স এর ঈদ সংখ্যা ডাইজেস্ট বের হচ্ছে (ইয়্য্য্যাহুউউ), সেখানে মূল বইয়ের সাথে একটা ছোট্ট কমিক্স ফৃ দেয়া হবে, কমিক্স বাই ওয়ান এন্ড অনলি শাহরিয়ার শরিফ!। (প্রচ্ছদটা অবশ্য আমার করা)বেশ চনমনে বোধ করছি। সবাইকে সাথে নিয়ে কমিক্স করার একটা আলাদা মজা আছে আসলে।

July 07, 2013

Studying Culbard

CULBARD নামের এক দারুণ কমিক্স আঁকিয়ের খোঁজ পেলাম, অসাধারণ সব গ্রাফিক নভেল এঁকে ভরায়ে ফেলতেছে। বিশেষ করে H.P. Lovecraft এ গল্পগুলি নিয়ে নতুন কিছু অন্থো নামাচ্ছে সে, মজার ব্যাপার হল সে বুড়া বয়সে মাঙ্গাস্টুডিও দিয়ে কাজ করছে। খুবই মজা পেলাম, তার কাজের কিছু টৃটমেন্ট দারুণ। তার কাজের ধরন ফলো করার চেষ্টা করে যাচ্ছি

July 06, 2013

ইংকিং ০২ :cast shadow

এবারে কাস্ট শ্যাডো নিয়ে যা বুঝি তা আলোচনা করা যাক

কাস্ট শ্যাডো হল সবচেয়ে সহজ ছায়া। যেটা আলোর ঠিক উলটো দিকে পরে, কড়া আলো- যেমন টর্চ লাইট বা দুপুরের সূর্য থেকে আলো যদি কোন বস্তুতে পরে তবে তার ঠিক উলটো দিকে যে গাঢ় ছায়াটা পরে সেটাই কাস্ট শ্যাডো।ওপরে ছবিতে সেটা কয়েকভাবে এঁকে দেখানো হল। খেয়াল করুন ছায়া ব্যাপারটা খুবই লিকুইড ধরনের, সে যখন যেমন ফর্ম এর ওপর পড়ছে তখন তেমনভাবে বেঁকে যাচ্ছে। এটা বোঝাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে এই কাস্ট শ্যাডোটা কিভাবে বাঁকে তা দিয়েই তার নিচের বস্তুটা কেমন তা বোঝানো যায়। খেয়াল করুন লাঠিটার ছায়া গোল পাথরটার ওপরে বাঁকা করে পড়েছে আর ইট টাইপের জিনিসটার ওপর কোণা তৈরী করে পড়েছে।
একই পদ্ধতিতে আমরা যদি মানুষের মাথার কাস্ট শ্যাডো গলার ওপরে ফেলি তবে তা অনেকটা নীচের ছবির মত হবে।খেয়াল করুন গলার পেছন দিকে ছায়াটা হঠাৎ আবার নেমে গেছে, আসলে এখানে গিয়ে ফর্মটার তল পালটে গেছে, মানে ইটের ওপর যেভাবে ছায়াটা ঠিক দুইটা আলাদা তল এর কোণায় এসে দিক পালটে ফেলে সেভাবে

এখানে দেখুন মানুষটার ছায়া (কাস্ট শ্যাডো) তার ঠিক পেছনের সিঁড়ির গা বেয়ে বেয়ে উঠে গেছে


 

এবারে একটা কমিক্স এর ড্রয়িং এ এই জ্ঞানটা ফলানো যাক- প্
রথমে খুশী মত শুধু লাইন ড্রয়িং করলাম, এখানে নো শ্যাডো, নো কালি
এবারে কোণাকুণী একটা সহজ আলোর উৎস ধরে তার উলটো দিকে কাস্ট শ্যাডো মারি


এবারে সেই আগের পোস্টের দাবার ছক পদ্ধতি মেনে ব্ল্যাক কোথায় ফেলা যায় তা ঠিক করি

এই পর্যায়ে এসে দেখা যায় কিছু কিছু জায়গায় কালোর সাথে কালো মিলে অনেক কিছু হারিয়ে যায়, যেখানে যেখানে হারিয়ে যাচ্ছে সেখানে একটু করে সাদা মেরে নেই। এটাকে বলা যেতে পারে রিফ্লেক্টেড লাইট, মানুষটা যেদিকে দাঁড়িয়ে তার উলটো দিকের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে কিছু আলো এসে আবার তার গায়ে পড়ে-এটা তাই, এখানে তার ডান দিকের গাল, চশমা কলারে কিছু কিছু জায়গায় সাদা করা হল।
রঙ- খুশী মতন

আশা করি কিছুটা পরিষ্কার করা গেল ব্যাপারটা । তারপরেও কারো বোঝার কিছু থাকলে এখানে নিশ্চিন্তে প্রশ্ন করতে পারেন (তবে তার উত্তর জানাতে পারবোই এমন না- কিন্তু ওই যে- নেভার স্টপ কোয়েশ্চেনিং :D)

