ইদানীং আমার যে কোন টিউটোরিয়ালে মূল যে জিজ্ঞাসাটা পাই সেটা হল- ভাই এটা কোন সফটওয়ার? আসলে সফটওয়ার একটা মাধ্যম মাত্র। সেটা আঁকা শিখায় না, কিছু সময় বাঁচায় আর কিছু ভিন্ন অপশন দেখায়। এই ব্যাপারে আমাদের কার্টুন গুরু, উন্মাদ সম্পাদক আহসান হাবীব দ্য বসের একটা ছোট ড্রায়ং দৃশ্য শেয়ার করা জরুরী মনে হল। আর শেষে তাঁর বাণী।
উন্মাদ অফিসে আমার পঁচা মোবাইলে ২০১৫ সালে ধারনকৃত।
July 29, 2018
July 27, 2018
মাঙ্গাস্টুডিওতে কমিক্স আঁকা
বেশ অনেকদিন ধরেই আঁকা হচ্ছে ডিজিটালি, ডেডলাইন সামনে থাকলে আর প্রিন্টিং নিয়ে বেশী মাথা না ঘামাতে চাইলে ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো সবচেয়ে ভাল। আমার পছন্দের সফটওয়ার হল মাঙ্গাস্টুডিও। ড্রয়িঙের জন্যে অসাধারণ, সহজ ও একই সাথে অনেক লাইট। যাই হোক, এটা একটা খুবই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। আর এটা বেশ আগের রেকর্ডিং, এখন আমি আরো অন্যরকম ভাবে আঁকি। এ পর্যন্ত কারো কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
July 24, 2018
July 12, 2018
Image Comics
ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২। মার্ভেল স্টুডিও থেকে বের হয়ে এলেন সে সময়ের কিংবদন্তীতূল্য আর্টিস্ট জিম লি (যাঁর একেকটা বই ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ কপি বিক্রি হত), রয় লি'ফিল্ড, টড ম্যাকফার্লেন, জিম ভ্যালেন্টিনোর মত মোট সাতজন। এবং ঝুঁকি নিয়ে বের শুরু করলেন IMAGE COMICS যেখানে প্রথমবারের মত প্রকাশ হতে লাগলো ক্রিয়েটরস ওউনড কমিক্স। মানে যিনি শিল্পী ও লেখকদের কাছেই থাকবে কমিক্স ক্যারেক্টার আর গল্পের কপপিরাইট। মার্ভেল বা ডিসি যেটা কখনোই দিতো না। তারা শিল্পিদের গন্য করত চাকুরিজীবি হিসেবে। কিন্তু আমরা শিল্পীরা নিছক চাকুরিজীবি নই।
আমার ঢাকা কমিক্সের ব্যবসা কাঠামো আর কাজের ধরন পুরোই এই ইমেজ কমিক্স কে ফল করে করা। আগ্রহীরা এই সময়ে সেই বিদ্রোহী আর্টিস্টদের আড্ডাটা দেখতে পারেন।
আমার ঢাকা কমিক্সের ব্যবসা কাঠামো আর কাজের ধরন পুরোই এই ইমেজ কমিক্স কে ফল করে করা। আগ্রহীরা এই সময়ে সেই বিদ্রোহী আর্টিস্টদের আড্ডাটা দেখতে পারেন।
June 28, 2018
কমিকবাজ
