November 28, 2013

কথোপকথনঃ ম্যাট ভেরকার


ম্যাট ভেরকার, পুলিতজার বিজয়ী আমেরিকান কার্টুনিস্ট। কাজ করেন পলিটিকো নামের একটি ওয়েব ভিত্তিক সাইটে। গত সেপ্টেম্বারে আমেরিকান সেন্টার,বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ঢাকায় এসেছিলেন এই কার্টুনিস্ট। সে সময়ে প্রায় পুরোটা সময় এঁটুলীর মত সাথে সেঁটে থাকার চেষ্টায় আমাদের মধ্যে একটা অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়। একাধিক হাউজে কাজ করায় সবার থেকে মোটামুটি অনেক খানি সামনের দিকে ছিলাম আমি। তারই চান্স নিয়ে এক হরতালের দুপুরে , তাঁর চলে যাবার আগের দিন আমেরিকান সেন্টারের অফিসে একটা ছোটখাটো সাক্ষাতকার নিয়ে নেই। এখানে তার একটা সংক্ষেপিত লেখনী তুলে দিলাম।
ম্যাট ভেরকার

- হ্যালো স্যার। আমি এখন আপনার একটা খুবই বোরিং সাক্ষাতকার নিতে যাচ্ছি।
- (হেসে) অবশ্যই, আমি এতে অভ্যস্ত।
- প্রথমেই জানতে চাই কেন আঁকেন?
- ওহ, এটা আসলে একটা কঠিন প্রশ্ন। 'কেন আঁকেন' এর প্রথম উত্তর হবে-আমি পছন্দ করি কাজটা। আর যদি প্রশ্ন করো কেন কার্টুন আঁকি, তবে এর অনেক উত্তর আছে।
- যেমন?
- যেমন হয়তো কোন একটা ঘটনা ঘটেছে যেটা আমি চাচ্ছি না, বা পছন্দ করছি না আমার এর সম্পর্কে কিছু বলার আছে তখন বা যখন এমনি মজা করতে ইচ্ছে করছে- আসলে অনেক কারণই আছে, নির্দিষ্ট করে কোন কারণ বলাটা কঠিন।
- আমেরিকাতে কার্টুন করার, বিশেষ করে রাজনৈতিক কার্টুন করার স্বাধীনতা কতটা?
- এখানে সর্বোচ্চ স্বাধীনতাটাই আছে, যা একই সাথে একটা সমস্যাও, মানে অন্যভাবে ভাবো। ফৃডম অফ স্পিচ তোমার আছে কিন্তু vyeর ব্যাপার হচ্ছে সেটা সবারই আছে। মানে তোমার বিপক্ষের যেই মানুষগুলি আছে তাদেরও একই স্বাধীনতা আছে। তাই যে কোন কিছু বলার বা করার আগে আসলে বেশ ভেবেচিন্তে করতে হয়, মানে বেশী স্বাধীনতা আসলে তোমাকে উলটো দমিয়েই রাখছে- হাহাহা।
- তার মানে সেখানে কার্টুন এঁকে কখনো কোন রাজনৈতিক বা অন্য কোন হুমকীর মধ্যে পড়তে হয়নি আপনার?
- না, ব্যাপারটা আসলে বেশ দুঃখজনক আমার জন্যে (বিমর্ষ মুখে)। তোমরা কিন্তু সেদিক থেকে ভাগ্যবান। অন্যভাবে দেখলে। আমি একটা কার্টুন আঁকলাম কিন্তু সেটা নিয়ে কোন হুমকী এলো না, বা কেউ বিরুদ্ধে কিছু বলল না সেটা একই সাথে একটু হতাশারও। মানে আদৌ সেটাতে কোন কাজ হচ্ছে কি না তা বোঝাটা মুশকিল। মনে আছে আমি একবার আমাদের প্রতিরক্ষা বিভাগের এক বড় অফিসারকে নিয়ে ভয়ানক স্যাটায়ার কার্টুন করলাম। এঁকে মটামুটি নিশ্চিত যে এবার খবর আছে, একটা কিছু হবেই- হলও, তবে সেটা হল সেই ডিপার্ট্মেন্ট থেকে ফোন করে আমার কাছে কার্টুনটার অরিজিন্যাল কপিটা চাওয়া হল, তারা ওটা বাঁধাই করে রাখতে চাচ্ছে-হা হা হা এই হল আমেরিকা।
- হাহাহা, আসলেই দূর্ভাগ্য আপনাদের, আমরা তো-এই সেদিনও ডেইলি স্টার পত্রিকার সাদাত একটা উকিল নোটিশ পেল আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর থেকে, কেন তার চেহারা বিকৃত করে আঁকা হয়েছে। সে পরে জবাব দিয়েছিল ওটা নাকি এমন কি ক্যারিকেচার ও ছিলো না, ছিল পোর্ট্রেইট।