July 04, 2013

ইঙ্কিং:০১

প্রথমেই বলে নেয়া ভাল আমি এই ব্লগে যে সব তথাকথিত টিউটোরিয়াল ধরনের পোস্ট দেই সেসব আসলে বেশীরভাগই আমার নিজের চিন্তা, মানে ব্যাপারটা আমি যেভাবে বুঝি বা করি সেটাই সহজ করে সবার সাথে ভাগ করে নেই, তাই এটাই একেবারে শেষ কথা না, এমন কি এর মাঝে অনেক ভুলও থাকতে পারে, আর সময়ের সাথে সাথে আমার নিজেরও কাজের পদ্ধতি, মাধ্যম ইত্যাদি অনবরত পাল্টাচ্ছে। তাই এই সব পোস্ট অনেকটা থাম্বরুল হিসেবে দেখাই ভাল। এই পোস্ট টা দেবার আগে আমার অনেক মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে। ড্রয়িং এর ক্ষেত্রে বিশেষ করে সাদা কালো আঁকার ক্ষেত্রে কোথায় 'কালো' করব এটা সবসময়ই একটা ভ্যাজাল মনে হয় আমার কাছে (এখনো) তবে ইদানীং এই পদ্ধতিতে করে কিছুটা উপকার পাচ্ছি। পদ্ধতিটা বেশ কিছু মহারথী আঁকিয়ের ড্রয়িং দিনের পর দিন ঘেঁটে বের করেছি (যার হয়ত কোন দরকারই ছিলো না, হয়ত কোন ব্লগ বা ফোরামের চিপায় এক লাইনেই সেটা লেখা আছে) আর এটা বোঝার জন্যে নাম দিয়েছি 'দাবা ছক পদ্ধতি'/Chess Board Technique (এর আগে ফেইসবুকের আঁকান্তিস গ্রুপে এই নাম লিখে অনেককে বিভ্রান্ত করে বিমলানন্দ ভোগ করেছি,অনেকেই সেটা গুগল করে পায়নি, ভাবছি নামটা পেটেন্ট করায় নিব ) ব্যাপারটা আর কিছুই না, মনে রাখা যে
পাশাপাশি দুইটা আলাদা জিনিস (ফর্ম) একই রকম (রঙ বা ভ্যালুর) হবে না
 মানে দাবার ছকে যেমন সাদার পরে কালো আর কালোর পরে সাদা তেমন। ইঙ্কিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্যাঁচ যেখানে লাগে সেটা হল সব রকমের কালিকেই আসলে মনে হয় ছায়া। মানে শুধু মাত্র আলোর উলটা দিকেই কালো করা যাবে বাকিটা করা যাবে না এরকম মনে হওয়া। সাদা কালোয় ইঙ্কিং এর সবচেয়ে বড় সিক্রেট যেটা আমার মনে হয়েছে সেটা হল ব্যাপারটা আলো ছায়ার চেয়েও অনেক বেশী হল 'ডিজাইন' এ, অর্থাৎ আলো ছায়ার ব্যাকরণে যেখানে অন্ধকার হবার কথা না সেখানেও শুধু ডিজাইনের খাতিরে এক চাবড়া কালি ঢেলে দেয়া জায়েজ আছে। এই পোস্টে আলো ছায়ার ব্যাপারটা বলা হবে না, সব একসাথে করলে সেই আগের মত প্যাঁচটা থেকেই যাবে, তার চেয়ে এখানে একেবারে সহজ পদ্ধতিতে দাবার ছকের ঘটনাটা বলা যাক,
দাবার ছকের নিয়মে আমরা ডান দিকের লাইন ড্রয়িং টা কালি করব

এটা দুইভাবে করা যায়, খেয়াল করুন এখানে আলো ছায়ার কোন ব্যাপারই নাই, এখানে শুধু খেয়াল রাখা হয়েছে যদি আকাশটা কালো হয় তবে বাড়িটা সাদা, যদি বাড়িটা কালো হয় তবে আকাশটা সাদা, মানে দাবার ছকে যেমন থাকে। একটা ফর্ম থকে আরেকটাকে আলাদা করতে এই বুদ্ধিটা থাকলেই চলে।

এবারে প্রথম ডয়িংটায় আরো কয়েক ধাপ ডিটেইল যোগ করা হয়েছে। খেয়াল করুন টেকনিক কিন্তু সেই একই। শুধু মাটিতে কিছু টেক্সচার যোগ করে সেটাকে বাড়ির সাদা থেকে একটু আলাদা করা হয়েছে। কার্টুনে আসলে এইটুক বুঝতে পারলেই সেটা যথেষ্ট।

একইভাবে ক'দিন আগে করা আরেকটা ড্রয়িং আবার দেই

খেয়াল করুন এখানে সাদি হকের ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু 'হুদাহুদি' কালি মারা হয়ছে, এটা কোন ছায়া না, এটা তার সাদা জামাটাকে আরো 'ফোটাতে' দাবার ছক পদ্ধতি মাথায় রেখে দেয়া। তবে এখানে কিছু কাস্ট শ্যাডো অনুযায়ী ছায়াও ফেলা হয়ছে। পরের পোস্ট এ আমরা কাস্ট শ্যাডো নিয়ে কিছু কথা বলব। আপাতত দাবা খেলা চলুক।

জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...