তাহসিন সালমান চৌধুরি। আমার দেখা এ দেশের একমাত্র একাডেমিক কমিকবুক নার্ড। কালার্স এফ এম এ রীতিমতন কমিক্স নিয়ে একটা রেডিও শোও করেন তিনি। আমার বেশ কয়েকবার সেই শো'তে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে। সম্প্রতি তিনি ইউটিউবে বাংলাদেশি কমিকসের রিভিউ করা শুরু করেছেন। নিয়মিত ফলো করার একটা বড় কারণ হচ্ছে, মাঝে মাঝে ঢাকা কমিকসের কমিক্স সেখানে রিভিউ আসে। আর এবারে চলে এসেছে আমার প্রথম কমিক্স মীনপিশাচ! তাই এখানেও তুলে দিলাম।
কমিক্স লাভাররা তাঁর চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখলে ঠকবেন না।
কমিক্স লাভাররা তাঁর চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখলে ঠকবেন না।
March 23, 2018
পিশাচ কাহিনি কনসেপ্ট আর্ট
Nathan Fowks নামের গ্রেট আর্টিস্টের টিউটরিয়াল দেখিছ টানা ক'দিন। আবারো পেইন্টারলি করে ক্রে কালারিং বোঝার চেষ্টা চালাচ্ছি। আসলে মাথা থেকে ড্রয়িং আর পেইন্টিং- এই দুইটা ডিপার্টমেন্ট আলাদা না করা পর্যন্ত এটা শিখতে পারব না।
March 21, 2018
কার্টুনিস্ট ও আঁকিয়েদের জন্যে ক্যারিয়ার টিপস
ব্লগে একেবারেই অনিয়মিত ছিলাম প্রায় এক বছর। এবারে ভাবছি অন্তত প্রতি সপ্তাহে একটা জনসেবামূলক পোস্ট দেব। তার একটা আজ দেয়া যাক। সবচেয়ে বেশী যেটা লেখার জন্যে বারবার ট্যালেন্টেড আঁকিয়েকূল অনুরোধ করেছে সেটাই ধরি। বাংলাদেশে কার্টুন-ইলাস্ট্রেশন ক্যারিয়ার আসলে কতটুকু সম্ভাবনাময় এবং সেদিকে এগোনোর ভাল উপায় কী?
প্রথমেই বলে রাখি- বেশী উত্তেজিত না হওয়া ভাল। সত্যি কথা হল যে পরিমাণ সম্ভাবনাময় ভালো ভালো আঁকিয়ে এই মুহূর্তে আছে বা তৈরী হচ্ছে, বাংলাদেশের মার্কেটে এই সেক্টরে অত চাকরি নাই। এটা আগে বুঝে নিতে হবে। তবে চাকরির বাইরে যদি কাজের কথা বলা হয় তবে অফুরন্ত কাজের সম্ভাবনা আছে। স্ট্রাগলিং আঁকিয়েদের এগোনোর ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়ে, আমি সংক্ষেপে কী করিলে কিভাবে এগোতে পারিবেন সেটা লিখে দেই- ক্যাজুয়ালি,
১. আঁকুন ও দেখান
এর কোন বিকল্প নেই। প্রথমত আঁকা শিখতে হবে। সেটা ভাল না হলে পরের কিছু আর পড়ে লাভ নেই। তবে এটা একটা ধারাবাহিক যাত্রা। আজকে যেটা মনে হবে মাস্টারপিস এঁকেছি এক বছর পরে সেটা কাউকে দেখাতে যদি লজ্জ্বা না লাগে বুঝতে হবে আপনি আটকে গেছেন আর নিজেই নিজের কাজে মুগ্ধ হয়ে পড়েছেন। শিখব কোথায় এই প্রশ্ন এখন করার মানে নাই। অনলাইনে এখন দুনিয়া খোলা। চাইলে পৃথিবীবিখ্যাত আর্ট স্কুলগুলির অনলাইন কোর্সে ভর্তি হোন। ইউটউবে দেখুন টিউটোরিয়াল, বই পড়ে স্টাডি করুন। স্কেচবুক নিয়ে বের হয়ে যান পছন্দের বিষয় স্টাডি করতে। আর এরপরের যেটা সেটা হল- সেটা অন্যদের দেখান। তবে এইটা সবথেকে টৃকি পার্ট। আপনি অসাধারণ আঁকেন কিন্তু কেউ জানে না তাহলে লাভ নেই। যেভাবে পারেন আশেপাশের মাধ্যম ব্যবহার করুন। ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ব্লগ, টাম্বলার যেটাতে আপনার দর্শক বেশী সেটাতেই শেয়ার করুন। তবে সাবধান। মানুষের বিরক্তির কারণ হবার দরকার নেই। আজ বিশেষ দিবস, সবাই ফেইসবুকে কিছু একটা দিচ্ছে, তাহলে আমারো কিছু একটা না দিলেই না, এটা কোন আর্টিস্টের কথা না। আঁকুন নিজের তাড়না থেকে। আর কখনই-প্লিজ লাইক মাই পেইজ, যদি ভালো লেগে থাকে শেয়ার করুন- এইগুলি বলবেন না। কারো ভালো লাগলে সে এমনিতেই সেটা প্রচার করবে। কাজ ভাল করুন। সেটা ছড়াবেই। 'লাইক দিন' বলা মাত্র আপনি আসলে সস্তা হয়ে যাবেন। মানুষ আপনাকে আরো দশটা ফেইম সিকারের সাথে গুলিয়ে ফেলবে। এখানে ছ্যাবলামি আর স্মার্ট মার্কেটিং এর মাঝে একটা ফাইন লাইন আছে। সেটা মেনে চললেই হয়।
যেমন Jake Parker সেদিন তাঁর একটা ইউটিউব ভিডিও ছাড়লেন। সেখানে তাঁর স্কাইহার্ট নামের একটা বিরাট গ্রাফিক নভেল তিনি কিভাবে এঁকে শেষ করেছেন সেটা জানালেন। এবং শেষে বললেন,
ইউটিউবে আমি অনিয়মিত। কারণ শুধুমাত্র কন্টেন্ট দিতে হবে বলে একটা কিছু বানিয়ে পোসট করা মানে ভক্তদের সময় নষ্ট করা, আমি যদি সত্যি ই গুরুত্বপূর্ণ বলে কিছু জানানোর আছে মনে করি শুধু তখনই কিছু একটা পোস্ট করি।
সুতরাং প্রচারের ক্ষেত্রে এটা খুবই সাবধানে হ্যান্ডল করার বিষয়, মানুষের বিরক্তির কারণ হবার চাইতে প্রচার না করে কাজ শেখা বরং ভালো।
২. বড় কোন আর্টিস্টকে গুরু ধরুন
শিল্পকলা মূলতঃ গুরুমুখী বিদ্যা। গুরু বলতে সেই সত্য যুগের যোগী কাউকে ধরার কথা বলা হচ্ছে না। যেখানে গুরুর পায়ে হত্যে দিয়ে পড়ে থেকে জীবন যৌবন শেষ করে গুরুদক্ষিণা গুণতে হবে শেষে। এমন কোন আর্টিস্টের সাথে সাথে থাকুন যিনি অন্তত আপনার চেয়ে ভালো আঁকেন, এবং মানুষ হিসেবে ভালো। এই জিনিসটা কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ভালো আঁকিয়ে কিন্তু ভিতরে ভিতরে ছোটোলোক ধরনের, এমন মানুষ এড়িয়ে চলাই ভালো। সবসময় নিজের চেয়ে ভালো আঁকিয়েদের সংস্পর্শে থাকলে ভিতরে একটা তাড়না কাজ করবে যে আমাকে আরো ভালো করতে হবে।