- হাহাহা, আসলেই ফানি।
-যাই হোক, আপনার কার্টুন কিভাবে শুরু বা কি খেতে পছন্দ করেন এইগুলি আমরা জানতে চাইছি না, আমরা এগুলির জন্যে এখানে উইকিপিডিয়ার লিংক্টা দিয়ে দেব।
- থ্যাংক্স।
- তো অন্য কিছু আমরা এখন জানতে চাইবো। সেটা হল আমরা জানি আপনি একজন পুলিতজার বিজয়ী রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট। এবং আপনি অনেকদিন ধরে আঁকছেন।
- হ্যাঁ আমি রীতিমত বৃদ্ধ।
- হাহা, না সেটা বলতে চাইছি না, মানে জানতে চাইছি আপনি তো সেই কম্পিউটার এর আগের যুগ থেকে আঁকছেন। মানে এনালগ যুগ থেকে। সে সময়ের কার্টুন আর এখনকার কার্টুন বা পৃথিবী সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ণ কী?
- হ্যাঁ, আমি এখনো সেই ক্রসহ্যাচ আর জল রঙ এর মানুষ। আগে বলে নেই আমাদের আমেরিকান কার্টুনিস্ট সমাজে কিন্তু রীতিমতন দুইটা যুদ্ধংদেহী গোষ্ঠী আছে। ক্রসহ্যাচ বনাম নন- ক্রসহ্যাচ। বা আরো সহজে বলা যায় ডিজিটালি আঁকে আর ট্রাডিশনালি আঁকে। রীতিমত যুদ্ধ। আমাকে তুমি ক্রসহ্যাচ দলের সর্দার বলতে পারো (হাসি)। আমাদের এসোসিয়েশনে দুই দল মোটামুটি দুই দিকে মুখ ফিরিয়ে বসে থাকে। আর দূর্ভাগ্যক্রমে সেই এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলাম আমি- ভালো কথা তুমিও তো তোমাদের এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলে?
-হ্যাঁ গত টার্মে।
- হ্যাঁ তাহলে ব্যাপারটা কিছুটা বুঝবে। গণতন্ত্র একটি ভয়ানক আবিষ্কার, কি বল? আমাদের দুইশো সদস্য, তার মানে দুইশোটি গণতান্ত্রিক মত এবং কোনটা কোনটার সাথে মেলে না। এদের গাইড করা মানে একটা খরগোশের পাল সামলানো- হাহাহাহা।
- আমি মনে হয় কিছুটা বুঝতে পারছি ব্যাপারটা।
- যাই হোক, মূল প্রসংগ থেকে সরে যাচ্ছি। হ্যাঁ আমি পুরোই ট্রাডিশনাল মানুষ। কম্পিউটার ভালো আবিষ্কার। কিন্তু ড্রয়িং এ আমার মনে হয় মেশিন অনেকটাই শিল্পীর নিজস্বতা কমিয়ে দেয়। মানে যেমন আমেরিকায় প্রথমে যখন এয়ারব্রাশ এল- এয়ারব্রাশ চেনো তো?
- হ্যাঁ, ডিজনি বা লুনি টিউনস এর স্টুডিওর বইয়ে এটার কাজ দেখেছি। আসলটা দেখি নাই।
-যাই হোক, এয়ারব্রাশ আসার পর সবার মাথা খারাপ হয়ে গেলো, এটা তার চাই-ই চাই। কিছুদিন পর দেখা গেলো সবার রঙ একই রকম হয়ে যাচ্ছে। সবারই সেই নিপাট ফিনিশিং। মানে প্রত্যেকের যে রঙ করার একটা আলাদা ধরন ছিল সেটা চলে গেলো। এটা কখনই একজন শিল্পীর জন্যে ভালো না। তো এই ব্যাপারটা যতটা দূরে রেখে করা যায় আর কি। আমি এখনো মনে করি জল রঙ এ করাটা মজার ব্যাপার, এখানে বেশ কিছু হ্যাপী এক্সিডেন্ট ঘটে। ডিজিটালি আমার জানামতে এটার সুযোগ অনেক কম। তবে অবশ্যই সেখানেও অনেক দারুণ কিছু কাজ করা সম্ভব। মানে আমার কথা হল যে যাই করুক তাঁর কাজে কোথাও একটা নিজের স্টাইল যেন থাকে।
