May 31, 2013

ঢাকা কমিক্সঃ এমনি এমনি

আজ রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে খাটের নিচ থেকে এইটা বের হল, ফেব্রুয়ারিতে এঁকেছিলাম মনে হয়, ডিপ পেন আর ইংক ব্রাশ আর পরে কিছু জল রঙ করেছিলাম, সেটা অখাদ্য হওয়াতে ফটোশপে মনোক্রোম করে নিলাম :)

May 26, 2013

পুনি

একটা নতুন প্রজেক্টের জন্যে করা কাজ, শীঘ্রই আরো ডিটেইল আসবে :)


May 21, 2013

ইঙ্কিং

শুধু কালিতে কোন ড্রয়িং ভাল মত করতে গেলে আমার কাজ সবসময়েই মাখায়ে যায়। গত কয়েক বছর অসংখ্য ব্লগ, বই আর ভিডিও টিউটোরিয়াল ঘেঁটে ঘুঁটে যেটা বুঝলাম সেটা হল- এই জিনিস আয়ত্তে আসাটা একটা সাধনার ব্যপার। কারণ কালি মানে শুধু ছায়া না, মানে যেখানে অন্ধকার সেখানে কালো করে দিলেই এটা হয় না, ব্যাপারটা কখনো কখনো VALUE কখনো আবার শুধুই DESIGN. কমিক বুক ইংকিং এর কয়েকটা বই এ ব্যাপারে বেশ ভাল কাজে দিয়েছে আমার জন্যে, আগের চে' কিছুটা আয়ত্তে এলেও এখনও দিল্লী বহুত দুরস্ত। এখানে একটা ছোট্ট স্টাডি শেয়ার করি।
যা আঁকবো তার অবয়বটা রাফলি পেন্সিলে এঁকে নেয়া, এই ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম পার্ট টা খুবই হিজিবিজি হয়, এই ক্যারেক্টারটা আমি এতবার এঁকেছি (আমার কমিক্স নিহিলিন ক্লাবের সাদী হক) যে কয়েকটানেই ফর্ম বুঝে এঁকে ফেলতে পারছি

প্রথম ধাপ এ শুধু আউটলাইন

এবারে মনে মনে একটা আলোর উৎস ধরে তার উলটো দিকে cast shadow ফেলে যাওয়া, এবং সব শেষে গায়ের সাদা জামাটা যাতে বোঝা যায় বা 'ফোটে' তার জন্যে তার ঠিক পেছনেই একেবারে কালো করে দেয়া হয়েছে। এখানেই বোঝার ব্যপার যে এই পিছনের কালোটা কিন্তু শুধু মাত্র Design এর জন্যেই আআন হল। এটা কিন্তু ছায়া না। এই ব্যাপারটা বুঝতে আমার অনেক সময় লেগেছে।

এবারে একটা ফ্ল্যাট রঙ মেরে দিলেও কিন্তু জিনিসটা কাজ চালাআব্র মত হয়ে যায়, কারণ মূল কাজটা কালিতেই করে ফেলা হয়েছে।

আসলে ইঙ্কিং কথাটা শুনে যা মনে হয় ব্যাপারটা তার চে' জটিল, কারণ এতে লিমিটেড লাইনে আসল ফর্মটা বোঝানোর ব্যাপার থাকে, আরো ঘাঁটছি, বিগিনার কেউ এই পোস্টের কিছুই বুঝবেন না হয়ত, আমি আরো পেছনে থেকে আমার কিছু অভিজ্ঞতা এখানে নিয়ে আসবো ভাবছি।

April 23, 2013

ঢাকা কমিক্সঃ নতুন বই

র‌্যটস (নিজের বানানো আকিকা ছাড়া নাম আসল নাম- রাতুল) আর আমি মিলে নতুন একটা কমিক্স এর কাজ করছি। কমিক্স এর গল্প লিখেছে নাভিদ হোসেইন নামের একেবারে অল্পবয়সী এক ছেলে (তার গল্প আরেকদিন বড় করে বলা যাবে)। সেই গল্প ঝাঁড়পোছ করে থাম্বনেইলিং শেষ করা হয়েছে, এখন চলছে ক্যারেক্টার ডিজাইন। সেই ফাঁকে একটা 'কন্সেপ্ট' কভার করে রাখলাম, হয়ত এটা শেষ পর্যন্ত যাবে না। তাও করে মজা পেলাম, আর সেই ফাঁকে সবার সাথে কাজের ধাপগুলি শেয়ার করে নেয়া


ধাপ ১. লুজ ডুডল এই ধাপে একেবারে লুজ ধরনের একটা ড্রয়িং করে নেয়া হল, আসলে এইটাই সবচেয়ে গুরুত্বপর্ণ ধাপ, এখনে যত 'মজার' আর রিদমিক একটা 'পোজ' আনা যাবে ততই শেষে গিয়ে ব্যাপারটা জমবে। এই ধাপে মোটেও কোন রকম এনাটমি, লাইট শেড ইত্যাদি বোং বাং নিয়ে মাথা গরম করা চলবে না। এখানে এই কাজটা আমি MANGASTUDIO EX4 এ আমার ওয়াকম ব্যবহার করে করেছি, তবে ট্র্যাডিশনালিও একই কথা, সে ক্ষেত্র এটা করতে হবে 4B টাইপের হালকা কোন পেন্সিল এ