অনেক ক্ষেত্রেই বরং উল্টোটা দেখা যায়। সাধারণতঃ ফাঁকিবাজ আঁকিয়েরা ঘোরাঘুরি করে তার চেয়ে পঁচা আর্টিস্টদের সাথে যাতে নিজেকে তাদের চাইতে বড় আঁকিয়ে মনে হয়! আর যদি মনে হয় আমার চাইতে বড় আর্টিস্ট তো দেশে দেখি না। ভাল কথা, তাহলে বাইরের দেশে খুঁজুন। মাস্টার আঁকিয়েদের তালিকা গুণে শেষ হবে না।
৩. ভিজিটিং কার্ড ও ওয়েবসাইট বানান
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাঝে মাঝেই আউ-ফাউ কিছু মিটিং বা সেমিনারে যাওয়া পড়বে, চেষ্টা করুন সেখানে মানুষের সাথে পরিচিত হতে। জোর করে না, যাকে সমমনা মনে হবে আর কি। এসব জায়গায় কথা শেষে বাড়িয়ে দিন নিজের ভিজিটিং কার্ডটা। আর যেহেতু আঁকেন, সেহেতু নিজের একটা গ্রাাফিক্স বা ড্রয়িং সেখানে থাকলে ভাল। তবে নিজের চৌদ্দটা ডেজিগনেশন বানিয়ে হাসির পাত্র না হয়ে সিম্পল একটা অকুপেশন লিখুন, যদি কার্টুন আঁকেন তবে লিখুন 'কার্টুনিস্ট'। যদি এনিমেশন
করেন তবে লিখুন 'এনিমেটর'। আপনি যে মাঝে মাঝে বাঁশিও বাজান সেটা লেখার দরকার
নাই। । সেই সাথে পারলে তাঁর কার্ডটাও নিন, সংগ্রহ করুন। কার্ড রাখার একটা এলবাম কিনে নিন। ট্রাস্ট মি, এটা কাজে লাগবেই। এটার মানে কিন্তু এই না যে যার সাথেই দেখা হবে কার্ড দিয়ে বলবেন যে,
-ভাই আমারে কাজ দ্যান।
এটার মানে নেটওয়ার্ক বানানো। এরকম ১০০ মানুষের সাথে আপনার যোগাযোগ থাকলে দেখবেন কিছু মানুষ কাজের সময় আপনার কথা ভাববে। মানুষের সাথে মিশুন আন্তরিক ভাবে। শুধু কাজ দিবে ভেবে মেশার মত ছ্যাবলামি করলে আপনি একটা ধান্দাবাজ ছাড়া আর কিছু হবেন না। যাদের ভাল লাগে তাদের সাথে মিশুন, কথা বলুন। কাজ পান বা না পান এই সম্পর্কগুলি-ই জীবনের একটা ট্রেজার।
ভাল কথা, ফেইসবুক পেইজ যাদের আছে সেটা খুব ভালো কথা, কিন্তু একটা ওয়েবসাইট থাকা খুবই জরুরি। কারণ ফেইসবুক পেইজ খুবই ইনফর্মাল একটা জিনিস। আসল সিরিয়াস ক্লায়েন্ট আপনার ফেইসবুক পেইজ দেখতে অতটা সস্তি বোধ করবে না। আর দেশের বাইরে যে কেউ আপনি আসলে কতটূকু প্রফেশনাল সেটা জানতে আগে খুঁজবে আপনার ওয়েবসাইট। সুতরাং বেশ ভাল দেখতে একটা ওয়েবসাইট করুন, সেটার এড্রেস রাখুন ভিজিটিং কার্ডে।
৪. পোর্টফোলিও রাখুন সাথে
যে কোন ক্লায়েন্ট মিটিং এ সাথে নিজের কাজ রাখুন। নিজেকে যতটা সেলিব্রেটি ভাবেন আসলে আপনি অতটা নন যে ক্লায়েন্ট আপনার চেহারা দেখেই বলবে- আরেহ্, আপনি?
