February 26, 2015

Sketch books


আমার স্কেচবুকের একাংশ- মানে যা যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে আশে পাশে। আজ ঝেড়েপুঁছে তুলতে কেমন নস্টালজিয়া পেয়ে বসল। যারা ভাবেন আমি ডিজিটালি আঁকি, তাদের জন্যে বলা যাক- সেটা বরফ খণ্ডের ভাসমান পৃষ্ঠ। স্কেচবুক ছাড়া ডিজিটাল টেকনিক কেবলি ফক্কিকারি।

February 24, 2015

Political Cartoon from New age

নিউ এইজ এ কার্টুন আঁকার এক যুগ হয়ে গেলো। কী দারুণ একটা সময় পার করলাম। যৌবনের শুরু থেকে মাঝামাঝি চলে এসেছি এই ৩০ নম্বর, তেজগাঁওয়ের প্রাচীন দালানে।

আজকের এই কাজটা আমার নিজের প্রিয়' তে রাখলাম। ছাপা হয়ে যাবে বুঝিনাই :D- জয়তু নুরুল কবীর!
ইনি না থাকলে আমার  পলিটিক্যাল কার্টুন করা হত না।

February 22, 2015

আমা(দে)র ঘর (স্টুডিও)

মিতু আর আমি মিলে (ও এখন আমেরিকা ঘুরে বেড়াচ্ছে) একটা এ ক্লাস স্টুডিও বানানোর প্ল্যান করছি। যেখানে কাজের চেয়ে ঘুমের ব্যবস্থাই বেশী থাকবে :D 
তার আগে আমার ভূত ও বর্তমান কাজের জায়গাগুলির একটা ডকুমেন্টেশন করে রাখার চেষ্টা। ছবিগুলি তুলে দিয়েছে কায়সার হাকিম শুভ।

ওসামু তেজুকার মাস্টারপিস 'বুদ্ধা' 'র আট খণ্ড কিনে এনেছি আমরা আমাদের নেপাল ট্যুর থেকে। থামেলের তিব্বত বুক স্টোর এর এক কোণায় পড়েছিল এই মহার্ঘ্য সেট। দোকানী আমাদেরকে গছাতে পেরে খুশী। 

আমার ডিজিটাল ওয়ার্ক স্পেস। রুহান এর কাজ চলছিলো। মাঝে ব্যালান্স করার জন্যে রিশাদ সিরিজের একটা ছবি খালি খুলে রাখা

আমার ৩০ তম জন্মদিনের গিফট সার্ফেস টু! মিতু দ্যা গ্রেইট এর দেয়া। কিন্তু ডিভাইসটা আমার চেয়ে স্মার্ট হওয়াতে ফেলে রাখা হচ্ছে। (ডানে আবার সেই বুদ্ধা)