ধাপ ২. ফর্ম ডিফাইন এই ধাপে আগের লুজ ড্রয়িং টাকে একটু টাইট দেবার পালা। প্রতিটা অধরে ধরে আলাদাভাবে ডিফাইন করা। যেমন বুকের খাঁচা, হাত পা, মাথা, গলা ইত্যাদী। খেয়াল করুন একটা পা পেছনের দিকে ফোরশর্টেন্ড হয়ে চলে গেছে, আর সেটা নিজের বোঝার জন্যে তাতে সিলিন্ডৃকাল কিছু লাইন টানা হয়েছে। পা ও হাতে আঙ্গুলগুলিও মতামুটি করে আঁকা হয়েছে, এই ধাপে কোন গোঁজামিল রাখা যাবে না, তাইলে শেষে গিয়ে প্যাঁচ লাগবে।

ধাপ ৩. পেন্সিলি এইখানে আসলে বলা যায় আঁকা শেষ। কারণ এখানে সবকিছু একেবারে ফাইনালি কেমন হবে তা ঠান্ডা মাথায় ধরে ধরে এঁকে ফেলা হল। এইখানের আঁকাটা যদিও অনেকটাই অসমাপ্ত, কিন্তু এই ধাপেই আসলে শেষে কি হবে তার প্রায় সবটুকুই এঁকে নেয়া হয়। তবে মজা হল যে কোন ধাপেই আসলে টুকটাক পালটে নেবার সুযোগ থাকে, যেমন পরের ধাপে আমি বাঁ হাতটা পালটে দিয়েছি।

হাত ম্যানেজ করতে না পেরে শেষে নিজের হাতের ছবি তুলে রেফারেন্স নেয়া হল
ধাপ ৪. ংকি এই ধাপটা সবচেয়ে সহজ ও মজাদার, এটা আর কিছুই না, পেন্সিল পার্টটার সফল ট্রেসিং করা, বা যাকে বলে ড্রাফটিং। এখানে ডিজিটালি করা, যে যার পছন্দমত টুল এ কাজ করতে পারেন।

ধাপ ৫. কাস্ট শ্যাডো টা অদিও ইংকিং এর মধ্যেই পড়ে কিন্তু আমার মতে এটা আলাদ করে আরেক ধাপ ভেবে নিলে ভ্যাজাল কম হয়। এখানে মনে মনে একয়াত লাইট সো্স ধরে নিয়েতার উটো দিকের লাইনগুলি মোটা করে দেয়া হল, আর সেই সাথে প্রত্যেকটা অব্জেক্টের একেবারে ডার্ক কিছু ছায়া ফেলা হল আলোর উলটো দিকে। ক্যারেক্টারটার ডান হাতের আর্মারটা ধাতব বলে সেটায় ধাতব শ্যাডো ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।

এটা কোন নতুন ধাপ না, আসলে প্রথমেই এটা করার দরকার ছিল, শেষে এসে করা হল-যার নাম ব্যাকগ্রাউন্ড- একটা ফ্যান্টাসি সাই-ফাই লুক দিতে ব্যাকগ্রাউইন্ডটা যোগ করা হল, সেটা খুব বেশী ডিটেইল না হওয়াই ভাল

ধাপ ৬. এবার ব্যাকগ্রাউউন্ডটা একটু পেইন্টারলি করে আঁকা হল, যাতে সামনের ক্যারেক্টারটা হারিয়ে না যায়, আর পেছনের রংটাও কিছুটা ডিস্যাচুরেটেড করে আঁকা হল সামনের চেয়ে। পছন্দমত একটা ফন্ট আর আনুষাঙ্গিক সব টেক্সট জুড়ে দেয়া হল সামনে। 

ধাপ গুলি একসাথে



আশা করি ব্যাপারটা মোটামুটি শেয়ার করা গেল, অচিরেই এই বইয়ের আপডেট নিয়ে আবার আসা ইচ্ছা রেখে আজ বিদায়










April 18, 2013

ঢাকা কমিক্সঃ নতুন কাজ




নতুন একটা কমিক্স এর ডিজাইন চলছে, এখনো অনেক কিছু শেখার বাকী আমাদের। তবে এই গল্পটায় পুরো 'ওয়ার্কফ্লো' এর নিয়ম মেনে করার ইচ্ছা, দেখা যাক কী হয়।

April 17, 2013

follow through

এক বছর আগের শেখা এনিমেশনের কিছু বেসিক ঝালাই করতেসি

থ্যাংস অপু ভাই

April 12, 2013

নোমন ওয়ার্কশপ

নোমন ওয়ার্কশপ এর কিছু টিউটো ডাউনলোড করলাম কিছুদিন আগে, তার একটা ফলো করে এটা আঁকলাম, দারুণ মজাদার কিছু শর্টকাট আর টেকনিক শিখলাম। পেইন্টিং অনেক মজার লাগছে এবার, আরো নামাচ্ছি :)

জাপান টাউনে

 মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...