রিয়েলিটি হল, ক্লায়েন্ট প্রথমেই আপনি কাজটা পারবেন কিনা সেটা দেখতে চাইবে আপনার স্যম্পল কাজ দেখে। আমার মতে সবথেকে স্মার্ট উপায় হল একটা ট্যাব রাখা। মোবাইলে কিছু দেখালে খুব সস্তা দেখায়, মনে হয় বন্ধুকে কিছু একটা দেখাচ্ছেন। তার চেয়ে একটা ইঞ্চি দশেক ট্যাবে আপনার সাম্প্রতিক কাজ রাখুন, চাইলে একটা পিডিএফ করে রাখুন। কথার সময় প্রাসঙ্গিক হলে আপনার কাজ দেখান। একগাদা পেপার কাটিং নিয়ে যাওয়াটা একটু 'ইয়ে' হয়ে যাবে, আর ট্যাবটা ক্যাজুয়ালি বের করা ভাল যাতে বোঝা যায় শুধু ক্লায়েন্টকে দেখাতে না, আপনি অন্য কাজেও এটা ব্যবহার করে থাকেন।
আর ট্যাব দামি বা আনা ঝক্কি ভাবলে একটা স্কেচবুক রাখুন, যেখানে অন্তত কিছু আঁকা ভবেচিন্তে করা, মানে ক্লায়েন্ট দেখবে এটা ভেবেই করা।
৫. সমাজে থাকুন
আমি বিরাট আর্টিস্ট তাই একা একা থাকি- এটা বোকাদের কথা। একা একা মানুষ থাকলে সে বোকা বোকা হয়ে যায়। ভাবে সে-ই পৃথিবীর কেন্দ্রে। সবেথেকে ভাল হয় সমমনা দারুণ কাজ করে যারা তাদের নিয়ে থাকা, তাদের সাথে থাকা। সবসময় আঁকতেই হবে এমন না। আড্ডা দেওয়াও একটা জরুরি কাজ। এবং এভাবেই বেশ কিছু আপনার কাজের সাথে মেলে বা আপনি করতে চান এমন কাজেরও সন্ধান পেয়ে যাবেন।
মনে করার কারণ নেই মাত্র ৫ টা পয়েন্ট অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললেই সব সমাধান। আসলে প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা, তার সমস্যা ও সমাধানও আলাদা হবে। তবে চোখ কান খোলা রেখে কমন সেন্স ব্যবহার করলে অনেক আরামে চলা যায়। আর কোন কিছু নিয়েই দুইটা জিনিস না হওয়া ভাল
- অতি সিরিয়াস (আমাকে পৃথিবীর সেরা হতেই হবে!!!)
- অতি সন্তুষ্ট
পরেরটা আসলে বেশি ভয়ানক। অনেক আঁকিয়েকে আমি আশেপাশেই দেখেছি নিজের কাজ নিয়ে অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে দিন দিন কাজ আরো বাজে হয়ে যাচ্ছে, যেটা প্রাইয় অসম্ভব একটা ব্যাপার, নিজে এঁকে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলে আপনি শেষ। দিন শেষে নিজের কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক হতে হবে আপনার নিজেকেই।
Subscribe to:
Posts (Atom)
জাপান টাউনে
মিতু আর অনু ছাড়া আজ ১১ দিন। ইন ফ্যাক্ট একেবারে একা বিদেশে পড়ে আছি সেটাও এই প্রথমবার। কমিকস এর মাস্টার্স প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্যালিফোর্নিয়া ক...
-
দীর্ঘ দশ মাস পর ২০১৮ সালের বিজ্ঞান বিভাগের নবম-দশম শ্রেণির ৫ টা (গণিত, উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান) ও আর্টস ও কমার্স বি...
-
ইদানীং নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই বারবার ধরা খাচ্ছি, আঁকান্তিস নামে যে গ্রুপটা খুলেছিলাম সেখানে সপ্তাহান্তে একটা কিছু কন্টেস্ট ডাকি (নিজেই)।...
-
কমিকবুকের কাজ চলছে, আর সেটা করতে গিয়ে কিছু অদ্ভূত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমাদের। যেমন- আমাদের 'সুপারহিরো' কেমন হবে?ল্যাঙ্গট পড়...