ট্যাব এ রুহান রুহান এন্ড্রয়েড অ্যাপ থেকে খোলা। 


February 21, 2015

ভাষা দিবস ইনফোগ্রাফিক




নিউ এইজ এ দুই বছর আগে একটা রিপোর্ট হয়েছিল যে ভাষা দিবস সম্পর্কে এ যুগের তরুণরা কে কী জানে- ফলাফল ভয়াবহ। কেউ বলেছে এ দিন আমরা স্বাধীন হয়েছি তাতে তিরিশ লাখ লোক মারা গেছে, কেউ বলেছে এটা আমাদের বিজয় দিবস। ভয়ানক তথ্যটা হল এতে বাংলা মিডিয়াম, ইংলিশ মিডিয়াম ও মাদ্রাসা ছাত্র সবাই-ই ছিল। এবং মন্তব্য শুনে কে কোন মাধ্যম তা বলা সম্ভব না। তাদের দোষ দেবার আগে আমার মনে হল আসলে এদের কারিকুলাম বাদ দিয়েও যদি ভাবি সহজভাবে কি আমাদের ভাষা আন্দোলনের হিসাব আমরা কেউ বলেছি? এই ক্যুইক রেন্টাল এর যুগে যেখানে মানুষের গড় মনোযোগ পনের সেকেন্ডের বেশী ধরে রাখাটাই একটা কঠিন কাজ সেখানে শুকনা পরিসংখ্যানের কয়েক লাইন পাঠ্যবইয়ে গুঁজে দিয়ে কি দায়িত্ব শেষ করা যায়? সে সময় থেকেই একেবারে সহজ একটা ইনফোগ্রাফিক (মানে যেখানে গ্রাফিক এর সাথে সাথে ছোট করে ক্রনোলজিকালি একটা ঘটনা সহজে লেখা থাকে) বা কমিক্স করার কথা মাথায় আসে। বছর ধরে বেহ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও পরে এর ছাপার হিসেব করে পিছিয়ে আসতে হয়, পরে সেই চিন্তা আবার বাদ দেয়াহয়। এবং সব শেষে কিছু না করার চেয়ে একটা ডিজিটাল কপি অন্তত সবার জন্যে ফেইসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ছাড়াই বেটার মনে হয়।
সেই চেষ্টার ফসল ই এই কাজ। স্ক্রিপ্ট লেখার দুরূহ কাজটা করেছে কবি নাফিস সবুর। আর অন্যান্য মতামত দিয়ে সাহায্য করেছে (ন) আবু জার এম আক্কাস ভাই, ও আসিফুর রহমান রাতুল।
সিন্ধুতে এই বিন্দু প্রচেষ্টা আমি অনে করি অন্যদের দোষ দেবার চাইতে কিছুটা হলেও কাজে দেবে।
ভাল রেজ্যুলিউশন এখানে


রুহান রুহান ২




২০১৪- সালটা মনে থাকবে- বিয়ের বছর বলে কথা :P
যাই হোক। রুহান রুহানের দ্বিতীয় পর্ব শেষ, প্রায় এক বছর লেগে যাবার অনেক কারণ ছিল- প্রথম কারণ, বারুদ ভেজা (মানে অর্থনৈতিক) তবে ২০১৫ তে ফাআটায়া ফেলা হবে! কসম।

February 13, 2015

PROKO

স্ট্যান প্রোকোপেংকো
লোকটা দারুণ! এর টিউটোরিয়ালগুলি কেউ ফলো করলে বেসিক ড্রয়িং সড়গড় না হয়ে উপায় নেই। একই সাথে এত ক্লিন ড্রয়িং আর এত পেশাদারী বর্ণনা আমি এখনো আর কোন আর্টিস্ট এর দেখিনি। তার একটা নতুন ভিডিও টিউটোরিয়াল তুলে দি' আগ্রহীরা তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে ফেলতে পারেন।


video credit: www.proko.com

February 06, 2015

এন্ড্রয়েড অ্যাপ।


ঢাকা কমিক্স এগিয়ে চলেছে। এবারে এন্ড্রয়েড অ্যাপ!! এর জন্যে যাবতীয় ক্রেডিট গোওজ টু, শাদাব ভাই এন্ড শাকুর ভাই। দেশের বাইরের জন্যে এই লিংক
আর দেশের জন্যে এই লিংক

February 04, 2015

ফাইনালি ফেইসবুক পেইজ (বিসর্গ+ড)

ফেইসবুকে অনেক আগে একটা পেইজ খুলেছিলাম, এবং স্বভাবতই আলসেমী করে সেটা ফেলে রেখেছিলাম। পাবলিশ করা হয়নি, আজ নিউ এইজ এর ফাইল ঘাঁটতে গিয়ে মনে হল একটা কার্টুন রিড্র করা যায় সেটা এই-

আর তারপরেই মনে হল এটা আসলে কোন একটা পেইজ এর কভার ফটো হতে পারে, খুঁজে পেতে সেই পেইজ প্রায় ২ ঘন্টার ঘষামাজায় ঠিক করা হল- এই হল পেইজ এর লিংক ক্লিক করুন