- আমি আসলে অন্য ব্যাপারটাও জানতে চাইছি, মানে ইন্টার নেটের যুগে খবরের কাগজ বা পৃন্ট মিডিয়ার হুমকী সেই সাথে কার্টুনিস্টদের কাজের ক্ষেত্র কতটা ঝুঁকির মুখে সেটা। মানে ক'দিন আগে আমাদের কয়েকজনের ইউ কে যাবার সুযোগ ঘটেছিলো, সেখানে আমরা দেখলাম পৃন্ট মিডিয়া উঠে যাচ্ছে। অনেক বড় বড় পত্রিকা তাঁদের পৃন্টিং বন্ধ করে শুধু ওয়েবসাইট রাখছে। কারণ সবাই ওয়েবসাইট থেকেই সব খবর সাথে সাথে পড়ে নিচ্ছে। ছাপাখানার খবরের কাগজ কেউ কিনছে না। সে ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাঁটাই হচ্ছে আর ছাঁটাইয়ের প্রথম সারিতে আছে কার্টুনিস্ট ও আর্টিস্টরা।
-হ্যাঁ এটা একটা বিরাট সমস্যা। আমেরিকাতেও আলাদা কিছু না। কিন্তু আইরনি হল আমি কিন্তু এখন একটা ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ সাইটেই কাজ করি-পলিটিকো। মজার ব্যাপার হল দৃশ্যটা আবার পাল্টাচ্ছে। কারণ এই খবরের সাইটগুলো হঠাত করে আবিষ্কার করছে যে ছবি নেই এমন খবরের চেয়ে ছবিসহ খবরের লিংক এ অনেক বেশী হিট পড়ে। আর সেটার হিট অনেক বেড়ে যায় যদি ছবিটা হয় কার্টুন। মানে এখন আবার উলটো ঘটনা ঘটছে। অনবেক নিউজ সাইট কার্টুনিস্ট হায়ার করছে হিট বাড়ানোর জন্যে। আসলে এটা কিন্তু হবেই। আমার নিজের একটা কার্টুন আছে যে সভ্যতার সেই প্রথম থেকে সবাই যখন ইতিহাস লেখায় ব্যাস্ত তখনও কোথাও না কোথাও একজন কার্টুনিস্ট বসে বসে এঁকেই যাচ্ছে। মানে সভ্যতা যদ্দিন আছে কার্টুনিস্ট ও থাকবেই। কারণ মানুষ আসলে হাসতে পছন্দ করে আনন্দ পছন্দ করে। এই বিষয়ে আমার থিওরি আর ডায়াগ্রামটা মনে আছে তো?
- হ্যাঁ হ্যাঁ। সেটা আমার কাছে ছবি তুলে রাখা আছে। যাই হোক, তার মানে ইন্টারনেটের জন্যে ভয়ের কিছু নেই?
- মোটেও না, প্রাথমিক একটা সমস্যা দেখা দিতে পারে কিন্তু কার্টুনের দর্শক কখনই কমার কারণ নেই।
- আচ্ছা, আর আরেকটা ব্যাপার হল আমেরিকার কার্টুন সিন্ডিকেট। মানে সেটা আসলে কিভাবে কাজ করে? আমাদের এখানে এ ধরনের কিছু নেই।
- তার মানে তোমরা ভাগ্যবান।
- মানে?
- আমাদের কার্টুন জগতের সবচেয়ে বড় সমস্যার একটা হল সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেট যেটা করে একই কার্টুন কম মূল্যে বেশী খবরের কাগজে বা সাইটে বিক্রি করে। এখন মনে কর তুমি এ দেশের ভালো একজন কার্টুনিস্ট, তুমি যদি তোমার কার্টুন কম রেটে সবাইকে দিয়ে দাও তাতে তোমার মোট আয় বাড়বে কিন্তু ঝামেলায় পড়বে সব স্টাফ কার্টুনিস্টরা। কারণ তখন খবরের কাগজ বা সাইটগুলি আর মাসে মাসে এত টাকা দিয়ে তার নিজস্ব কার্টুনিস্ট পুষবে না। আর নতুন যারা এমেচার হিসেবে আগাচ্ছিলো তারা আর উথতেই পারবে না। আমেরিকায় এই কারণে গত কয়েক বছরে নতুন কার্টুনিস্ট জন্মানোর হার অনেক কমে গেছে।
- বিরাট সমস্যা। মানে কেগল ডট কম...
- ওটাকে আমরা দেখতে পারি না আসলে। অনেক বড় সর্বনাশ হচ্ছে এই সিন্ডিকেশন এ। তবে এটা এড়ানোটাও কঠিন। তোমরা এখনো ভাগ্যবান।
- সুতরাং সিন্ডিকেট করা যাবে না।
-একা ধনী হতে চাইলে করতে পারো (হাসি)।
- আচ্ছা, আর একটা প্রশ্ন করেই উঠি, আমাদের লাঞ্চ এর সময় হয়ে যাচ্ছে, কেলি তাড়া দিচ্ছে। সেটা হল বাংলাদেশ- এ দেশের কার্টুন নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?
- সত্যি বলব? সত্যি হল আমি একটা ধাক্কা খেয়েছি। আমি আসলে ধরে রেখেছিলাম এখানে এসে অনেক কিছু শিখিয়ে যাব, মানে সেই জল রঙ ক্রস হ্যাছ ইত্যাদি। কিন্তু এখানে যে এত পুরোনো আর সমৃদ্ধ একটা কার্টুনিস্ট গোষ্ঠী আছে- আমি এসে আমার জল রঙের টিউব নিয়ে কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। খুবই অপ্রস্তুত লাগছিলো। মানে আমি বলতে চাইছি তোমাদের কাজ, এতটা পেশাদার এতটা সফিস্টিকেটেদ হবে আমি ভাবি-ই নি। আমি মুগ্ধ। নিজেকে তোমাদের কাজের পাশে পুরো প্রাগৈতিহাসিক মনে হচ্ছিলো। অসাধারণ। এটা কিভাবে হল বলবে? মানে বাংলাদেশ এতকার্টুনের জন্যে উর্বর কেন হল? আমি সত্যি অবাক হয়েছি।
- আপনি আবার একটু বেশী-ই বলছেন। হ্যাঁ এটা সত্যি আমাদের অন্য অনেক কিছুর সাথে তুলনা করলে কার্টুন একটা ভাল জায়গায় চলে এসেছে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি এর প্রথম কারণ ওই যে বললেন মানুষ হাসতে পাছন্দ করে। বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু খুবই আমুদে। তারা কাজের চেয়ে গল্প করতে বেশী পছন্দ করে, তারা হ্যাপী থাকাটাকে অর্থবিত্তের চেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়। আপনি এদেশের যে কোন জায়গায় দেখতে পারবেন ছোট ছোট চায়ের দোকান। দেখবেন মানুষ বসে চা খাচ্ছে আর গল্প করছে, বেশীরভাগ গল্পই দেখা যাবে রাজনৈতিক কোন সিরিয়াস বিষয় নিয়ে এবং অবশ্যই সেটা স্যাটায়ারপূর্ণ। গৌতম বুদ্ধের আমলেও কিন্তু আমাদের এখানে একটা গোষ্ঠী ছিল যারা পটচিত্র করে তার সাথে স্যাটায়ার ধরনের গান ভাঁজত- তাদের বলত মাশকারী। আমাদের এখানে স্যাটায়ারের বাংলা কিন্তু তাই- মশকরা। আমি মনে করে এটা আমাদের মজ্জ্বাগত। তাই জাতি হিসেবে কার্টুনকে অনেক ভালোভাবেই মানুষ নেয়।
- কিন্তু আমি কিন্তু শুনেছিলাম তোমাদের কোন এক কার্টুন নিয়ে অনেক সমস্যা হয়েছিলো। কি যেন নাম?
- কার্টুনিস্ট আরিফ?
- হ্যাঁ। ওটার ব্যাপারটা কি ছিলো?
-ওটা আসলে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ঠিক ওই সময়টাতে দেশে অনিয়মতান্ত্রিক একটি সরকার ছিল, আর অন্যদিকে কাজ করেছে ওই সময়ের ওপরমহলের কিছু লোকের কিছু ব্যাক্তিগত আক্রোশ। কার্টুনটা- প্রথম কথা সেটা কার্টুন ছিলো না, ছিলো একটা পুরোনো কৌতুকের ইলাস্ট্রেশন। আর সেটা আগেও ছাপা হয়েছিলো।। এটাকে এবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে ধর্মপ্রাণ গোষ্ঠীকে ভুল বোঝানো হয়।
- তার মানে কার্টুন আঁকাটা ঠিক অতটা ভয়ানক না এখানে?
- (হেসে) না, তাহলে এই এত জন কার্টুনিস্ট এত বছর আমরা এখানে কাজ করতে পারতাম না। ওটা আসলেই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
- আমি অবশ্য ওই কার্টুনিস্টের কথা শুনেছিলাম, তাতে অন্যরকম মনে হয়েছিলো।
- অবশ্যই তার জায়গায় আমি থাকলে হয়তো আমি আরো বাজে ভাবে সেই ঘটনার বর্ণনা দিতাম। ও সময়ে আমি তাঁর ও এই ঘটনার ওপর দৈনিক সংবাদ এ- মানে একটা জাতীয় দৈনিক এ একটা লেখা লিখি। সে সময়ে আমাদের কোন এসোসিয়েশন ও ছিলো না। সত্যি বলতে ঐ ঘটনার পর আমাদের মনে হতে থাকে একটা এসোসিয়েশন থাকলে খুবই ভালো হয়।