February 03, 2015

হাজার প্রাণের চিৎকার।

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির সাথে পরিচিতি নন এমন কেউ হয়ত আমাদের দেশে এখন নেই। সাভারের এই প্লাজা কাঠামোগত ত্রুটির জন্যে ধ্বসে পড়ে এক হাজারের ওপরে মানুষ মারা যায়! এবং ভয়ানক কথা হল তার আগেরদিন ওই দালানের ফাটল দেখে অনেকেই আশংকা করেছিলো যে এই দালান ধ্বসে যেতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিল্ডিং এর মালিক ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সেটা খালি করতে দেয় নি। তারা বলেছিলো কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু সমস্যা হয়ছে। স্মরণকালের সবচেয়ে বেশী সমস্যাই হয়েছে, জীবন্ত চাপা পড়ে মূলত মারা গেছে হতদরিদ্র গার্মেন্ট কর্মীরা। আমার সৌভাগ্য হোক দূর্ভাগ্য হোক ওই দূর্যোগের উদ্ধারকর্মী হিসেবে এক রাত দুইদিন কাজ করার সুযোগ হয়ছিলো। আমার আপন খালাত ভাইয়ের দোকান ছিলো ওই মার্কেটেই। ঘটনাক্রমে সে দূর্ঘটনার আগের মাসেই সেই দোকান অন্য কাউকে বুঝিয়ে দিয়েছিল। তার কপাল ভাল- কিন্তু কপাল খারাপ ছিলো অগুনতি মানুষের। আমি বরাবরের শক্ত নার্ভের মানুষ বলে নিজেকে মনে করি। তবে এইবার- ওই বিভিষীকা থেকে ফিরে প্রায় ১৫ দিন আমি কোন কাজ করতে পারিনি। লাশের পঁচা গন্ধ আর কাটা হাত পা দান্তের ইনফার্নোর বর্ননার চেয়ে ভয়ানক। আমি সেই স্মৃতি মনে চেপে এখনো আছি- কখনো সাহস হলে সেটা বলা যাবে। সেই উদ্ধার কাজের ফাঁকে এসে কিছু কার্টুন এঁকেছিলাম, আমি একা না, সশরীরে আর কার্টুনিস্ট না যেতে পারলেও কলমে তাদের মূল কাজটা কিন্তু তারা ঠিকই করেছিলো। তার মধ্যে অভাবনীয় সাড়া পড়েছিলো কার্টুনিস্ট মিতু'র একটা কাজ এ- একটা জিন্স এর প্যান্ট এর প্রাইস ট্যাগ এ দামের জায়গায় কোন সংখ্যার বদলে কিছু রক্তের ছোপ। ব্যস- এটা ভাইরাল হয়ে গেলো। এমনকী সেটা স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করার কারণে গার্মেন্টস মালিকদের কেউ কেউ শেয়ারকারী সহ স্বয়ং কার্টুনিস্টকেও হুমকী দিতে লাগলো। আমি মনে করি এই কার্টুনটি ঘটনাক্রমে বাংলাদেশের কার্টুন ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। 

যাই হোক, ক'দিন আগে সংহতি প্রকাশনা থেকে 'হাজার প্রাণের চিৎকার' নামে রানা প্লাজা ট্রাজেডি নিয়ে একটি ডকুমেন্টেশন সংকলন করা হয়েছে, সেখান থেকে একটা দাওয়াত পেলাম, মিতু এবং আমার একটি করে এই সংক্রান্ত কার্টুন সেখানে নেয়া হয়েছে। (জিন্স এর কার্টুনটাই তার মিস করে গেছে কেন জানি)। এ ব্যাপারে জোনায়েদ সাকী ভাই আর তাসলিমা আখতার কে ধন্যবাদ।

প্রকাশনা উৎসবে যেতে না পারলেও পরে বইটা ঠিকই হাতে পেলাম। দারুণ কাজ,সেখানে একটা হলেও এমন কাজ থাকাতে বেশ ভাল লাগছে। তবে রানা প্লাজার লাশের গন্ধ নাক থেকে মুছতে আমাকে আরো কাজ করতে হবে। ওই দুলে ওঠা দালানে দাঁড়ানো অবস্থায় এক রাতে আমি কঠিন কিছু প্রতিজ্ঞা করেছি।






সেই জিন্স এর কার্টুনটা এখানে দিয়ে দিলাম