- হুম, বুঝতে পেরেছি।

- যাই হোক আমরা আশা করি আপনার বাংলাদেশ সফর খুব একটা খারাপ কাটেনি-

- না না আমি অনেক কিছু শিখেছি- যেমন 'হরতাল'।

-হাহাহা, এটা এক ধরনের অহিংস আন্দোলন, যদিও এখানে সেটা আর অহিংস নেই।

- হ্যাঁ আমার মনে হয় এবার আমাদের আসলেই উঠতে হবে

-হ্যাঁ চলুন।


Matt Wuerker has been POLITICO's editorial cartoonist and illustrator since its launch. In 2012, he won the Pulitzer Prize for editorial cartooning, POLITICO's first Pulitzer win. In 2009, he was a finalist for the Pulitzer Prize in editorial cartooning.

Over the past 25 years, his work has appeared in publications ranging from The Washington Post, The Los Angeles Times and The New York Times to Smithsonian and the Nation, among many others. Along the way, he's also pursued other artistic tangents that have included clay animation, outdoor murals, teaching cartooning in prison (as a visitor, not as an inmate), book illustration and even animating a number of music videos.

Matt thinks Saul Steinberg is a cartoon god and the Peter Principle explains pretty much everything, and he also thinks the maxim "If you're not confused, you're just not thinking clearly" is one of the wisest things ever said.

Matt lives in Washington, D.C., in close proximity to the National Zoo and the Swiss Embassy. Depending how bad things get, he hopes to find asylum in one or the other.

November 25, 2013

রিশাদ ০২

দ্রুত চলছে সেই কুফা প্রজেক্টের পরের পর্বের কাজ। কিছুটা পরীক্ষামূলক কাজ করার ইচ্ছা ছিল এই সিরিজে, সেটা পাঠকেরা বেশ ভালোভাবেই নিয়েছে। এই পর্যন্ত সবচেয়ে তাড়াতাড়ি সবচে' বেশী বিক্রিও হয়েছে এই সিরিজটাই। আশা করি পরের পর্বগুলিও সবার ভালই লাগবে।

November 05, 2013

পুরান কাজ

বছরখানেক আগে একটা লোকাল গল্প নিয়ে আগাচ্ছিলাম, বান্দরবান এর প্রেক্ষাপটে। সেন্ট মেইল থেকে খুঁজে পেয়ে আবার শুরু করতে যাচ্ছি।